একান্ত ভাবনার নিজস্ব জগতে মিথ্যাবাদী ভাবুক যে কত অলীক ও কুৎসিত কল্পনায় বিভোর হতে পারে সে প্রসঙ্গে বাইয়্যিনাতে ইতোমধ্যে ইবলিসের বানানো বেহেশ্তের উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে। আর যামানার মুযাদ্দিদের বিরোধীতার কারণে একান্ত ভাবনার ভাবুক স, আ, ত, ম আলাউদ্দীন যে ক্রমশঃই বিবেক তথা ঈমান হারানোর উপক্রম হয়ে ইবলিসের বানানো বেহেশ্তে যেতে উদ্যত হচ্ছে তা তার লেখায়ই প্রকাশ পাচ্ছে। ডিসেম্বরের লিখায় মাত্র দু একটি উদাহরণই এ বিষয়ে যথেষ্ট। এই কদাকার ভাবুক লিখেছে, “ …….. যে স্বীয় দেবতুল্য পীরের নীতি ……….।”
পাঠক আয়নার সামনে যখন কোন বানর দাঁড়ায় তখন সে নিজেকেই দেখতে পায়। ঠিক তদ্রুপ রাজারবাগে বিজাতীয় আদর্শ সব সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে পরিহার করা হলেও ওরা এখনও দেবতাবাদে বিশ্বাসী বলে-এই ভাষা ব্যবহার করতে পেরেছে এবং একবার নয় লিখার শেষ পর্যায়েও সে বলেছে, “আর এর দ্বারা তাদের দেবতাকে খুশি করে মালকড়ি কামাচ্ছে।”
পাঠক! বুঝতে অসুবিধা হয়না যে তাদের ইমামের যেমন শিয়া প্রীতি ও আক্বীদা ছিল তেমনি তার অনুসারী আলাউদ্দীনকেও এখন দেবতা প্রীতিতে ধরেছে। তাই এখন সে বিবেক হারা হয়ে আবোল তাবোল বকছে। সে বলেছে,“ …….. লাহাবী ঈদ বলেছে তার বিরুদ্ধে লিখা হয়েছে মাত্র একটি। তাও দায়সারা গোছের।”
পাঠক! আল বাইয়্যিনাতে এ বিষয়ে মোট ছয়টি কিস্তিতে প্রায় ১২ পৃষ্ঠা ব্যাপী লিখা হয়েছে। আর তদবিপরীতে তরজুমানের তেমন কিছুই নেই। নাউযুবিল্লাহ।
তাহলে এভাবে পক্ষপাত দুষ্ট মনোভাব আর মিথ্যা বিষোদগারের পর কি এটাই সাব্যস্ত হয়না যে মিথ্যাবাদী আলাউদ্দীনের রাজারবাগ শরীফের বিরুদ্ধে বিষোদগারেই ডিসেম্বর পুরো সংখ্যাটি এরূপ মিথ্যাচারীতায় ভরপুর। (নাউযুবিল্লাহ)
-মুহম্মদ হাসানূর রহমান, ঢাকা।
ইসলামী বিশ্বকোষের আলোকে বালাকোট যুদ্ধের ইতিহাস- (৪)