হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৭

সংখ্যা: ৩০৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

কোথা সে ঈমানদার,

করেই ছিলেন অর্ধজগত, বীর বেশে অধিকার।

জাহিলিয়াতের লৌহ দুয়ার, ভেঙ্গে দিয়ে খান খান,

সুশিল শান্তি সাম্য জাগান, ইনসাফে বলিয়ান।

করেন লিল্লাহিয়াতেই আলো দিয়ে, পৃথিবীরে উজ্জল,

করেন সুন্নতী রাহে, ইনসাফ এনে, যিন্দেগী সচ্ছল।

রহেন সত্যের তরে সহসা উদার, স্মরণীয় বেমিছাল,

করেন মিথ্যার সব চোখ ধাধানো, তামাশারে পয়মাল।

করেন পবিত্র দ্বীন ইসলামী নূরে, জাহানকে নূরীয়ান,

দেখান জীবনের সব পরতে পরতে, সৌর্যের সমাধান।

প্রতি সৃষ্টির সৃজন শাহানা, জানে শুধু মুসলিম,

করেন প্রমাণ জাহিলি জ্বালায়ে, কামালে অপরিসীম।

ওই সভ্যতা সব শালিনী বাহনে, করেন যে বণ্টন,

করেন তাগুতের তেজ নিস্তেজী নারে, পুরোটাই খণ্ডন।

কেবল মুসলমানেরা শিক্ষিত করেন পথহারা ইনসান,

ওই গুমরাহী সব ভেঙ্গেই গড়েন, ইলমের উদ্যান।

ওই শহর, বন্দর, গঞ্জে গঞ্জে, শৃংখলিত যিন্দেগী,

করেন উজ্জল, মুসলিমী দল, হক রাহে বন্দেগী।

উঁচু নিচু সব ভেদাভেদ গুড়ে, সমতা করেন জাহির,

মুশকিল আসান, রাখেন উঁচুয়ান, ইহসানে স্বস্তির।

ইনসানি ক্বওম, রইছে ঝুকেই, মু’মিনি মায়ার গুলবাগে,

ওই সুন্নাহ আদর্শে দর্শিত হতে, আনতেছে অনুরাগে।

বলি, পেয়ে মনুষত্বের মর্ম সুধা, ইসলামী দরিয়ায়,

ওই বেহেশতী শান্তি যে এলো, সুন্নতী মোহনায়।

হায়, আজকে কোথায় সেই সে সাম্য মুসলিমি অঙ্গনে,

হায়, আজকে কোথায় সেই সে সাহস ঈমানের আয়োজনে।

কেন গর্বিত মুসলিম জাতি নিন্দা সাগরে ডুবে,

কেন সে পালায়, নিশ্চুপে রয় ভীরুতার অবয়বে।

কেন ভেঙ্গেই রহে মুসলমানের ঐক্যের কুহেতুর,

ঘুমের ঘোরেই, গ্রেফতার হায়, হচ্ছে সে মজবুর।

কেন জাগতিক ভৌতুকি ভুলে গুজারে মুসলমান,

আসবে কি ফিরে সেই শান, স্বাধীনে অবস্থান।

ওরে পৃথিবীর মুসলিম দাও, প্রশ্নের উত্তর,

থেকোনা লুকায়ে তাগুতের ভয়ে গহ্বরে মন্থর।

তোদের মুক্তির ছবি, দিচ্ছি গো কবি, মুসলিম শোন সবে,

ঈমান আমান রাখ দস্তুর সুন্নতি আসবাবে।

করিনা গল্প, নেই বিকল্প সুন্নাহ উনার বেলা,

ওই সুন্নতবিহীন দোসরাহী মত দুর্গতিতেই ভোলা।

ওই ইসলাম উনার শান মান ছেড়ে, তাগুতী নহরে মুসলিমীন,

ইবলীস হায় রাখছে ডুবায়, নহর রূপী  মলে অর্বাচিন।

দেখ নজর বিশেষে, মুসলিম দেশে মুসলমানের সম্প্রীতি,

আহা আফসোস বিরল দৃশ্য, অধুনা জগতে আনে ভীতি।

করে মুসলিমি ঘনিষ্ট দেশ, নিজেদের মাঝে যুদ্ধ নার,

বন্দুক বোমা মিসাইল ঘাতেই বহায় খুন জোয়ার।

এহেন দৃশ্য দেখেই, হাসছে তামাম কাফির মুশরিকীন,

আহা মুসলিমি মাঝে লাগায়ে দ্বন্দ্ব, নৃত্ত্বে গাহিছে নাতিনধিন।

কই কোথা ওই মুসলমানেরা, গড়ে না কেন যে ঐকতান,

কেন আজ তোদের দিচ্ছ মিটায়ে, ঐতিহাসিক শৌর্যশান।

আজ পনের শতক হিজরী ধরায়, খুঁজে খঁুজে হয়রান,

কোথায় ইমাম, কোথায় কারাম, জাগ্রত মেহমান।

বাঁচতে চাহিছি মুসলিম মোরা, হতচ্ছাড়ার গণ্ডি ছিড়ে,

রাত্র নিশির বেড়াজালে আর থাকতে চাহিনা পড়ে।

আজ যামানার মুহইউস সুন্নাহ রাজারবাগ শরীফ বাংলাদেশ,

গড়েন আহলে বাইতি রসূল হয়েই ইসলামী পরিবেশ।

তিনি সুন্নত উনার প্রতিটি পরতে আবে হায়াতের পানি,

শুনুন মুসলমান, আদরে পিলান, নেই এতে মানহানী।

উনার পত্র পেয়েই পাক আফগান, যুদ্ধ দিল থামায়,

করে সমঝতা, এনে শরাফতা, মিলে মিশে গুজরায়।

ফের উনার দোয়ায় পায় ফিরে ওই, ওয়াতনে ফিলিস্তীন,

ওই ইহুদীরা আজ গযবে ঝুলছে, বিশ্বেতে দিনহীন।

আজ দ্বন্দ্ব দলিয়া, আয়রে ফিরিয়া, এক সামিয়ানা তলে,

বিজয় তোমায়, চক্ষু জুড়ায় থেকোনারে আর ভুলে।

তিনি মুজাদ্দিদে আ’যম, খোদায়ি খলীফা উনার কাননে এসে,

খোদ, দুনিয়া আখির, রহ বে নজির, কামিয়াবি অভিলাষে।

আমরা উনার নির্দেশে রহি, বিশ্বব্যাপিয়া অরঘুমে,

কোটি কোটি বীর মুরীদ আবিদ, প্রস্তুত অনুপমে।

পৃথিবীর প্রতি ইঞ্চিতে রই, সজ্জিত যোদ্ধায়,

ইনশাআল্লাহ খিলাফত ক্বায়িম করবো যে বসুধায়।

হচ্ছে গো আজ যমীন জুড়েই, প্রতিধ্বনি বার বার,

শুনুন, খিলাফতি খবর প্রচারে জবর, দ্বীপ্তিতে সমাচার।

খোদায়ি যমীনে খোদায়ি কানুন, দায়িমি রাখতে জারি,

পিছপা থাকিনা একটুও মোরা, শুনরে বুত পূজারী।

-বিশ্বকবি মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (২) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (3) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে