মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ ও মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে প্রতি আরবী মাসের ২৯ তারিখে খালী চোখে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া, সারাবিশ্বে একদিনে রোযা ও ঈদ পালন অসম্ভব, চাঁদ নিয়ে সউদী ওহাবী ইহুদী চক্রান্তের মুখোশ উন্মোচন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩য় পর্ব)

সংখ্যা: ৩০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

[সমস্ত প্রশংসা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য এবং অশেষ-অসীম সম্মানিত ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ। মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খাছ রহমত, বরকত, সাকীনাহ, দয়া-দান, ইহসান মুবারক উনাদের কারণে “গবেষণা কেন্দ্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ” উনার ফতওয়া বিভাগ উনার তরফ থেকে বহুল প্রচারিত, হক্বের অতন্দ্র প্রহরী, বাতিলের আতঙ্ক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের অকাট্ট দলীলের আলোকে প্রকাশিত একমাত্র দলীলভিত্তিক তাজদীদী মুখপত্র “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” পত্রিকায় যথাক্রমে- ১. টুপির ফতওয়া (২য় সংখ্যা) ২. অঙ্গুলী চুম্বনের বিধান (৩য় সংখ্যা) ৩.নিয়ত করে মাজার শরীফ যিয়ারত করা (৪র্থ সংখ্যা) ৪. ছবি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় হারাম হওয়ার ফতওয়া (৫ম-৭ম সংখ্যা) ৫. জুমুয়ার নামায ফরযে আইন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফতওয়া (৮ম-১০ম সংখ্যা) ৬.মহিলাদের মসজিদে গিয়ে জামায়াতে নামায পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী সম্পর্কে ফতওয়া (১১তম সংখ্যা) ৭. কদমবুছী ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১২তম সংখ্যা) ৮. তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী ও বিদ্য়াতে সাইয়্যিয়াহ্ এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৩তম সংখ্যা) ৯.ফরয নামাযের পর মুনাজাত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৪-২০তম সংখ্যা) ১০. ইন্জেকশন নেয়া রোযা ভঙ্গের কারণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২১-২২তম সংখ্যা) ১১. তারাবীহ্-এর নামাযে বা অন্যান্য সময় কুরআন শরীফ খতম করে উজরত বা পারিশ্রমিক গ্রহণ করা জায়িয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২৩-২৪তম সংখ্যা) ১২. তারাবীহ্ নামায বিশ রাকায়াত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২৫-২৯তম সংখ্যা) ১৩. দাড়ী ও গেঁাফের শরয়ী আহ্কাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩০-৩৪তম সংখ্যা) ১৪.প্রচলিত তাবলীগ জামায়াত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩৫-৪৬তম সংখ্যা) ১৫. আযান ও ছানী আযান মসজিদের ভিতরে দেয়ার আহ্কাম এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৪৭-৫০তম সংখ্যা) ১৬. দোয়াল্লীন-যোয়াল্লীন উনার শরয়ী ফায়সালা এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে র্ফতওয়া (৫১-৫২তম সংখ্যা) ১৭. খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৫৩-৫৯তম সংখ্যা) ১৮.নূরে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৬০-৮২তম সংখ্যা) ১৯. ইমামাহ্ বা পাগড়ী মুবারকের আহ্কাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়া (৮৩-৯৬তম সংখ্যা) ২০.শরীয়তের দৃষ্টিতে আখিরী যোহ্র বা ইহ্তিয়াতুয্ যোহ্রের আহ্কাম এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৯৭-১০০তম সংখ্যা) ২১. জানাযা নামাযের পর হাত তুলে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করার শরয়ী ফায়সালা ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১০১-১১১তম সংখ্যা) ২২.হিজাব বা পর্দা ফরযে আইন হওয়ার প্রমাণ ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১১২-১৩১তম সংখ্যা) ২৩. খাছ সুন্নতী ক্বমীছ বা কোর্তা এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৪০তম সংখ্যা) ২৪.হানাফী মাযহাব মতে ফজর নামাযে কুনূত বা কুনূতে নাযেলা পাঠ করা নাজায়িয ও নামায ফাসিদ হওয়ার কারণ এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৩২-১৫২তম সংখ্যা) ২৫. ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ফুটবল বা খেলাধুলা’র শরয়ী আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফতওয়া (১৫৫তম সংখ্যা) ২৬. হানাফী মাযহাব মতে পুরুষের জন্য লাল রংয়ের পোশাক তথা রুমাল, পাগড়ী, কোর্তা, লুঙ্গি, চাদর ইত্যাদি পরিধান বা ব্যবহার করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৫৩-১৬০তম সংখ্যা)  ২৭. ইসলামের নামে গণতন্ত্র ও নির্বাচন করা, পদপ্রার্থী হওয়া, ভোট চাওয়া ও দেয়া হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৬১-১৭৫তম সংখ্যা) ২৮. কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস উনাদের দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৬৮-২৩৭), ২৯. জুমুয়া ও ঈদাইনের খুৎবা আরবী ভাষায় দেয়া ওয়াজিব। আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় খুৎবা দেয়া মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৯২-১৯৩তম সংখ্যা) ৩০. কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৯৫-২১৩তম সংখ্যা), ৩১. পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে “কুলাঙ্গার, পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে শরীয়তের সঠিক ফায়ছালা ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২০৩তম সংখ্যা), ৩২. কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে “হানাফী মাযহাব মতে নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ে ‘আমীন’ অনুচ্চ আওয়াজে বা চুপে চুপে পাঠ করাই শরীয়ত উনার নির্দেশ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২১২তম সংখ্যা), ৩৩. “পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২২০তম সংখ্যা-চলমান), ৩৪. “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ ও মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২৩৮-চলমান), ৩৫. “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২৬৪-২৮৬), ৩৬. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এবং বিশেষ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২৬৫-চলমান), ৩৭. “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মানহানীকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আখাছ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ ফতওয়া” (২৬৬-চলমান), ৩৮. মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- “মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নতী লিবাস বা পোশাক পরিধান করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” (২৮৭-৩০৫) পেশ করার পর-

