ইসলামী বিশ্বকোষের আলোকে বালাকোট যুদ্ধের ইতিহাস- (৪)

সংখ্যা: ৯৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

এদিকে যখন জানা গেল যে, শিখ সেনাপতি শের সিং বিরাট এক বাহিনী লইয়া পাখলী নামক স্থানে পৌঁছিয়া গিয়াছে, তখন উক্ত বাহিনী কোন দিকে অগ্রসর হয় তাহা দেখিয়া শুনিয়া পরবর্তী করণীয় স্থির করা আবশ্যক বলিয়া বিবেচিত হইল। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি শের সিং-এর বাহিনীর বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত না হইয়াই সম্মুখে কাশমীরের দিকে অগ্রসর হইতে পারিতেন; কিন্তু তিনি এইরূপ করিলে উহার সুযোগে শিখ বাহিনী হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শরীফ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সহিত ধর্মীয় ভিত্তিতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে সম্পৃক্ত এতদঞ্চলের খানদিগকে জুলুম-অত্যাচারের শিকার বানাইত। তাই তিনি উল্লিখিত খানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত হাযারা জিলাতেই অবস্থান করা সমীচীন মনে করিলেন। তিনি যখন শুনিতে পাইলেন যে, শের সিং ভূগাড়মুঙ্গ গিরিপথ আক্রমণ করিবার পরিকল্পনা করিয়াছে, তখন তিনি নিজে রাজ দাওরান হইতে সাচ্চূণ পৌঁছিলেন এবং শাহ ইসমাঈল শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বালাকোটে পাঠাইয়া দিলেন। (অসমাপ্ত)

-মুহম্মদ নূরুল আলম, ঢাকা।

“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে