হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৮

সংখ্যা: ৩০৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মোরা বাংলাদেশী পঞ্চাশ কোটি মুসলিম সবে বলি,

ওরে প্রতারক ধূর্তবাজ, তোরা, শুনরে কর্ণ খুলি।

চাচ্ছিস দিতে মাতৃভূমি, কেন বিদেশির কোলে?

কেন যে তোরা পরদেশি হাতে স্বাধীনতা দেও তুলে।

আমরা সহজ সরলমনা, ইলাহী কানুন মেনে,

যিন্দেগী মোরা করছি গুজার, পরকাল কল্যানে।

মোরা ইনসাফে হালাল হারাম বেছেই সকলে চলি,

মোরা অন্তরে অনুক্ষণ চাহি, শান্তি নিয়মগুলি।

কহি ঠকাইনা মোরা  মুসলমান, সাম্যের  সীমানায়,

বরদাস্ত মোরা করিনা কখনো দ্বন্দ্বের হিংসায়।

মোরা অবুঝ দিলকে কাহিল বানায়ে করছি খালি,

দেখ, দোস্তের দারাজী দরজা রাখছি সদাই খুলি।

ওই মোদের শায়েখ শিক্ষা দিচ্ছেন সুন্নাহ দায়িমান,

তিনিই মোদের জানান হাক্বীক্বী সাচ্ছা মুসলমান।

তিনি ইসলামী বানান কর্মী ভীরুতার জং ফেলি,

করেন আহলে বাইতি বাহারি শানে মোদেরে শক্তিশালী।

শুনরে ধুর্ত মুনাফিক সব ইহুদী খৃষ্ট মুশরিকীন,

শুন নাস্তিক ভৌতিক বাদী তোরা গ্রহ দুর্দিন।

আমরা কভুনা পরছি ধোকায় তাগুতি রংগে ভুলি,

মোদের শায়েখ খোদ-ব-খোদ খলীফা রব রসূলী।

ওই আমরা যে রই রব্বানী রাহে রঞ্জন,

মোরা রসূলি রশ্নিতে রহি দায়িমীতে বন্ধন।

দেখরে তাকিয়ে তাগুতি বক্ষে লাগাচ্ছি কম্পন,

মোরা ফেলছি ছুড়েই ভীতু আর ক্রন্দন।

মোরা কেবল যে রই বাতিলী দন্ত গুড়াবার,

রই চেতন কেতনে মুসলিম মোরা হুশিয়ার।

ওই ডরহীন রই হরদম মোরা স্বচ্ছে অনির্বাণ,

রই লালায়িত মোরা শহীদ গাজীতে বর্ধন।

শুন মুনাফিক মোরা প্রতপ্ত, নাহকের প্রতিঘাত,

ওই অগ্নি বারুদে বনছি প্রলয়ে বজ্রের বিষ দাঁত।

কঠিন ছোবলে করছি মুক্ত ধরা হতে জ্বালিয়াত,

দেখ কুখ্যাত কাফিরের ছিড়ি ভেল্কির আবরণ।

উল্কা চাবুকে করতেছি তাবা তাগুতের হিতাহিত,

মোরা রেখে গিরি গহ্বরে নাশতেছি পরিমিত্।

রাখি মুনাফিক অগ্নিগিরির জিহ্বাতে অবিদিত,

ওই মোরা বিরানেই রাখি বেইমান খুব কর্তন।

ইলাহী রাহেই সুস্থ স্বাধীন শান্তিতে থাকবার,

মোরা রাখি অনন্ত জিয়ে কোশেশটা বেশুমার।

আলবাত মোরা খিলাফত কায়িমে সজাগ যে দূর্বার,

শুনরে মোরা মামদূহ হাবীবী  সৈনিকি প্রিয়তন।

ওই খিলাফত আজ রাখবো বিরাজ জাহানে জ্যোতিষ্মান,

রই ইবলীসি চাল, রাখতে বেহাল উত্তাল মুসলমান।

ওই জ্বালাতে তাগুত, রই মজবুত, উদিত ঈমানদার,

মোরা রইছি অধীন বজ্রে কঠিন দক্ষে দারাজক্ষণ।

ওই তাগুতী তিমির জ্বালাতে অধির কায়িনাতে আছি বীর,

কায়িমী কুমীর দিতে নাশ করে আমরা যে অস্থির।

ওই সুন্নিয়তেই রই ধরণিতে ধ্বংসিছি খিঞ্জির,

করি তাগুতী পোষ্য নিঃশ্ব রাখতে প্রদগ্ধে পরিজন।

রই রব্বি রাহিমী রহম দিয়েই জজবাতে রওশন,

রসূলি রব্বিতে রই রই আলোয়ান আমরা যে আমরণ।

রাখি সুন্নাহ ন্যায় ও নীতির প্রীতিতে শালিনেই আয়োজন,

মোরা রাখি সুমহান খিলাফতি শান অনন্ত অনুক্ষণ।

মোরা ছাহাবী সবুজে রই হর রোজে শক্তিতে উত্থান,

পারে না টলাতে মোদের বক্ষে নববী বিরাজমান।

রাখি শান মান সম্ভ্রম সহ মু’মিনী চমৎকার,

মোরা লাঞ্ছনা সব করে নিষ্প্রভ সত্যেই বিচরণ।

মোরা ভেদাভেদ ভুলে সাম্যের পালে জালাই অহঙ্কার,

মোরা শান্তি চেতন করেই মতন ঘুঁচাচ্ছি হাহাকার।

রেখে খিলাফত ধরাতে তাবত মোরা যে ভাগ্যবান,

আউওয়াল আখির আমরা আনবো সুন্নি সম্ভাষণ।

মোরা দ্বীপ্ত দৃশ্য রাখছি জীবিত হিম্মতি অবয়বে,

মোরা সত্য শালিন রাখছি মুঈন ফাতহুনী আসবাবে।

মোরা লিল্লাহিয়াতী অলংকারেই সজ্জিত শওকতে,

করি সুন্নতি শরবরি পিয়ে বলিয়ানে বিকিরণ।

(ইনশাআল্লাহ) বিজয়ী জুলুসে করবোই মোরা বিশ্ব প্রদক্ষিণ,

খিলাফত জারি রাখবোই মোরা তাগুত করে নিশ্চিন।

ধরণীর প্রতি ধাপে ধাপে রাখি ইসলামী আলোয়ান,

মোরা বাংলাদেশী মুসলিমী শান করবোই গর্জন।

আনবো ফিরায় ছাহাবী যুগের বিজয়ের হিল্লোল,

মোরা গুড়াবো যালীমি অক্টোপাসের পিচ্ছিলী ধূর্তল।

এই বাংলাদেশের শ্যামলী বক্ষে উড়াবো হক্ব নিশান,

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই পাচ্ছি রহমতি বর্ষণ।

-বিশ্বকবি মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৭

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (২) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (3) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে