কুকুর নিধনে শরঈ ফতওয়া

সংখ্যা: ৩০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

مَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَّلَا مُؤْمِنَةٍ اِذَا قَضَى اللهُ وَرَسُوْلُهٗ اَمْرًا اَنْ يَّكُوْنَ لَـهُمُ الْـخِيَـرَةُ مِنْ اَمْرِهِمْ وَمَنْ يَّـعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ فَـقَدْ ضَلَّ ضَلٰلًا مُّبِـيْـنًا

অর্থ: “কোনো মু’মিন পুরুষ-মহিলা কারো জন্য কস্মিনকালেও জায়েয হবে না যে, যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা কোনো বিষয়ে মহাসম্মানিত ফায়ছালা মুবারক দেন, এই বিষয়ে কোনো মত পেশ করা। যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের ফায়ছালাকৃত বিষয়ে কোনো মত পেশ করবে, সে প্রকাশ্য গোমরাহীতে নিমজ্জিত হবে। অর্থাৎ সে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহ্যাব শরীফ: ৩৬)

তাই, প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয হলো- সর্ব অবস্থায় ও সর্ব বিষয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত নির্দেশ মুবারক পালন করা।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, কুকুর নিধন সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র ফতওয়া হলো- তিন প্রকার কুকুর ব্যতীত অন্য সব কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয ও হারাম এবং সেগুলো নিধন বা হত্যা করা জায়েয়। শুধু তাই নয়; ক্ষেত্র বিশেষ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক এবং ফরয।

আর এই তিন প্রকার কুকুর হলো- (১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার কুকুর, (২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার কুকুর এবং (৩) শিকারী কুকুর।

যেমন- এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الكِلَابِ

অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন- কুকুরসমূহ হত্যা করার জন্য।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুওয়াত্ত্বা শরীফ ৫/১৪১২ ইত্যাদি)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ بِالْمَدِيْـنَةِ فَاُخْـبِـرَ بِـاِمْرَاَةٍ لَـهَا كَلْبٌ فِـىْ نَاحِيَةِ الْمَدِيْـنَةِ فَاَرْسَلَ اِلَيْهِ فَـقُتِلَ

অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার কুকুরসমূহ হত্যা করার জন্য মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সংবাদ পেশ করা হলো যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার এক প্রান্তে এক মহিলার একটি কুকুর রয়েছে। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই কুকুরটি হত্যা করার জন্য লোক পাঠালেন। তারপর ঐ কুকুরটিকে হত্যা করা হয়।” (জামিউল উছূল ১০/২৩৮, জামিউ মা’মার ইবনে রাশিদ ১০/৪৩২)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُغَفَّلٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَوْلَا اَنَّ الْكِلَابَ اُمَّةٌ مِنَ الْاُمَمِ لَاَمَرْتُ بِقَتْلِهَا كُلِّهَا فَاقْـتُـلُوْا مِنْـهَا كُلَّ اَسْوَدَ بَـهِيْمٍ

অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কুকুর যদি (মহান আল্লাহ পাক উনার) সৃষ্টির মধ্যে একটি সৃষ্টি না হতো, তাহলে অবশ্যই আমি সমস্ত কুকুর হত্যা করার জন্য মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিতাম। কাজেই, যেই কুকুরগুলো গাঢ় কালো সেগুলোকে অর্থাৎ আক্রমণকারী কুকুরগুলোকে আপনারা হত্যা করুন।” (আবূ দাঊদ শরীফ, দারিমী শরীফ)

উল্লেখ্য যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রথমে সমস্ত প্রকার কুকুর নিধন করার আদেশ মুবারক করেছিলেন। পরবর্তীতে ৩ প্রকার কুকুর ব্যতীত বাকী সমস্ত প্রকার কুকুরকে নিধন করার জন্য মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক জারী রেখেছেন। যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ مُغَفَّلٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ ثُـمَّ قَالَ مَا لَـهُمْ وَلَـهَا فَـرَخَّصَ فِـىْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَفِـىْ كَلْبِ الْغَـنَمِ

অর্থ: “হযরত ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিতেন কুকুরসমূহ হত্যা করার জন্য। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষের এবং কুকুরসমূহের কি হলো? তারপর তিনি শিকারী কুকুর এবং (উট, মেষ-দুম্বা,) ছাগল পাহারাদার কুকুরের ব্যাপারে রুখ্ছত মুবারক দিলেন।” (মুসনাদে আহমাদ ২৭/৩৪৭)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ اِلَّا كَلْبَ صَيْدٍ اَوْ كَلْبَ غَنَمٍ اَوْ مَاشِيَةٍ

অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন- শিকারী কুকুর অথবা (উট, মেষ-দুম্বা,) ছাগল পাহারাদার কুকুর (অর্থাৎ বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার কুকুর) কিংবা শস্যাদি পাহারাদার কুকুর ব্যতীত অন্যান্য সব কুকুর হত্যা করার জন্য।” (মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমাদ ৮/৫৬)

সুতরাং, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রথমে সমস্ত প্রকার কুকুর নিধন করার জন্য মহাসম্মানিত আদেশ মুবারক করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি (১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার কুকুর, (২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার কুকুর এবং (৩) শিকারী কুকুর, এই প্রকার কুকুর ব্যতীত বাকী সমস্ত প্রকার কুকুরকে নিধন করার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক জারী রেখেছেন।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

مَا يُـؤْذِيْكَ فَـلَكَ اِذَايَـتُهٗ قَـبْلَ اَنْ يُّـؤْذِيَكَ

অর্থ: “যে সমস্ত প্রাণী তোমার ক্ষতি বা যন্ত্রণার কারণ হবে, তার ক্ষতি তোমার উপর আসার আগে তুমি তার ক্ষতি করো।” (আল ফাওয়াকিহ্ ২/৩৫২)

এজন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার একখানা উছূল হচ্ছেন-

اُقْـتُلُ الْمُؤْذِىَ قَـبْلَ اَنْ يُّـؤْذِىَ

অর্থ: “তুমি কষ্টদায়ক প্রাণীকে কষ্ট দেয়ার পূর্বেই হত্যা করো।”

কাজেই, যে সকল কুকুরের কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কষ্ট পায় এবং মৃত্যুবরণ করে, সেগুলো নিধন করা বা হত্যা করা জায়েয তো অবশ্যই; এমনকি ফরয। কেননা স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে (১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার কুকুর, (২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার কুকুর এবং (৩) শিকারী কুকুর, এই প্রকার কুকুর ব্যতীত বাকী সমস্ত প্রকার কুকুরকে নিধন করার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!

আর যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُـؤْمِنُـوْنَ حَتّٰـى يُـحَكِّمُوْكَ فِـيْمَا شَجَرَ بَـيْـنَـهُمْ ثُـمَّ لَا يَـجِدُوْا فِـىْ اَنْـفُسِهِمْ حَرَجًا مِـمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوْا تَسْلِـيْمًا

অর্থ: “আপনার রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তারা কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আপনাকে তাদের সমস্ত বিষয়ে ফায়ছালাকারী হিসেবে মেনে না নিবে। তাদের অন্তরে কোনোরূপ সংকীর্ণতা অনুভব করবে না। অতঃপর তারা আপনার মহাসম্মানিত ফায়ছালা মুবারক উনাকে বিনা চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বালে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে মেনে না নিবে।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৬৫)

অতএব, প্রত্যেক মুসলমান, পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় ও সর্ববিষয়ে বিনা চূ-চেরা ও ক্বীল-ক্বালে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত পবিত্র নির্দেশ মুবারক পালন করা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত পবিত্র নির্দেশ মুবারক উনার উপর সর্বাবস্থায় ও সবসময় ইস্তিক্বামত থাকার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

-আল্লামা মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে মারইয়াম।

মূর্তি ও মন্দির ভেঙ্গে ফেলা খাছ সুন্নত মুবারক

সাইয়্যিদু উল্দে আদম, ছহিবু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, খতীবুল আম্বিয়া ওয়াল উমাম, ছহিবুল মি’রাজ, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বর্ণনা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবে

মাআ’জামা শানূহু, ছহেবে আসমাউল হুসনা, সাইয়্যিদুল মাখদূম, ছহিবুল খাতাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুবারক বিলাদতপূর্ব রবিউল আউয়ালের ফযীলতপূর্ণ বার রাত্রি

আর রসূলুল মুজাহিরু আলাদ্ দ্বীনি কুল্লিহ্, আফদ্বালুর রসূল, ছহিবু দ্বীনিল হক্ব, রসূলুম মুছাদ্দিক, রসূলুল খাল্ক, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফযীলত বর্ণনা হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে

ছহেবে রফা’না লাকা যিক্রক, ছহিবুল ওহী ওয়াল কুরআন, যিক্রুল্লাহ্, জাওয়ামিউল কালিম, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু অলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পক্ষ হয়ে জবাব দিচ্ছেন স্বয়ং আল্লাহ্ পাক রব্বুল আলামীন