খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বিষয়গুলো মহাপবিত্র কুদরত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় হচ্ছেন মহাপবিত্র মহাসম্মানিত মু’জিযা শরীফ। মু’জিযা শরীফ ব্যতীত তো সৃষ্টি জগৎ অক্ষম। আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়গুলি ‘পবিত্র ই’জায শরীফ’।
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের দয়া দান ইহসান মুবারক অর্থাৎ উনাদের মহাপবিত্র ইজায শরীফ’ উনার মাধ্যমেই আসমান-যমীন নিরাপত্তা লাভ করছে, রহমত-বরকত-সাকীনা লাভ করছে। মহাপবিত্র ই’জায শরীফ ব্যতীত এক পলকও কায়িনাত স্থায়ী হবে না।
মহাসম্মানিতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহাপবিত্র মহাসম্মানিত, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম। উনারই আখাছছুল খাছ বিশেষ শান মুবারক সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হবে। ইনশাআল্লাহ।
(২০) মাগুরার এক পীর ভাই উনার আহলিয়া সুন্নতী জামা সেলাই করতে জানতেন না। বিভিন্নভাবে সেলাই শেখার কারণে অন্যান্য পোশাক-পরিচ্ছদ সেলাই করতে পারতেন। একদিন আমাদের এক জ্যেষ্ঠ পীর ভাই উনার বড় মেয়ের সুন্নতী ক্বামিছ উনার কাছে সেলাই করতে দেওয়া হয়। কিন্তু সুন্নতী ক্বামিছ কীভাবে কাটবেন, কীভাবে সেলাই করবেন; এ নিয়ে তিনি খুবই চিন্তিত ছিলেন। সেই রাতে তিনি স্বপ্নে দেখেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উক্ত পীর বোনকে বলেন, “চিন্তার কোন কারণ নেই। আমি তোমাকে কাটা এবং সেলাই করা সব শিখিয়ে দিচ্ছি।” এরপর হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি ক্বামিছের কাপড় বিছিয়ে, ইঞ্চি টেপ দিয়ে মেপে, চক দিয়ে দাগিয়ে কত ইঞ্চি লম্বা নিতে হবে, কাঁধের মাপ কতটুকু, ছোট ও বড় কল্লির মাপ কতটুকু, হাতা কত ইঞ্চি লম্বা এবং কত ইঞ্চি চওড়া হবে, শেপ কীভাবে কাটতে হবে, ক্বামিছের নিচের ঘের কীভাবে কাটতে হবে, কীভাবে সেলাই করতে হবে ইত্যাদি সমস্ত কিছুই তিনি বুঝিয়ে দেন। এরপর উক্ত পীরবোন ঘুম থেকে ওঠার পর সুন্নতী জামা একদম মাপমত কেটে নির্ভুলভাবে সেলাই করেন। ঐ দিনের পর থেকে উক্ত পীরবোন সুন্নতী ক্বামিছ, সেলোয়ার, কোর্তা, স্কার্ফ, বোরকাসহ সমস্ত কিছুই সেলাইয়ের দক্ষতা অর্জন করেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ। তিনি সালিকাদের সমস্ত চিন্তা দূরীভূত করেন। যখন কেউ চিন্তিত হয় জাগরণে এবং স্বপ্নে তার চিন্তা লাঘব করেন এবং দিক নির্দেশনা দিয়ে ইতমিনান দান করেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে উনার ছোহবত মুবারকে এসে ইস্তিক্বামত থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ই’জায শরীফ