গুঁতো খেয়ে কুজো হয়ে ক্ষমা চাইতে গিয়েও নিলেন স্বভাবসূলভ প্রতারণার আশ্রয় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আমীর দাবী করলেও  কর্মী হওয়ার যোগ্যতাও কি, তিনি রাখেন?

সংখ্যা: ১০৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

            চারপায়া এক ধরণের জীব রয়েছে, যারা কোন ঘরে থাকলে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেনা বলে হাদীস শরীফে ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ কিনা এই শ্রেণীর জীব অস্পৃশ্য বলেই বিবৃত। তার পেছনে অনেক কারণের মধ্যে এদের হীন প্রবণতা উল্লেখ্য।

ভাগাড়ে বা আস্তাকুঁড়ে গিয়ে এরা নাপাক খাদ্য তালাশ করে। কিন্তু স্বজাতির অন্য কেউ হাজির হলে তখন ঘেউ ঘেউ করে উঠে। এরপর যখন দেখে প্রতিপক্ষ দুর্বল নয় অথবা সংখ্যায় বেশী থাকলে মনুষ্য আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য নিজেদেরই সুবিধা তখন আলাদা আলাদাভাবে ঘেউ ঘেউ বন্ধ করে একসাথে খাবার ভাগাভাগি করে। কিন্তু বন্টন পছন্দ না হলে অথবা নিজে বেশী পাওয়ার আশায় আবার ঘেউ ঘেউ শুরু করে। এই হচ্ছে এদের হীন প্রবণতার পরিচয়। এই শ্রেণীর চারপায়া জীবের এই প্রবণতার পাশাপাশি একই ধরণের হীন মানসিকতা মনুষ্য নামধারী তথা আলিম নামধারীদের মাঝেও বিদ্যমান বলে ফক্বীহ, দরবেশ, মশহুর আউলিয়া-ই-কিরামগণ মন্তব্য করেছেন। হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গায্যালী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, “এই ধরণের উলামায়ে ‘ছূ’দের দোষত্রুটি উল্লেখ করা ষাট বছর বেরিয়া নফল ইবাদতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।” হাদীস শরীফের ভাষায় এদের দাজ্জালে কায্যাব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  দেয় উদহারণের চারপায়া জীবের হীন প্রবণতার মত- প্রতারণা, মিথ্যা, বেকায়দায় পড়লে নমনীয়তা, আবার সুযোগ পেলে মাথাচাড়া দিয় উঠা, স্বার্থের জন্য মিত্রতা করা, স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে বা অপেক্ষাকৃত বড় স্বার্থের জন্য নতুন মিত্র গড়তে ত্বরিৎকর্মা প্রকাশ করা এদের হীন মানসিকতারই প্রকাশ চিত্র। এদের সুবিধে এখানে যে এরা ইসলামের লেবাস পড়ে আছে। এদেশের মানুষ ইসলামকে ভয় পায়। তাই তারা এদেরকে সরাসরি কিছু বলেনা। কিন্তু অন্তরে তাদের প্রকৃতি ঠিকই মালুম করে। এদের হীন স্বার্থপ্রণোদিত, হীন মানসিকতা সম্পৃক্ত স্ববিরোধী ও প্রতারণাপূর্ণ কার্যকলাপই তথা বক্তব্যই সাধারণ মানুষের অন্তরে ঘা দেয়।   নারী নেতৃত্ব নাজায়িয এটা মুসলমান মাত্রেই জানে। আলিম নামধারীদের অন্তরও তা জানে কিন্তু নফ্স মানেনা। এ ধরণের নফ্সের পূজারী আলিম নামধারীদের সমালোচনাই আল বাইয়্যিনাতে করা হয়। কিন্তু তারা বলে আল বাইয়্যিনাতে শুধু আলিমদের সমালোচনা করা হয়। এ বক্তব্যধারীদের মধ্যে তথাকথিত ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ওয়ালারাও রয়েছে। কিন্তু এদেরই মুখপাত্র তথা পীর সাহেব গত ১৭-৫-০২ ঈঃ তারিখে খুলনায় বললেন, “গত নির্বাচনে আলিমরা আমার বিরুদ্ধে ছিল। কারণ পর্দাকে আমি অমান্য করতে পারিনি। পারিনি নারী নেতৃত্ব মেনে নিতে। যারা ইসলাম মানে না তাদের সাথে আপোষ করিনি। এটাই ছিল আমার অপরাধ।”

