খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৯

সংখ্যা: ১৮৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

এতবড় মর্যাদা এতবড় ফযীলত রয়েছে এই বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার এবং সেই উপলক্ষে মাহফিলের ব্যবস্থা করার মধ্যে এত মর্যাদা এত মর্তবা এত ফযীলত সেটা বর্ণনা করা হয়েছে। হযরত ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি সেটা বর্ণনা করেছেন।

ঠিক যিনি সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত ‘বিল ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ কিতাবে তিনি সেটা বর্ণনা করেছেন। তিনি ইরশাদ করেন-

وقال سلطان العارفين الامام جلال الدين السيوطى قدس الله سره ونور ضريحه فى كتابه المسمى بالوسائل فى شرح الشمائل ما من بيت او مسجد اومحلة قرئ فيه مولد النبى صلى الله عليه وسلم الا حفت الملائكة ذلك البيت اوالمسجد اوالمحلة وصلت الملائكة على اهل ذلك المكان وعمهم الله تعالى  بالرحمة والرضوان واما المطوقون بالنور يعنى  جبرائيل وميكائيل واسرافيل وعزرائيل عليهم السلام فانهم  يصلون على من كان سببا  لقرائة مولد  النبى  صلى  الله  عليه  وسلم.

পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানদের মধ্যে যারা সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন তাদের একজন হচ্ছেন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার যামানার মুজাদ্দিদ ছিলেন, ইমাম ছিলেন, সুলত্বানুল আরিফীন ছিলেন। তিনি উনার সেই ‘বিল ওসায়িল শরহি শামায়িল’ কিতাবে বর্ণনা করেছেন-

ما من بيت  او مسجد اومحلة

এমন কোন ঘর নেই, মসজিদ নেই, মহল্লা নেই

قرئ فيه مولد النبى صلى الله عليه وسلم

 যেখানে আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়। অর্থাৎ বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি করে যদি কোন ঘর, কোন বাড়ি, কোন মসজিদ, কোন মহল্লায়, আল্লাহ পাক-এর হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে মীলাদ শরীফ পাঠ করে, তা হলে কি হবে?

الا حفت الملائكة ذلك البيت اوالمسجد اوالمحلة

অর্থাৎ যখন কোন মসজিদ, বাড়ি বা মহল্লায় মীলাদ শরীফ বা বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা হবে তখন সমস্ত ফেরেশ্তারা কি করেন, ঐ বাড়িটা ঐ মসজিদটা ঐ মহল্লাটাকে তারা চার দিকে ঘেরাও করে নেন। সুবহানাল্লাহ।

وصلت الـملائكة على اهل ذلك الـمكان

সমস্ত ফেরেশ্তারা ঐ এলাকায় যারা রয়েছেন, যারা এ ব্যবস্থা করেছেন, যারা শরীক রয়েছেন তাদের সকলের প্রতি ছলাত পাঠ করতে থাকেন অর্থাৎ আল্লাহ পাক-এর কাছে রহমত, বরকত, সাকীনার দুয়া করতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ।

وعمهم الله تعالى بالرحمة والرضوان

এবং স্বয়ং আল্লাহ পাক আল্লাহ পাক রহমত এবং সন্তুষ্টি দিয়ে তাদেরকে ঘেরাও করে নেন অর্থাৎ রহমত এবং সন্তুষ্টির অন্তর্ভুক্ত তাদেরকে করে নেন। সুবহানাল্লাহ।

واما الـمطوقون بالنور يعنى  جبرائيل وميكائيل واسرافيل وعزرائيل عليهم السلام

এবং যারা নূরের দ্বারা আচ্ছাদিত ফেরেশ্তা হযরত জিবরীল আলাইহিস্ সালাম, হযরত মীকাঈল আলাইহিস্ সালাম, হযরত ইসরাফীল আলাইহিস্ সালাম এবং হযরত আজরাঈল আলাইহিস্ সালাম

فانهم  يصلون على من كان سببا  لقرائة مولد  النبى  صلى  الله  عليه  وسلم.

এই সমস্ত ফেরেশ্তারা ঐ সমস্ত লোক যারা আল্লাহ পাক-এর হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে মীলাদ শরীফ অর্থাৎ ছলাত-সালাম পাঠ করবে এই ব্যবস্থা নিবে তাদের সকলের জন্যই উনারা মাগফিরাত কামনা করতে থাকেন, তাদের জন্য ছলাত পাঠ করতে থাকেন। যেন তাদের প্রতি রহমত বরকত নাযিল হয় সেই দুয়া, সেই আরজু আল্লাহ পাক-এর কাছে পেশ করতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ।

