ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৮০ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

সংখ্যা: ২৯৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

ইমাম আবূ ইউসূফ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

অছিয়ত মুবারক (৩)

অসিয়ত মুবারক (১৬) : আপনি কোন দোকানের সামনে কখনো বসবেন না।

অসিয়ত মুবারক (১৭) : সাধারণত হাটে-বাজারে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বসবেন না এবং পবিত্র মসজিদে ই’তিকাফের নিয়ত ছাড়া অবস্থান করবেন না।

অসিয়ত মুবারক (১৮):  যে সব স্থানে পানি পানের ব্যবস্থা আছে সেখান থেকে এবং যারা পানি পান করায় তাদের হাত থেকে পানি পান করবেন না। কারণ, ঐ সকল জায়গায় সবধরণের লোকজন আসা-যাওয়া করে। আর তাদের অধিকাংশই আহলে ইলিম বা আলিমগণের মর্যাদা-মর্তবা বুঝে না।

আর যারা পানি পান করায় তারাও একই গ্লাসে সবাইকে পানি দেয়। সেক্ষেত্রে আলিম ও গইরে আলিম উনাদের মাঝে কোনো পার্থক্য করে না।

অসিয়ত মুবারক (১৯):  দীবাজ (এক প্রকার রেশমী বস্ত্র), কোন অংলকার এবং রেশমী কাপড় পরিধান করবেন না। এগুলো পুরুষের জন্য যেমন জায়িয নেই তেমনি এগুলোর দ্বারা অহংকার, আহমিকার জন্ম নেয়।

অসিয়ত মুবারক (২০):  শয়ন কক্ষে শায়িত অবস্থায় আহলিয়ার সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলবেন না। তবে প্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলতে কোন দোষ নেই।

অসিয়ত মুবারক (২১):  আহলিয়া বা স্ত্রীকে অপ্রয়োজনে স্পর্শ বা নিরিবিলি অবস্থান করবেন না।

অসিয়ত মুবারক (২২):  মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলের জন্যই স্বীয় আহলিয়ার নিকটবর্তী হবেন। জনৈক বুযুর্গ ব্যক্তি তিনি একদিন তা’লীম দেয়ার সময় কথা প্রসঙ্গে উনার মুরীদ মু’তাকিদগণকে বললেন, ৪০ বছর থেকে আমি আমার আহলিয়ার নিকটবর্তী হই না এবং খাবারও খাই না। তা’লীম শেষে উনার আহলিয়া উনাকে বললেন, আপনি তাদেরকে কি বললেন? আপনি তো নিয়মিত খাবার খান এবং আহলিয়ার নিকটবর্তী হন। তখন তিনি বললেন, আমি তা আমার নিজের নফসের বশবর্তী হয়ে এগুলো করি না। বরং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক, তায়াল্লুক-নিসবত এবং কুরববত মুবারক হাছিলের জন্য তা সুসম্পন্ন করে থাকি। সুবহানাল্লাহ!

অসিয়ত মুবারক (২৩):  আহলিয়ার সামনে অন্য কোন মেয়ে বা মহিলার কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না। কখনো তাদের প্রশংসা করবেন না। কারণ আপনি যদি এমন বলতে শুরু করেন, তখন আপনার আহলিয়া বা স্ত্রীও বিনা দ্বিধায় অন্য ছেলে বা পুরুষের প্রশংসামূলক আলোচনা শুরু করে দিবে। যা আপনার পছন্দ হবে না।

অসিয়ত মুবারক (২৪): যথাসম্ভব কুমারী মেয়ে বিবাহ করবেন। তবে অকুমারী যদি এমন হয় যে, ঐ মেয়ে বা মহিলা আপনার নিকটতম আত্মীয় এবং আপনি ছাড়া তার অন্য কেউ নেই তখন ঐ মেয়ে বা মহিলাকে বিবাহ করতে কোন অসুবিধা নেই।

উল্লেখ্য যে, এখানে আত্মীয়তার সম্পর্কচ্ছেদ করা উদ্দেশ্য নয়। বরং অতিরিক্ত আসা-যাওয়া থেকে বিরত থাকাই মুখ্য উদ্দেশ্য।

ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাখ্দূমুল কায়িনাত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহাসম্মানিত হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-২৪৭

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৭

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৯২ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-৪৬

মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৬