বিষয়টা আশ্চর্য হলেও সত্য নয় বরং সত্য হলেও আশ্চর্য নয়। কারণ সত্য সত্যই। আর সত্য, সত্য বিরোধীদেরও জানা থাকে। যেমন মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর ঘোর বিরোধী তথা কথিত ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের পীর ছাহেবের মুখ থেকেও বের হল, আলিমরা তার বিরুদ্ধে ছিল। বলাবাহুল্য এরা সবাই তার সমগোত্রীয়। এরা এক সাথে আল বাইয়্যিনাত-এর বিরোধীতা করে থাকে।

সুতরাং এসব আলিম নামধারীদের বিরোধীতা যে অন্যায়ভাবে হয় তা তাদেরই কাতারের লোক থেকে প্রকাশ পেলো। আর আল বাইয়্যিনাত শুধু  নারী নেতৃত্বই নয় বরং কুরআন-সুন্নাহ বিরেধী সকল কাজ যথা- ছবি তোলা, কমুনিষ্ট কর্মসূচী- লংমার্চ করা, গান্ধী কর্মসূচী- হরতাল করা, ইহুদী-নাছারার কর্মসূচী- দলীয় নির্বাচন, গণতন্ত্র, ব্লাসফেমী, মৌলবাদ ইত্যাদি সব অনৈসলামিক কর্মসূচীর বিরুদ্ধে বলে থাকে। যার কারণে উল্লিখিত হারাম কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকার ফলে তথাকথিত ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মুখপত্রের বিরুদ্ধেও আল বাইয়্যিনাত বলে।

তার পাশাপাশি প্রশ্ন হচ্ছে- অন্যান্য আলিমদের সাথে চরমোনাইর পীর সাহেবের এই বিরোধীতা তথা তার কথিত নারী নেতৃত্বের বিরোধীতা সত্যিই কি ইসলামের কারণে? নাকি এটাও ইসলামের নামে তার রাজনৈতিক ষ্টন্টবাজি। মূলতঃ নারী নেতৃত্ব হারাম এ কথাটা তিনি রাজনৈতিকভাবেই ব্যবহার করেছিলেন এবং তদপ্রেক্ষিতে ফায়দাও প্রাপ্ত হয়েছিলেন। অভিজ্ঞমহল জানেন যে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল থেকে বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করার জন্যই নারী নেতৃত্ব হারাম একথা প্রচারের জন্য তাকে অঢেল অর্থের বিনিময়ে তুষ্ট করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে ঢাকার মুক্তাঙ্গণে এক জনসভায় তিনি ব্যক্ত করেছিলেন যে, “বর্তমান সরকার এবং সরকার প্রধানের উচিত আমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা। কারণ বিগত নির্বাচনে যদি আমি এরশাদকে আমার সাথে না রাখতাম তাহলে এরশাদ বর্তমান বিরোধীদলের সাথে যোগ দিত। তাতে করে বর্তমান ক্ষমতাসীন নেত্রীর জয় এত সহজে হতনা। বস্তুতঃ এটি তার ডবল ষ্টান্টবাজি। আর এর দ্বারা এই প্রতিভাত হয় যে, বর্তমান ক্ষমতাসীন মহিলা নেতৃত্ব তিনি সমর্থন করছেন এবং মূলতঃ তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন নেত্রীর পক্ষেই বিগত নির্বাচনে কাজ করেছেন, কৌশলের দ্বারা তার বিজয়কে সহজ ও সুনিশ্চিত করেছেন। মূলতঃ এ বক্তব্য তার অন্তরের নিফাকী প্রকাশ করলেও আসলে তিনি ডবল চতুরতার আশ্রয় নিয়েছেন। গত নির্বাচনে তিনি ঠিকই বর্তমান ক্ষমতাসীনদের বিরোধীতার হালুয়া-রুটির ভাগ নিয়েছেন এবং বর্তমানে বেকায়দায় পড়ে যাওয়ায় এখন বোল পাল্টে বর্তমান নারী নেতৃত্বকে সমর্থন করে তার গুণগান রচনা করে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নতুনভাবে তার থেকেও হালুয়া-রুটি অর্জনের কামলা খেটে যাচ্ছেন। গত ১৭ মে তিনি খুলনায় বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী চার দলীয় জোট সরকার বর্তমানে ক্ষমতায়।” (দৈনিক ইনকিলাব পৃঃ ৩, তারিখ ১৮ই মে)

