পাঠক! আমি আল বাইয়্যিনাত-এর ৯৮তম সংখ্যায় রেযাখানী ফযলুর মিথ্যাচারিতায় পরিপূর্ণ খোলা চিঠির যে জবাব দিয়েছিলাম, তা চার মাস সময় নিয়েও রেযাখানী ফযলু খন্ডন করতে পারলনা, তাই সে নিজেই নিজের পরাজয়কে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে, তবে সোজা-সুজি নয় একটু ঘুরিয়ে “……. আমি সময়ের কাছে পরাস্ত ……” সত্যিই সে পরাস্ত তবে সময়ের কাছে নয় বরং আল বাইয়্যিনাত-এর ক্ষুরধার লিখনির কাছে। মূলতঃ সত্যের কাছে মিথ্যা পরাস্ত হবে এটাই তো স্বাভাবিক। মহান আল্লাহ্ পাকই তো বলেছেন, “……. সত্য এসেছে, মিথ্যা নিশ্চিহ্ন হয়েছে, মিথ্যা নিশ্চিহ্ন বা পরাস্ত হবেই হবে।” ফযলু তোতা পাখির ন্যয় এক বুলি কতদিন আওড়াবে? রেযাখানী ফযলু আল বাইয়্যিনাত-এর সত্য নিষ্ঠ ও দলীল ভিত্তিক বক্তব্যগুলো খন্ডন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয় এবং নতুন করে আল বাইয়্যিনাত-এর বিরুদ্ধে মিথ্যার নতুন জাল বিস্তারে সম্পূর্ণরূপে অক্ষম হয়ে তোতা পাখির ন্যায় সেই পুরনো বুলিই বারবার আওড়াচ্ছে। উদ্দেশ্য একটিই যেন গোলামী ঠিক থাকে আর ক্ষুব্ধ জনগোষ্ঠীর রোষ হতে আপততঃ নিস্তার পাওয়া যায়। কিন্তু কথা হলো, এরূপভাবে তোতা পাখির ন্যায় একই বুলি বারবার আর কত দিনই বা সে আওড়াবে? পাঠক! ফযলু জানুয়ারী/২০০২ ঈঃ সংখ্যায় যে বুলি আওড়িয়েছে, তার প্রতিটিরই জবাব আল বাইয়্যিনাত-এর পূর্ববর্তী সংখ্যা গুলোতে রয়েছে। ফযলুর উচিৎ ছিল পুরনো বুলি পুনরায় না আওড়িয়ে ৯৮তম সংখ্যার প্রদত্ত আমার বক্তব্যের খন্ডনমূলক জবাব দেয়া। আসলে সে জবাব দিবেই বা কি করে? সে যে আগা-গোড়া মিথ্যার উপরই দায়িম ও কায়িম। মিথ্যা দিয়ে কি সত্যকে খন্ডন করা যায়? যায়না। হ্যাঁ মিথ্যা দিয়ে আরো দশটি মিথ্যার কল্প কাহিনী রচনা করা যায় বটে। আর সে কাজটিই করে যাচ্ছে মিথ্যার জালে আবদ্ধ রেযাখানী ফযলু। তার গুরু রেযা খাঁ ও ভন্ড পীরে তরীক্বতের কুফরীসমূহকে ধামাচাঁপা দেয়ার লক্ষ্যে রচনা করে যাচ্ছে একের পর এক মিথ্যার কল্পকাহিনী! ফযলু যতই মিথ্যার কল্পকাহিনী রচনা করুক না কেন মাসিক আল বাইয়্যিনাত অতীতে যেরূপ তার মিথ্যাচারিতার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও সকল মিথ্যাচারিতার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্। আর তখন মিথ্যাবাদী ফযলু পালাবার রাস্তা পাবে কিনা তা ফযলুর ভাল করে ভেবে দেখা উচিৎ। এ সংখ্যায় এ পর্যন্তই; আগামী সংখ্যায় ফযলুর মিথ্যা চারিতার বিস্তারিত জবাবসহ হাযির হবো ইনশাআল্লাহ্।
-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইছহাক, বাসাবো, ঢাকা।