ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দাওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছহিবে কাশ্ফ ওয়া কারামত, ফখরুল আউলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছহিবে  ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলার্দু রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে- একজন কুতুবুজ্জামান-এর দিদারে মাওলার দিকে প্রস্থান- ৫৯

সংখ্যা: ১১৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

-মুহম্মদ সাদী

হজ্ব সমাপন এবং মসজিদে নববীতে

বিশেষ নিয়ামত লাভ

চাওয়া-পাওয়া, আনন্দ-বিষাদ, স্বস্তি-শঙ্কা ও মিলন-বিরহের উদ্বেগে এক যন্তনাকাতর মানসিকতায় ওলীয়ে মাদারজাদ, আশিকে নবী, আওলার্দু রসূল, হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি পবিত্র মদীনা শরীফে উপস্থিত হলেন। আশৈশব মন ও মননে লালিত মধুরতম স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরম মুহূর্তে তিনি বাকরুদ্ধ। এটি এমন এক চাওয়া, যা’ না পেলে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে এবং যা’ প্রাপ্তির পূর্ণতায় আনন্দ-বেদনার মিশ্রধারায় চোখের পাতা ভিজে যায়। তাইতো ইহকাল ও পরকালের পবিত্র কেন্দ্রভূমি মদীনা শরীফের মুবারক মাটিতে কদম রেখে কেবলই তাঁর মন বলে, “ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! দূর থেকে ছলাত-সালাম পাঠিয়ে তৃষ্ণা মিটেনি। আপনার সদয় আহবানে প্রাণ জুড়াবার পরম প্রত্যাশায় আমি আপনার পাক দরবারে হাজির হয়েছি। স্বশরীরে আপনার মুবারক সান্নিধ্যে এসে বাকরুদ্ধ আমি বেকারার হয়ে পড়েছি। এখন কিভাবে নিজেকে আপনার কাছে সমর্পন করবো দয়া করে বলে দিন।”    মেহেরবান আল্লাহ্ পাক তাঁর মাহবুব ওলীগণকে এমন কিছু খাছ নিয়ামত দান করেন, যা’ আয়াসসাধ্য নিপুন আয়োজনে আমৃত্যু আমল ও কোশেশ করেও লাভ করা যায়না। এই অতুলনীয় নিয়ামত আল্লাহ্ পাক-এর সদয় বখ্শিশ। ছহিবু লাওলাক, শাফিউল মুজনেবিন, আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, মাশুকে মাওলা, তাজেদারে মদীনা, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার মূল নিয়ামত। এ নিয়ামত হাছিল হলে পাবার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা। এই পরম নিয়ামত হাছিলকারী আল্লাহ্ পাককে স্মরণের পূর্বেই আল্লাহ্ পাক তাঁকে স্মরণ করে থাকেন। তখন দুনিয়া ও আখিরাত একাকার হয়ে যায়। ছ‘হিবে নিয়ামত হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মরূপে অনুসরণ ও অনুকরণ, পরিপূর্ণভাবে সুন্নতের ইতায়াত, তাঁর সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপন, মুবারক দিদার ও নিগূঢ় সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমেই আলোচ্য নিয়ামত হাছিল হয়। আশিক উম্মত জানেইনা বর্তমান, পরবর্তী ও পরিণত ধাপে তার প্রাপ্তিযোগ ও কামিয়াবীর সোপান কোনটি। আল্লাহ্ পাক-এর মাহবুব ওলী হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহিও এখন জানেননা কতো মধুর নিয়ামত তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে! শুধু জানেন নিজেকে নিঃশেষে বিলীন করার প্রত্যাশিত পরম মুহূর্ত সমাগত।

খাজিনাতুর রহমত, রহমতে আলম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপনকারী এবং মুবারক দিদারলাভে ধন্য আশিকে রসূল, হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি পাক রওজা মুবারকে হাজির হয়ে সালাম পেশ করলেন। স্বভাব-সম্পৃক্ত বিনয় ও অন্তরের সবটুকু মমতায় নিবেদন জানালেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অনুগ্রহ করে আমাকে ধন্য করুন, আমাকে পরিপূর্ণ করুন।” পবিত্র মদীনা শরীফের মুবারক মাটিতে হাঁটতে তাঁর পা মুবারক কাঁপছে, পা মুবারক জড়িয়ে যাচ্ছে। কেবলই মনে হচ্ছে, সাইয়্যিদুল খলায়িক্ব, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনা শরীফের এই পাক মাটিতে কদম মুবারক রেখে হেঁটেছেন। জগৎ-সংসার, ইহকাল-পরকাল, এমনকি মনের গভীরে সযতেœ গুছিয়ে রাখা নিজের কোন কথাই এখন আর মনে নেই। আপন অস্তিত্ব প্রায় বিলোপের এমন নাজুক অবস্থায় মন ও মননের সবটুকু জুড়ে আছেন কেবল মাশুক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।    নামাযের সময় হয়েছে। মসজিদে নববীতে নামায শেষে ছহিবু কাবা কাওসাইন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাক্ষাৎ লাভ এবং তাঁকে কদমবুছি করার পরম প্রত্যাশায় বসে আছেন তাঁর মাহবুব আওলাদ, ওলীয়ে মাদারজাদ, কুতুবুয্ যামান, ফখরুল আউলিয়া, আফযালুল ইবাদ, লিসানুল হক্ব, হযরতুল আল্লামা, শাহ্ ছূফী, সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি। ভাবনায় বিভোর আশিক আওলাদ এক পর্যায়ে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন। তন্দ্রাচ্ছন্ন নিবিড় পরিবেশের পরম মুহূর্তে আফযালুল ক্বায়িনাত, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দিদার নছীব হলো। কিছুক্ষণের মধ্যে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দু’জন প্রিয় সহচর সেখানে উপস্থিত হলেন। তিনি পরিচয় করিয়ে দিলেন, একজন আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং অপরজন ফারুকে আ’যম হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।

ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাখ্দূমুল কায়িনাত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহাসম্মানিত হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-২৪৭

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৭

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৯২ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-৪৬

মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৬