এদিকে তিনি চারদলীয় জোটের কথিত ইসলামিক দলগুলোকে প্রায়ই অনৈসলামিক দল এবং জামাত কোন ইসলামী দলই নয় ইত্যাকার মন্তব্য প্রায় করে থাকেন। কিন্তু গত ১৮ই মের পত্র-পত্রিকা থেকে জানা যায় প্রায় গত ৬/৭ মাস ধরে জামাত, ঐক্যজোট ইত্যাদি নেতৃবৃন্দের সাথে চরমোনাই গং অনুরোধ, জানিয়ে আসছেন কি করে হুইপ সরোয়ার সাহেবের কাছে থেকে ক্ষমা চাওয়া যায়। অর্থাৎ অন্যখানে জামাত ও ঐক্যজোটের বিরোধীতা করলেও বরিশালে ঠিকই তিনি  তাদের হাতে পায়ে ধরলেন। পাশাপাশি গত ১ অক্টোবরের নির্বাচনে কারচুপি করার প্রেক্ষিতে তা রুখতে গেলে তার ছেলের নেতৃত্বে তার ক্যাডার বাহিনী মারাত্বক অস্ত্রসহ হামলা চালায় বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের হুইপ সরোয়ার ও তার লোকজনের উপর, তাদের রক্তাক্ত করে এমনকি পুলিশের অস্ত্র পর্যন্ত লুট করে।

ইসলামের নামে এধরণের ডাকাতি ও লুটেরা কার্যকলাপে তাদের পটুতা সত্যিই মানুষকে বিস্মিত করে। এতদ্বপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ায় বরিশালে তাকে অবাঞ্ছিত করা হয় এবং উক্ত তথাকথিত জিহাদী পীরের তখন চলাফেরা কষ্টকর হয়ে যায়। বেচারার তখন গুঁতো খেয়ে কুজো হওয়ার মত অবস্থা। কিন্তু প্রফেশনাল ধান্ধাবাজরা সব কিছুই ম্যানেজ করতে জানে ও পারে। সুতরাং সুযোগ বুঝে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে বললেও বরিশালে তিনি তাদের কাছেই নতজানু হলেন। অবশিষ্ট জীবনের হালুয়া-রুটির নিশ্চয়তায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন। কিন্তু ক্ষমা চেয়েও নিলেন প্রতারণার আশ্রয়। “ক্ষমার জন্য প্যান্ডেল করা অনুষ্ঠানে, যেখানে আহতরা একের পর এক স্বীয় আহত হওয়ার চাক্ষুষ ঘটনা ব্যক্ত করেছেন, যেখানে তার ছেলে এবং ক্যাডার বাহিনীই এই হামলার হোতা বলে হাজার হাজার সাক্ষী প্রমাণ মওজুদ, সব পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেই খবর, সেখানে সে সব কিছুকে বেমালুম অস্বীকার করে বললেন, “আমার ছেলে বা আমার অনুসারীরা এ ঘটনার সাথে জড়িত আছে কিনা জানিনা। দায়ী কিনা তা জানিনা, তারপরও যেহেতু ঘটনাটি আমার এলাকায় ঘটেছে তার পুরো দায়দায়িত্ব আমার কাধে তুলে নিয়ে আমি সবার সামনে ক্ষমা চাচ্ছি।”

