আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক উনার পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১২৭

সংখ্যা: ২৩৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল্লামা মুফতী মুহম্মদ কাওছার আহমদ

নবজাতক শিশুর তা’যীন সুন্নত:

হযরত আবু রাফে রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। উনার পিতা বলেন,

رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم اذن فى اذنى )حضرت( الحسن بن )حضرت( على عليهما السلام حين ولدته )حضرت( فاطمة عليها السلام بالصلاة.

অর্থ: “আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি। তিনি (ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার কান মুবারকে নামাযের আযানের ন্যায় আযান দিলেন। যখন তিনি হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার রেহেম শরীফ থেকে তাশরীফ আনলেন। (আবু দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, তবারানী শরীফ, বায়হাক্বী শরীফ)

নবজাতক শিশুর তাহনীক করা সুন্নাত

تحنيك  (তাহনীক) শব্দের অর্থ: প্রশিক্ষণ দেয়া, অভিজ্ঞ করা। পারিভাষিক (ব্যবহারিক) অর্থ: খেজুর ভালভাবে চিবিয়ে নবজাতক শিশু-সন্তানের মুখে (তালুতে) দেয়াকে তাহনীক বলে। খেজুর না পেলে মধু দ্বারাও এ কাজ করা যায়। তা’যীন (ডান কানে আযান, বাম কানে ইকামত দোয়ার) পরপরই তাহনীক করতে হয়। অতঃপর মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে শুরু করতে পারে। পরহেযগার, মুত্তাক্বী, আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিত্বের দ্বারা তাহনীক করানো উচিত। এরূপ ব্যক্তিত্বের অবর্তমানে নিজের বাবা-মা উনারা করতে পারে। তবে কখনোই উলামায়ে ‘সূ’ তথা আলিম নামধারী বা পরিচিত ব্যক্তি যারা প্রকাশ্য নাজায়িয-হারাম কাজে সর্বদা লিপ্ত তাদের দ্বারা তাহনীক করানো উচিত না। কেননা এরা পৃথিবীতে সর্বনিকৃষ্ট প্রাণী। তাদের বদতা’ছীর বা প্রভাব- এ নিষ্পাপ শিশুর উপর ফেলানো কখনই উচিত হবে না।

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা মাওলানা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বিলুপ্ত এই সুন্নত মুবারক জিন্দা বা পুনঃপ্রচলন করেছেন। তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নায়িব বা প্রতিনিধি। তিনি শিশু-সন্তানদের তাহনীক করিয়ে দেন। আর যাঁরা সন্তানকে সরাসরি উনার খিদমত মুবারকে আনতে না পারেন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করে দেন। মধু নিয়ে আসলে তিনি তা থেকে একটু নিয়ে উনার মুখ মুবারকে দিয়ে দেন। সেখান থেকে কিছু অংশ মধুর মধ্যে দিয়ে দেন। আবার মধুর পাত্র থেকে আঙ্গুল মুবারক দিয়ে একটু মধু নিয়ে মুখ মুবারকে দেন। আবার সেখান থেকে কিছু অংশ নিয়ে মধুর পাত্রে রাখেন। এভাবে তিনবার করে থাকেন। পরে এই পাত্রের মধু দ্বারা পিতা-মাতা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ নবজাতক শিশুর তাহনীক করতে পারেন।

তাহনীক করা পবিত্র সুন্নত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শিশু-সন্তানগণের তাহনীক করিয়ে দিতেন। হযরত আবূ মুসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-

ولد لى غلام فاتيت به النبى صلى الله عليه وسلم فسماه حضرت ابراهيم فحنكه بتمرة ودعا له بالبركة ودفعه الى.

অর্থ: “আমার একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলেন। আমি উনাকে নিয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাজির হলাম। তিনি উনার নাম মুবারক রাখলেন হযরত ইবরাহীম। আর তাহনীক করলেন খেজুর দ্বারা এবং উনার জন্য বরকতের দুআ করলেন এবং উনাকে আমার কাছে অর্পন করলেন।” (মুসলিম শরীফ, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, মুসনাদে আহমদ, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা)

উম্মাহাতুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে ‘তাহনীক’ করার জন্য একটি শিশু-সন্তানকে আনা হলো। ঘটনাক্রমে সেই শিশু সন্তান উনার মুবারক কোলে ইস্তিঞ্জা করে দেন। আর তিনি পানি ঢেলে তা পবিত্র করলেন।” (বুখারী শরীফ)

মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাওলানা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক উনার পূর্বে ব্যবহৃত “মুহইস সুন্নাহ” লক্বব মুবারক বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১৯৮

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীবুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ, মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৪

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীববু নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ,মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৫

সাইয়্যিদুশ্ শাকিরীন, শাইখুল মুজাহিদীন, সুলত্বনুত্ ত্বহিরীন, ইমামুর রাশিদীন, মুর্শিদু উইলদে আদম, ইমামুস্ সুন্নাহ্, ছহিবে আসরার, যুবদাতুল আরিফীন, মাহ্বুবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, কাবিরুল আউলিয়া, ইমামুল আ’যম, বদরুদ্দীন, হাদীয়ে আকরাম, জারুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আবরার, সাইয়্যিদুনা, ইমাম – রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম  মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৬

রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