৩৯তম সম্মানিত ফতওয়া

মুবারক হিসেবে

মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে- “প্রতি আরবী মাসের ২৯ তারিখে খালী চোখে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া, সারাবিশ্বে একদিনে রোযা ও ঈদ পালন অসম্ভব, চাঁদ নিয়ে সউদী ওহাবী ইহুদী চক্রান্তের মুখোশ উন্মোচন ও  তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ বেশুমার শুকরিয়া আদায় করছি।

“রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস” গঠনের কারণ এবং “রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস” কতৃর্ক গৃহীত কার্যক্রম

চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা নিয়ে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে বেশ কিছু মাসয়ালা-মাসায়িল আলোচনা হয়েছে। তবে সকল আলোচনাই হচ্ছে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা এবং কোন মাসে কতজন দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে সেসব প্রসঙ্গে। চাঁদের আলোচনায় কোন জটিলতা স্থান পায়নি। এর কারণ চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বা কেউ তা পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করতে পারে তা পূর্ববর্তী মানুষের অনুভূতিতেও জন্ম নেয়নি।

কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো চাঁদের তারিখ একদিন হের-ফের করলেই মুসলমানদের অনেক আমল যেমন পবিত্র হজ্জ, পবিত্র ঈদ, বিশেষ দিন এবং রাত সমূহ যেমন পবিত্র শবে বরাত শরীফ, পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ, পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ, পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ, পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইত্যাদি মহান দিন এবং রাত্রিগুলোর ফযীলত থেকে বিরত রাখা যায়। সে কারণেই কাফির-মুশরিকরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কিছু নামধারী মুসলমান মুনাফিক শাসকগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে সেই বিভ্রান্তি সারা পৃথিবীর মুসলমান দেশসমূহে ছড়িয়ে দিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

পনের শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি তাদের ষড়যন্ত্রের এই মুখোশ উন্মোচন এবং সারা বিশ্বের মুসলমান উনাদেরকে সচেতন করার লক্ষ্যে চাঁদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা, লেখালেখি, ওয়াজ-নছীহত এমনকি আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা মজলিস (কমিটি) গঠন করেছেন।

পূর্বে মুসলমানদের মধ্যে আরবী মাস গণনার প্রচলন ছিল। ফলে মাস শেষে অর্থাৎ ২৯তম দিনে সচেতনভাবেই চাঁদ দেখে আরবী মাস গণনা করতেন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন হিজরী তারিখ গণনার পরিবর্তে গ্রেগরিয়ান বর্ষপুঞ্জি প্রচলন হলো তখন চাঁদ দেখার সচেতনতা জনসাধারণ থেকে কমে গেলো। তখন মুসলিম দেশগুলোতে সরকারি তরফ থেকে চাঁদ দেখার মজলিস গঠন করা হলো আরবী তারিখের হিসাব রাখার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ১৯৪৮ সালের পর থেকে এই চাঁদ দেখা মজলিসের চাঁদের তারিখ হিসাব রাখার পদ্ধতি এবং মজলিসের সদস্যদের মানসিকতার মধ্যে একটি ব্যাপক পরিবর্তন আসলো। এই পরিবর্তনের নেপথ্য নায়ক ইহুদী মদদপুষ্ট সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার।

সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে মাসের ২৯তম তারিখে চাঁদ তালাশ করতে হবে। চাঁদ দেখা না গেলে মাস ৩০ দিনে পূর্ণ করতে হবে। কিন্তু এই সহজ পদ্ধতি বাদ দিয়ে বিভিন্ন মুসলিম দেশে আরবী মাস গণনা শুরু হতে লাগলো বিভিন্ন মনগড়া পদ্ধতি অনুযায়ী।

বিভিন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত মানদণ্ড (অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্রাইটেরিয়া) ব্যবহার হতে লাগলো মাস শুরুর ব্যাপারে। সউদী আরব, যে দেশের দিকে তাকিয়ে থাকে সমস্ত মুসলিম বিশ্ব তাদের বর্ষপুঞ্জি রচনা করার কতৃর্পক্ষ হচ্ছে ‘উম্মুল কুরা’। এই উম্মুল কুরা চাঁদ দেখে আরবী মাস গণনা না করে একটি নিজস্ব পদ্ধতি তৈরি করে নিয়ে সে অনুযায়ী মাস গণনা করে যাচ্ছে। অনেকের পক্ষেই বিষয়টি গ্রহণ করা কঠিন হলেও এটা সত্য সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে সঠিক তারিখে মাস গণনা না করার কারণে পবিত্র হজ্জসহ মুসলমানদের অনেক আমল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ প্রতিবাদ করার কেউ নেই। আমরা আপনাদের ধারণা দেবার লক্ষ্যে নিম্নে কয়েকটি ছক প্রকাশ করলাম।

একটি ছকে দেখা যাবে কিভাবে মুসলিম দেশগুলোতে চাঁদ দেখার সুন্নতী পদ্ধতি বাদ দিয়ে মনগড়া নিয়মে মাস গণনা হচ্ছে। আমাদের দেশেও আরবী মাস শুরু নিয়ে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করেছিল দেশের তথাকথিত এক মুফতী। সামগ্রিকভাবে সকল বিষয়গুলো লক্ষ্য রেখে দেশের মুসলমানদের আমলের সুবিধার্থে আরবী মাসের সঠিক তারিখ জানাবার উদ্দেশ্যে এই আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা মজলিস ‘মাজলিসু রু’ইয়াতিল হিলাল’ গঠন করা হয়েছে। ১৪২৭ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিকে এটি জাতীয় পর্যায়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস কতৃর্ক গৃহীত কার্যক্রম নিম্নে তুলে ধরা হলো-

১। দৈনিক পত্রিকাসমূহের মধ্যে একমাত্র বিশ্বে বহুল পঠিত দৈনিক আল ইহসান শরীফ পত্রিকাতেই রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের যিনি প্রতিষ্ঠাতা এবং পৃষ্ঠপোষক মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল উমাম, আওলাদে রসূল মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার চাঁদ সম্পর্কিত ক্বওল শরীফ হিসেবে শিরোনাম প্রকাশ করা হয়।

২। রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের যিনি সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এ নিয়মিত চাঁদ বিষয়ে লেখা প্রকাশিত হয়ে আসছে।

৩। চাঁদ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেয়ার উদ্দেশ্যে রেসালা প্রকাশ করা হয়েছে।

৪। সর্বপ্রথম হিজরী বর্ষপুঞ্জি প্রকাশ করা হয়েছে।

৫। রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে চাঁদ দেখার প্রতিবেদন সংগ্রহ করে। বাইনোকুলার এবং টেলিস্কোপে চাঁদ দেখার প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয় না।

৬। দেশের ৬৪টি জেলায় রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের প্রতিনিধি রয়েছেন যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার পাবন্দ।

৭। রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস বিভিন্নভাবে লেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছে ও করছে।

৮। আন্তর্জাতিক মজলিস হওয়াতে বিদেশী সদস্যদের প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মজলিসের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়।

৯। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এ আলাদা সময় সূচি প্রকাশ করতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