পাঠক! তার এ বক্তব্যের দ্বারা স্পষ্ট দিনের আলোকেও অস্বীকার করার চেয়েও বিষয়টি ঘোলাটে হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এর দ্বারা বাকী সবই মিথ্যা প্রমাণিত হয়। যা কিনা চুরির উপর জোচ্চুরি। পাশাপাশি যিনি ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আমীর দাবী করেন, যারা দেশে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন বলে প্রচার করেন; সেক্ষেত্রে নিজের এত অক্ষমতা, এত অজ্ঞতা, এত নাদানি কিভাবে প্রকাশ করেন, নিজের বাড়ীতে সংঘটিত ঘটনা, নিজের ছেলেও ক্যাডার বাহিনী অভিযুক্ত হওয়ার সম্পৃক্ত ঘটনা সম্পর্কে দীর্ঘ ৬/৭ মাস পরও যিনি জানেন না বলে অজ্ঞতা প্রকাশ করেন এ ধরণের অপদার্থ, অজ্ঞ, বেখবর লোক ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আমীর তো দূরের কথা বরং কর্মী হওয়ারও যোগ্যতা রাখেনা।   মূলতঃ তারা তো ইসলামী শাসনতন্ত্র চায়না, চায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নামে ব্যবসা, হালুয়া-রুটির ভাগ। তাই তাদের কিছুতে আটকায়না। তাই এই তথাকথিত শাসনতন্ত্র আন্দোলনকারীসহ অপরাপর নামধারী ইসলামী দলগুলোকেও আমরা দেখি কখনও পরস্পর কাদা ছোড়াছুড়ি করতে আবার কখনও মিলতে, আবার উচ্চ-বাচ্চ করতে, আবার নীরব থাকতে। এমনকি বর্তমান জোটভূক্ত নামধারী ইসলামী দলের এক শাইখুল হাদীস আর এক মুফতি এখন পরস্পরের মুখ দেখাদেখি বন্ধ করেছেন। এদের মধ্যে ৩৩ বছরের ইসলামী পত্রিকার সম্পাদকও রয়েছেন। তাদের সবারই বিরোধ হল মন্ত্রী এমপি হওয়া নিয়ে। এমনকি এক্ষেত্রে এখন একজন অপরজনকে অনৈসলামী বলে স্ব স্ব ইসলামী এক্যজোট গড়ে তুলছেন।

পাঠক! এই লেখার প্রথমে চারপায়া এক শ্রেণীর জীবের উদাহরণ দেয়া হয়েছিল, যারা নাপাক খাবার যোগাতে পরস্পর ঘেউ ঘেউ করে আবার একসাথে খায় আবার ফের কামড়া-কামড়ি করে তা বলা হয়েছিল। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট উলামায়ে ‘ছূ’দের ক্ষেত্রে আমরা দেখি একই প্রবণতা। পবিত্র কুরআন শরীফে তাই এদের চারপায়ারও অধম তথা বালহুম আদল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ্ পাক এদের  হাত হতে উম্মাহকে রক্ষা করুন। (আমীন)

-মুহম্মদ ওয়ালীর্উ রহমান, ঢাকা।

আজওয়াদুন্ নাছ, খিয়ারুল উম্মাত, খাইরুল বারিয়াহ্, আত্কান্ নাছ, মাখযানুল মারিফাত, মাহ্তাবে শরীয়ত, মাহবুবে সুবহানী, পীরানে পীর, দস্তগীর, কুতুবুল আকতাব, সিরাজুল মিল্লাত, মাহবুবে ইলাহী, খাইরুল বাশার, ছহেবে আসরার, আশিকে সাইয়্যিদুল আম্বিয়া, শামসুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মুজতাজাবুদ্ দাওয়াত, তাজুল উদাবা, বদরুল ফুযালা, সাইয়্যিদুল মুজাহিদীন, ইমামু আহ্লিস্ সুন্নাত, মুজাদ্দিদে আযম, শাইখুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল মুনাযিরীন, সুলতানুল ওয়াজেীন, ফসীহুল লিসান, বালীগুল বয়ান, গণীমতে কুবরা, ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ্, রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর  নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ

শুধু আজকের প্রেক্ষাপটে নয়, অতীত ইতিহাস হতেই ইহুদী-খ্রীষ্টানরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু মুসলিম সন্ত্রাসবাদ নয়, মার্কিন হামলার পিছনে কি ইহুদী-খ্রীষ্টানরাই দায়ী নয় -৮

প্রসঙ্গঃ গণতন্ত্র; এখনই চরম সময়, বিষয়টি ভাবিবার- ৪ ইসলামী দাবীদার এম,পি’র কেলেঙ্কারী ॥ পুনশ্চঃ মন্তব্য নিস্প্রয়োজন   

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন? ইমামদের প্রতি মার্কিন মহিলা রাষ্ট্রদূত মেরী এ্যান পিটার্সের নছীহত ও প্রসঙ্গঃ কথা

একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স, আ, ত, ম  আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে