ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (২২)

সংখ্যা: ৩০৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মু’মিন আর ফাসিক সমান নয়

(পূর্বে প্রকাশিতের পর)

শয়তান ধোঁকা দিয়ে হক্ক পথ থেকে ফিরিয়ে রাখবে; এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শয়তানের ধোঁকায় যারা পড়বে তাদের যিন্দেগী বরবাদ হয়ে যাবে। মূলত শয়তান ক্বলবে বসে ওয়াসওয়াসা দেয় বিধায় মানুষ গুনাহর কাজে লিপ্ত হয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা নাস শরীফ উনার ৫নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

اَلَّذِيْ يُـوَسْوِسُ فِي صُدُوْرِ النَّاسِ

সে (শয়তান) মানুষের অন্তরে ওয়াসওয়াসা দেয়। চির বিতাড়িত ও অভিশপ্ত শয়তান মানুষকে ওয়াসওয়াসা দিয়ে কুফরী কাজ করায়। তাই শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে ক্বলবী যিকির করতে হবে। মানুষের শরীরে সোয়া লক্ষ লতিফা রয়েছে, যেগুলোকে ১০টি লতিফা নিয়ন্ত্রণ করে। কাজেই, এই ১০টি লতিফাতে যিকির জারি করলে সোয়া লক্ষ লতিফায় যিকির জারি হয়ে যাবে। আবার এই ১০ লতিফাকে নিয়ন্ত্রণ করে ক্বলব লতিফা। তাই ক্বলব লতিফাতে যিকির জারি করলে অন্য ৯টি লতিফাতেও যিকির জারি করা সম্ভব হবে।

যিকির কিভাবে জারি করতে হবে এ বিষয়ে জানার জন্য যিনি যিকিরকারী ওলীআল্লাহ উনার কাছে যেতে হবে। উনার কথাই মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ২৮নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

وَاصْبِرْ نَـفْسَكَ مَعَ الَّذِيْنَ يَدْعُوْنَ رَبَّـهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيْدُوْنَ وَجْهَهٗ وَلَا تَـعْدُ عَيْـنَاكَ عَنْـهُمْ تُرِيْدُ زِيْـنَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْـيَا وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَـلْبَهٗ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّـبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهٗ فُـرُطًا

আপনি নিজের জন্য ঐ সমস্ত লোকগণের ছোহবতকে আবশ্যক করে নিন, অর্থাৎ আপনি উম্মতদের বলে দিন, তারা যেন ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের ছোহবত মুবারককে লাযিম করে নেয়, যারা সকাল-সন্ধ্যা দায়েমীভাবে উনাদের রব তায়ালা উনার সন্তুষ্টি হাছিলের লক্ষ্যে উনাকে ডাকেন বা যিকির করেন। দুনিয়াবী সৌন্দর্যের মোহে মোহগ্রস্থ হয়ে উম্মতরা যেন উনাদের থেকে দৃষ্টিকে ফিরিয়ে না নেয়। তাহলে তারা ঐ ব্যক্তির অনুসরণ করবে, যার অন্তর মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল এবং সে নফসের অনুসরণ করে। যার কারণে তার আমলগুলো সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ।

যিকিরকারী ওলীআল্লাহগণ উনাদের নির্দেশ মুতাবেক যিকির করতে হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত এমন কিছু নেই যা মহান আল্লাহ পাক উনার আযাব থেকে নাজাত দিতে পারে। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার পথে জিহাদ করাও কি নয়? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তরবারী দ্বারা আঘাত করাও না, যে পর্যন্ত না তা ভেঙ্গে যায়। অর্থাৎ যে ব্যক্তি জিহাদ থেকে গাজী হয়ে ফিরে আসবে সে ব্যক্তিও যিকিরকারী থেকে অধিক ফযীলত লাভ করতে পারবে না। যিকিরকারী মহান আল্লাহ পাক উনার আযাব থেকে রক্ষা পাবে এবং সমস্ত কুমন্ত্রণা-কুস্বভাব থেকে রক্ষা পাবে। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে শয়তানের ধোঁকা-প্রতারণা থেকে রক্ষা করে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ফিকিরে মশগুল থাকার তাওফীক্ব দান করেন। (আমীন)

ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (২১)

ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (২০)

ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (১৯)

ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (১৮)

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত শরীফ (১৭) হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাই সত্যের মাপকাঠি