১০। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার দিন-তারিখ বিশ্লেষণে কার্যক্রম নিয়ে থাকে।

১১। মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে চাঁদের উপর সিডি প্রকাশ করা হয়েছে।

১২। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে চাঁদ বিষয়ে পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।

১৩। প্রামাণ্য চিত্রসহ চাঁদ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এবং হতে থাকবে।

১৪। সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারের মাস গণনার পদ্ধতির ত্রুটির উপর প্রমাণাদি উপস্থাপন করা হয়েছে।

১৫। বিশ্বে প্রথম নামাযের সময় সূচিতে ইশরাক, দুহা (চাশত) এবং তাহাজ্জুদ ওয়াক্ত সন্নিবেশন করা হয়েছে।

যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল উমাম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যেহেতু রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠাপোষক, সেহেতু বিশ্বব্যাপী রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক হারে বাড়ছে। প্রায় প্রতি মাসে বিশেষ করে যে সকল মাসগুলোতে ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিন এবং রাত থাকে সে দিন এবং রাতগুলো সঠিকভাবে পালন করার জন্য আমল করার জন্য, দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য-অগণিত মানুষ হাতিফ বা ফোনের মাধ্যমে সঠিক তারিখ জেনে থাকেন। ফলে রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের সদস্য হওয়া, মজলিসের কার্যক্রমে সহায়তা করা মূলত ছদকায়ে জারিয়ার কাজে সহযোগিতা করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের কার্যক্রমে সংযুক্ত রাখার তাওফীক দান করুন। আমীন।

বাঁকা চাঁদ বা হিলাল দেখার শর্তসমূহ:

পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী আরবী মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া। অমাবস্যার পর চাঁদ যখন দেখা যাওয়ার আকৃতিতে আকাশে উদয় হয় তখন তাকে ইংরেজীতে ক্রিসেন্ট (ঈৎবংপবহঃ) এবং বাংলায় বাঁকা চাঁদ বলে। এটিই হচ্ছে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রথম চাঁদ, যাকে সম্মানিত ইসলামী পরিভাষায় ‘হিলাল’ বলে।

হিলাল বা বাঁকা চাঁদ কোন কোন চন্দ্রমাসে ২৯ দিন পূর্ণ হওয়ার পর প্রথম দেখা যায়। আবার কোন কোন চন্দ্রমাসে ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর পশ্চিম আকাশে প্রথম দেখা যায়। পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী কোন চন্দ্রমাসে ২৯তম দিন শেষে আকাশ মেঘলা থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলে সে মাসটি ৩০ দিন গণনা করে পরবর্তী মাস শুরু করতে হবে। আর মহাকাশ বিজ্ঞানের কিছু তথ্যের বা শর্তের মাধ্যমে ২৯তম দিন শেষে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভাব্যতা বিষয়ে সহজেই জানা যায়। তবে উক্ত শর্ত পুরোপুরি মিলে গেলেও চাঁদ দেখতে পাওয়ার আগাম ঘোষণা দেয়া যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত খালি চোখে চাঁদ দেখতে পাওয়া না যাবে। মহাকাশ বিজ্ঞানের শর্তগুলো কেবল চাঁদ দেখতে সম্ভাব্যতাকেই প্রকাশ করে, নিশ্চিত চাঁদ দেখা বুঝায় না। তাই, মহাকাশ বিজ্ঞান অনুযায়ী চাঁদ দেখা যাওয়ার আকৃতিতে পেঁৗছলেও শুধু সে তথ্য অনুযায়ী আরবী মাস শুরু করা যাবে না। খালি চোখে অবশ্যই চাঁদ দেখতে হবে।

ক) চাঁদের বয়স : অমাবস্যার পর থেকেই চাঁদের বয়স বাড়তে থাকে এবং এক সময় দিগন্তরেখায় চাঁদ দেখতে পাওয়া যায়। সাধারণভাবে ২৯তম দিন শেষে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৭ ঘন্টা থেকে ২৩ ঘণ্টা। আর সে কারণেই চাঁদ দেখতে পাওয়ার জন্যে অন্যান্য অনেক শর্তসমূহের মধ্যে চাঁদের বয়স একটি শর্ত।

খ) চন্দ্র-সূর্যের কৌণিক দূরত্ব : অমাবস্যার সময় চাঁদ-সূর্যের কৌণিক ব্যবধান শূণ্য ডিগ্রি। অমাবস্যার পর চাঁদ যত সরে আসতে থাকে সূর্যের সাথে তার কৌণিক ব্যবধানও বাড়তে থাকে। বর্তমানে বায়ুমণ্ডলের দূষণ, আলোর দূষণ এবং ধূলাবালির কারণে চাঁদ সূর্য থেকে ৯০-১২০ ডিগ্রী পর্যন্ত সরে আসার পর চাঁদ দৃশ্যমান হয়। এই পরিমাণ কোণ তৈরি করতে চাঁদের সময় লাগে প্রায় ১৭ থেকে ২৩ ঘণ্টা।

গ) চাঁদের উচ্চতা : খোলা মাঠের দিকে তাকালে যেখানে আকাশটা যমীনের সাথে মিশে গেছে বলে মনে হয়, সে স্থানটিকে দিগন্তরেখা বা উদয় রেখা বলে। যে চাঁদ সূর্যাস্তের সময় দৃশ্যমান হবে সাধারণতঃ সে চাঁদকে ৮০-১০০ ডিগ্রী উচ্চতায় বা তার চেয়েও অধিক উচ্চতায় অবস্থান করতে হয়। যদি সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার ৮০-১০০ ডিগ্রী বা এর উপর অবস্থান করে, তাহলে সময়ের সাথে সাথে চাঁদ ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে থাকে এবং এভাবে নামতে নামতে কেবলমাত্র দিগন্তরেখা থেকে ৪০-৫০ ডিগ্রী উপরে অবস্থান করলে ২৯তম দিন শেষে চাঁদকে দেখা যায় বা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ঘ) চন্দ্রাস্ত ও সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্য : চন্দ্রাস্ত ও সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্য হয় যদি ৪২ মিনিট তবে প্রথম ১০ মিনিট এবং শেষ ১০ মিনিট চাঁদ দেখা যায় না। মধ্যবর্তী ২০ মিনিটের শেষ ১০ মিনিটের মধ্যে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং যখন চন্দ্রাস্ত এবং সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্য ৪২ মিনিট হয় তখন সময়কে ৪ ভাগ করে তৃতীয় ভাগে চাঁদ খেঁাজার জন্য সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

১ বাঁকা চাঁদ দেখার জন্য সাধারণতঃ ১৫-৩৫ মিনিট ধৈয্যর্ ধরতে হয়।

১ একবার দেখে ফেললে চোখ সরিয়ে নিয়ে আবার তা দেখতে হবে।

১  সবসময় না হলেও সচরাচর ২৯ দিনের চাঁদ হয় চিকন এবং অবস্থান করে দিগন্ত রেখার খুব কাছে এবং

১ ৩০ দিনের চাঁদ হয় তুলনায় বড় এবং অবস্থান করে উচ্চাকাশে।

নিম্নে চাঁদ দেখার শর্তসমূহ ছকের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো :

ঙ) আজিমাত (অুরসঁঃয) : চাঁদ প্রতি মাসে একই স্থানে দেখা যায় না। পশ্চিমের ডানে ও বামে সরে সরে আসে। যখন আজিমাত ২৭০ ডিগ্রী বলা হবে তা হবে সরাসরি পশ্চিমে। ২৭০ ডিগ্রী এর বেশি আজিমাত হলে চাঁদ খঁুজতে হবে পশ্চিমের ডানে এবং ২৭০ ডিগ্রী এর কম হলে চাঁদ খঁুজতে হবে পশ্চিমের বামে।

উপরোক্ত শর্তগুলো মেনে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করে কেবল বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ওমান ২৯তম দিন শেষে চাঁদ তালাশের আয়োজন করে থাকে। বাকি অন্যান্য দেশ সম্মানিত শরীয়ত বিরোধী বিভিন্ন মনগড়া পদ্ধতিতে আরবী মাস গণনা করে থাকে। নিম্নে বিভিন্ন দেশের মনগড়া পদ্ধতিগুলো ছকের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো-

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত হানীকারীদেরশরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মান মুবারক হানীকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আখাছ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ ফতওয়া মুবারক (৪১তম পর্ব)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত ও দিন মুবারক উনাদের সম্মানিত আমল মুবারকসমূহ উনাদের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৬৮তম পর্ব)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- (পর্ব-৪৩)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ ও মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৮৩

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মানমুবারক হানীকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃ্ত্যুদণ্ড এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আখাছছুল খাছ সম্মানিত ফতওয়া মুবারক (৪০তম পর্ব)