ওই আশূরা মিনাল মুহররমে রহে বহুধা মুকাররম,
ইলাহী উনার রহে উপহার, নছীহতে অনুপম।
শুরু হতে আজও জারির জোশটি, দিগন্ত ভেদ করে,
ক্বায়িনাত জুড়ে রয় থরে থরে চমকিত মণিহারে।
অসংখ্য শোকরে রইছে বিভোরে, অনুগত নেকবখত,
রহমানি রহমতে জনম জনমে হৃদে গ্রহে বরকত।
বেশুমার সব গুজারে আজব সৃষ্টির ধাপে ধাপে,
তিনি খ্বালিক মালিক প্রকাশেন অধিক অবশ্যই পরিমাপে।
তাই আশুরার মাঝে মহরা যে খোজে মুসলিম ইসলামে,
রহে জীবনের প্রতি জজবাহী জামে নবায়নী পয়গামে।
ওই অনর্থক রহে স্বার্থক আজ বিরাজে ফলগু জোশে,
ওই ইলাহী ছায়ায় মাখলুক্বি মায়া গর্জিছে নওহুশে।
আজ নিয়ামত রহে অবগত দ্বিপ্তীর শৃঙ্খলে,
আজ হাজিরান সব আশিকান সমঝদারের পালে।
প্রতিক্ষণ সবে মূল্যায়ন ভাবে ভুলে যায় অচেতন,
সংকোচ দ্বিধা দিচ্ছে গো বাঁধা নন্দিত নিবেদন।
তবু কেন সর্বহারা সৃষ্টির সেরা ভুবনে মুসলমান
হায় মুহলিকাতের মরণ ছোবলে কেন কুল হয়রান।
আহা মুসলিমি সৌর্য কেন যে, গর্তে পরেই কাঁদে,
কেন বিলাসী ঘুমে, রহে বেমালুমে ক্ষুব্ধ ঝরের ফাঁদে।
হরবেলা ওই কারবালা আজও মুমিনকে হুশ দিতে,
বজ্রের ন্যায় হেয়তা গুড়ায়ে আনতেছে দ্বিপ্তীতে।
ওই দ্বন্দ্ব কলহ যাতনা-বিরহ জীবন্ত দগ্ধিছে,
তাই ন্যায্য নেওয়াজ সাজাতে সমাজ থাকবে না আর পিছে।
ওই পৃৃথিবীর সব আজগুবি আইন বিরানে রাখতে মুসলমান,
রই ইস্তিক্বামত ঐক্য কাতারে ভুলে যেয়ে ব্যবধান।
ইনশাআল্লাহ পারে না তাগুত মুসলিম সনে কোন বারে,
ছলচাতুরীর শীরকে চুড়ায়ে সহজে পেঁৗছি বিজয় পাড়ে।
ওই বন্দুকী নলে দেখি জান্নাত আমরা মুসলিমীন,
ওই খোদাদ্রোহীরা দেখছে সেথায় ধ্বংসটা সমিচীন।
ওই শহীদ গাজির সামিয়ানা তরে পাচ্ছি ইতমিনান,
ওই এই আশ্বাসে রাখি বিশ্বাস জিহাদেই অবদান।
মোরা মুসলিম সুন্নাহ নীতিরে অগ্রে রাখছি আপোষহীন,
মোরা রব ও রসূলী তারতীব নিয়ে করতেছি আমিরীন।
রই খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ কায়িম করতে জাগ্রত,
রই কুরআন সুন্নাহ কানুন কায়িমে হরদম অবগত।
মুসলিম মোরা নহি মুনাফিক আরব আজম কোনখানে,
যদিও ছূরতান রহি ব্যবধান ইহা কৌশল অভিজানে।
ওই ইহুদী নাছারা নাস্তিক আর মুশরিক কোনক্ষণ,
মুসলিমী বন্ধু কভুনা সমঝি মূলে তারা দুশমন।
ওই পাক হাবীবী ইশকে কেবল বিজয় যে বাস্তব,
উহা হীন মোরা রহিছি বিলীন ইয়াক্বীনে রাখছি সব।
রহি নববী নকশা মুসলিম সবে শুনে রাখ বেঈমান,
মোরা বিশ্ব অধিপতি মুসলিম জাতি রসূলী রহমে জ্যোতিষ্মান।
রে জিন ইনসান শুনরে আযান বিশ্ববাসীরা সবে,
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই শান্তি দিচ্ছে ভবে।
হচ্ছে অনন্তকাল দায়িমী পালন ভুবনের প্রতি গায়,
করলেন জারি ইমামুল উমাম আলমে তামাম ইহসানী ইশারায়।
তিনি বাতিলের জম খোদায়ী রহম খলীফায়ে মুসলিমীন,
ওই তিনিই কেবল, রাখেন বিকল, তাগুতের তালক্বীন।
কেবল তাগুতী পতন উনার ফায়িজে জোরালো যে দায়িমান,
তিনি আহলে বাইতি শাহী জ্যোতি নেইরে সন্দিহান।
তিনি রাখছেন শামিল, বিশেষ মাহফিল নব্বই দিন ব্যাপী,
তিনি তাগুতী তাবা করে দিতে বিশ্ব রাখেন কাঁপি।
তিনি আযীমুশ শান শাহী রৌনকে বিলকুল সমারোহে,
রাখেন রাজধানী ঢাকা দেশ ও বিদেশ পুলকিত অবগাহে।
আজকে তামাম মুসলিমী ক্বওম উনার তা’লীম নিয়ে,
হাজির সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফে মকবুল নির্ভয়ে।
আজ নবজাগরণ হয় উদয়ন দেখরে তাগুত বাদী,
মুসলিমী জয় দেখেই তাগুত বুক চাপরাচ্ছে কাঁদি।
রে ইহুদী নাছারা মুশরিকসহ নাস্তিক বৌদ্ধরা,
হলি মুসলিমদের লিল্লাহিয়াতে, তোরা যে হতচ্ছারা।
আজ যামানার ইমাম ফায়িযে খুলাফায়ে রাশেদার,
মোরা পুরোটা পর্ব পাচ্ছি মু’মিন, আমিনীতে অধিকার।
দেখ চেয়ে, ওই তাগুত পুজারী ইজরাঈল আমেরিকা,
ইরান একাই তুলো ধুনো করে, বানায়ে তাদেরে বোকা।
শুন, মুসলিম হলো খোদায়ী খলীফা সৈনিকে হাবীবী,
খোদ মুসতাজাবুদ দাওয়াতী দোয়ায়, দেখছি বিজয়ী রবি।
ওই ছাহিবে রহমত, সুলত্বানুন নাছীর ইহসানে ছদাক্বাত,
মোরা মুসলিম রইছি ক্বায়িম পেয়ে উনারই ফিরাসাত।
প্রতি মুসলিম উনারী নূরেই হক্ব রাহে মঞ্জুর,
তিনি আল্লাহ পাক উনার নির্ভীক বীর, আপোষহীন দস্তুর।
-বিশ্বকবি মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৮
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৭
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (২) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে