ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৯১ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

সংখ্যা: ৩০৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

ইমামুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম উনার শান মুবারকে সুসংবাদ

ইমামুল মুহাদ্দিছীন, হাকিমুল হাদীছ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সব সুসংবাদ দিয়েছিলেন তার কিছু অংশ আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। আলোচ্য অংশে ইমাম মুজতাহিদ আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাধ্যমে যেসব সুসংবাদ দিয়েছিলেন তা উল্লেখ করা হবে ইনশাআল্লাহ।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, উম্মুল মু’মিনীন আম্মাজান হযরত ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لَا يَـبْـقٰى بَعْدِيْ مِنَ النُّـبُـوَّةِ شيْءٌ إلَّا الْـمُبشِّرَاتُ، قَالُوْا: يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَا الْـمُبَشِّرَاتُ؟ قَالَ: الرُّؤْيَا الصَّالِـحَةُ، يَراهَا الرَّجُلُ، أَوْ تُـرٰى لَهٗ

অর্থ: আমার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর সম্মানিত নবুওওয়াত ও সম্মানিত রিসালত মুবারকের ধারা বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু মুবাশ্শিরাত উনার ধারা জারী থাকবে। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মুবাশ্শিরাত কি?

তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সত্য স্বপ্ন। যা কোন মু’মিন দেখেন অথবা কারো সম্পর্কে মু’মিনকে দেখানো হয়। (মুসনাদে আহমাদ শরীফ, দারু কুতনী শরীফ, বাইহাক্বী শরীফ)

(১)

হযরত ইমাম আবূ ইউসুফ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- একদিন আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে স্বপ্নযোগে দেখতে পেলাম। তিনি একটি অট্টালিকায় বসে আছেন। উনার পাশে উনার ছাত্র, মুরীদ, মু’তাকিদীন, মুহিব্বিনগণ আছেন। একপর্যায়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমার কাছে একটি কলম ও কাগজ নিয়ে আসুন। তখন আমি উনার কাছে কাগজ-কলম নিয়ে গেলাম। তিনি লিখতে লাগলেন। আমি বললাম, কী লিখবেন? তিনি বললেন, আমি জান্নাতের অধিবাসী, আমার মুকাল্লিদ তথা অনুসারীগণের নাম লিখবো। আমি বললাম, উনাদের মধ্যে আমার নাম লিখবেন না? তিনি বললেন, হ্যাঁ লিখবো। তারপর তিনি উনাদের সকলের শেষে আমার নামও লিখে দিলেন। সুবহানাল্লাহ! (আত-তাবাকাতুস সুন্নিয়্যাহ ফী তারাজিমিল হানাফিয়্যাহ)

(২)

ইমাম আবূ মু’য়াজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন। আমি একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখলাম। তখন আমি বললাম, আয় মহান আল্লাহ উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ইমাম আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলিম সম্পর্কে আপনি কী বলেন? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়ে ইমাম আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলমের মুখাপেক্ষী হয়। (আত-তাবাকাতুস সুন্নিয়্যাহ ফী তারাজিমিল হানাফিয়্যাহ)

আমাদের সম্মানিত দাদা হুজুর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে

আমাদের সম্মানিত দাদা হুজুর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৭৫

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৫

ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাখ্দূমুল কায়িনাত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহাসম্মানিত হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-৪৫