এটা সোজা কথা নয়। আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা, তাতে শরীক থাকা। হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর ক্বওল শরীফ, হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর ক্বওল শরীফ-এর মাধ্যমে ছাবিত বা প্রমাণিত হলো এর ফাজায়িল-ফজিলত, বুজুর্গী ও সম্মান। যারা এই সমস্ত মীলাদ মাহফিল বা বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে যে মজলিস করা হয়ে থাকে সেই মজলিস সমষ্টিগতভাবে করা উচিত এবং তাতে সাধ্য সামর্থ থাকলে কিছু তাবারুকের ব্যবস্থা করা উচিত এবং এই উপলক্ষে বিশেষভাবে খুশি প্রকাশ করা উচিত। যাদের সাধ্য-সামর্থ্য রয়েছে তারা নতুন কাপড়-চোপড় পরে খুশি প্রকাশ করবে। কাজেই তাদের সকলের জন্যই আল্লাহ পাক-এর তরফ থেকে যেমন রহমত, বরকত নাযিল হবে। ফেরেশ্তারাও তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করবেন। সুবহানাল্লাহ। যারা আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর বিলাদত শরীফ এবং মীলাদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করবে তাদের জন্য এই মর্যাদা এই মর্তবা এই ফযীলত ঘোষণা করা হয়েছে। এটা শুধু নির্দিষ্ট বাড়ির জন্য নয়, নির্দিষ্ট মসজিদের জন্যও নয়, মহল্লার জন্য নয়। অর্থাৎ যে এলাকাবাসী করবে সে এলাকাবাসীরাই সেই ফযীলতটা লাভ করবে, সেই রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করবে। আল্লাহ পাক-এর রহমত সেখানে বর্ষিত হবে, ফেরেশ্তারা তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করবেন। সেই ব্যক্তিরা আল্লাহ পাক-এর রহমতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে, সন্তুষ্টির অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে সেটাও বলা হয়েছে। যারা এগুলো করবে স্বয়ং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তাদেরকে আল্লাহ পাক-এর রহমতের আওতায় নিয়ে আসবেন, সন্তুষ্টির আওতায় তাদেরকে নিয়ে যাবেন। সুবহানাল্লাহ।

এত ফযীলত বলা হয়েছে। তাহলে যেটার ফযীলত আল্লাহ পাক বর্ণনা করেছেন, আলোচনা করেছেন, মজলিস করেছেন আল্লাহ পাক-এর হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলোচনা করেছেন, মজলিস করেছেন। করার জন্য বলেছেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ সেটা করেছেন, আলোচনা করেছেন, মজলিস করেছেন করার জন্য বলেছেন। ইমাম মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ নিজেরাও করেছেন, করার জন্য বলেছেন, তাকীদ করেছেন, উৎসাহিত করেছেন। তাহলে সেই মজলিসগুলোকে কি করে বলা যেতে পারে যে, এটা খ্রিস্টানী কালচার। একথাটাতো কাট্টা কুফরী, গোমরাহী। যারা এটা বলবে, বিশ্বাস করবে তারা কাট্টা কাফির হয়ে যাবে, চির জাহান্নামী তারা হয়ে যাবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সামান্যতম যদি কেউ ইহানত করে কস্মিনকালেও সে ঈমানদার থাকতে পারবে না। সব অবস্থায়ই আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর ইজ্জত-সম্মান যা রয়েছে সেটা যথাযথভাবে করতে হবে, উনার তা’যীম-তাকরীমের বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হবে, তাহলে তার পক্ষেই ঈমানদার থাকা সম্ভব। অন্যথায় সে লক্ষ কোটি ইবাদত-বন্দেগীও যদি করে, আর তা’যীম-তাকরীম যথাযথ না করে তাহলে কিন্তু সে কস্মিনকালেও ঈমানদার থাকতে পারবে না।

যেমন আমরা মিছাল স্বরূপ দেখতে পাই, লক্ষ কোটি মিছাল রয়েছে। একটি মিছাল হচ্ছে ইবলীস। যে ইবলীস ছয় লক্ষ বৎসর ইবাদত-বন্দেগী করেছে। লক্ষ লক্ষ বৎসর সে ফেরেশ্তাদের তা’লীম দিয়েছে সে ফেরেশ্তাদের মুয়াল্লিম ছিল ওস্তাদ ছিল, এটা সোজা কথা নয়। আরশ, কুরসী, লওহো, কলম, বেহেশ্ত, দোযখ, আসমান, যমীন সব সে দেখেছে। আল্লাহ পাক তাকে সব কিছু দেখিয়েছেন। এই ইবলীসকে আল্লাহ পাক অনেক সম্মান দিয়েছিলেন। অথচ ইবলীসের যারা সঙ্গী সাথী ছিলো তাদেরকে ফেরেশ্তারা মেরে কেটে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে দিয়েছেন।

যেটা তাফসীরে বর্ণিত রয়েছে যে, আল্লাহ পাক যখন জিন জাতির উপর অসন্তুষ্ট হয়ে গেলেন তখন ফেরেশ্তাদের বললেন, হে ফেরেশ্তারা! তোমরা একটা কাজ করো যমীনে যাও, সেখানে যেয়ে এই জিন সম্প্রদায় যারা নাফরমানী করতেছে, কুফরী শিরকী করতেছে এদেরকে যাকে যেখানে পাবে সেখানে তাদেরকে হত্যা করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে দাও। সত্যিই ফেরেশ্তারা যমীনে আসলেন, এসে জিন সম্প্রদায়ের মধ্যে যাকে যেখানে পেলেন সকলকে হত্যা করে, মেরে, কেটে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে দিলেন, তাদের নাফরমানীর করণে। কিছু জিন পালিয়ে গেলো, ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গলে লুকিয়ে গেলো। যারা পালিয়ে গেলো, যারা লুকিয়ে গেলো তাদের সম্পর্কে ফেরেশ্তারা জিজ্ঞাসা করলেন, হে বারে ইলাহী! এখন তো আমরা যেসমস্ত জিনদের পেয়েছি সেগুলোকে হত্যা করেছি। আর যেগুলো জিন পালিয়েছে, ঝোপে-ঝাড়ে, জঙ্গলে এবং পানির তলে লুকিয়েছে তাদের ফায়সালা কি হবে? (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২৫)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩০

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩১

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩২

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৩