মুক্তিরাজ

সংখ্যা: ০৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

খোদার হাবীব, পরম প্রেমিক সেই তো নূরের তাজ,

সৃষ্টিকুলের রহমত তিনি, তিনিই মুক্তিরাজ।

সরদারে নবীর প্রথম নূরই সৃজিলেন রহমান,

ঐ নূরের আশিকে মজনু, খোদায় সৃষ্টিতে মহীয়ান।

আরশ-কুরছি, লৌহ-কলম, সপ্ত আকাশ ভূমি,

জ্বীন, ফেরেশতা, বেহেশত দোযখ, কালের দিবস যামী।

সাগর-পাহাড়, পবন-পানি, তারকা-সুর্য-চাঁদ,

জড়-উদ্ভিদ প্রাণীর পরান, হুজুর নূরেতে বাদ।

হুজুরের নূর পুলকে ভরিল, মানবের দিলমাত,

আগমন হলো মানব সুরতে, মানব শ্রেষ্ঠ জাত।

কেমনে গাহিব গুণগান উনার, আমার সাধ্য ক্ষয়,

কুল তরনের কালি, কঠিনের বলি, ফলিত্য হইছে লয়।

প্রশংসা বাহির গাহিবে যেমন, আহমদ ছাড়া নাই,

প্রশংসা খোদার পাইবে তেমন মুহম্মদ পুরোটাই।

বেহেশতী পাতায়, আরশ কপালে হুযূরের নাম ঐ লেখা,

দীদার হইলো মী’রাজ রজনীতে, স্বয়ং স্রষ্টা সখা।

এমনই শ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত মোরা, কি দিয়া করিব শুকরিয়া,

মিনতি করি দয়াময় দ্বারে হইনা যেন গো দেউলিয়া।

ধরনীর মাঝে মারামারি আজ, হাসিল ঘৃণ্য ছবি,

মুক্তির বানী শুনাইছে ফের ঈদে মিলাদুন নবী।

যে, বানী যন্ত্রণা আর গঞ্জণা ভেদী শান্তিতে স্থির,

পৃথিবী জুড়িয়া মুখরিত করে নারায়ে তকবীর।

যাহার প্রেমের পরশে ধরনী পাইলরে পরিচয়,

কুল শত্রু নহে, বন্ধু ভাবিয়া সবারে করিল জয়।

সে নবীর ডাকের ঘুর্ণিঝড়ে মরুতে তুলিল ঝড়,

মুরদা তাই আফসোস তরে হিংসায় জরজর।

ইবলিশি চাল ভেঙ্গে গেল ঐ সত্রের বাহুবলে,

কুচক্রী জাল জ্বালিয়া ভস্ম আসলের দারানলে।

মাওলা প্রেমিক রসূল মোদের দিশার জ্যোতিস্ময়,

সর্বকালের সর্বসময়ে রহমতরূপে রয়।

হায় কোথা সেই শান্তিসুধা ধরণীর পরে আজ,

কোথা গেল সে সাম্যের ধরণী ন্যায়ের মুখেতে বাজ।

আখেরে বাঁচিতে, অলস তালাকে সুন্নতে পথ ধরি,

ওরে দিশাহারা, ফিরে আয় তোরা তাড়াতাড়ি।

আজও আছে সেই কুরআনের বাণী, বাঁচার তাগিদে ধরা,

আজও আছে সেই রাসূরে সুধা হাদীছের পাতা ভরা।

সৃষ্টির সেরা নবীজী মোদের, কোথায় রহিছ হায়,

মুসলিম মাঝে খুনো খুনি তব দুর্গ ধ্বসিয়া যায়।

এসো হযরত, হাবীব খোদার আঁধার ঘোচাতে তাই,

ধর্মের গদি রক্ষার তরে, তব ছাড়া গতি নাই।

গোত্রে গোত্রে কাটাকাটি আজ মিথ্যারে করে

পাপের সাগরে ডুবিয়া তাহারা, সত্যরে করে ক্ষয়।

নকল নকলে হানাহানি তাই, স্বার্থের বাজি লাগে,

ধর্ম কাতারে শোরগোল করিয়া লেজটা তুলিয়া ভাগে।

দুর্বল তাই কাঁপিতেছে ভয়ে দাঁতে দাঁত ঢুক ঠুকি,

কোথায় শান্ত মায়ার দুনিয়া খুঁজিতেছে লুকি লূকি।

তব দ্বীনে আরব, বেদ্বীন, ভেদাভেদ ভুলে হায়,

কাতার সমেত শান্তি তাবুতে আশ্রিত নিরালায়।

আজ জ্বালিছে ঐ আরব আজমে, মুসলিম দৌরবী

দাওগো শক্তি ছবক, বন্ধু খোদার হে বীর নবী।

হে হাবীব দেন ফয়েজ, ধৈর্য ধরিতে পারিনা আর

মোনাফিকের তীব্র ছোবলে হয়ে যাই ….

সুন্নারে মোরা দুরে ফেলিয়া ধরেছি বেদ্বীন ……

তিরস্কারের খেরকা পরিছি মিলিয়াছে জিল্লত।

দাও হযরত খোদার শপথ, টলিব না আর কভু

সুন্নী সুরতে সাজিব মোরা হবনাকো আর নিভু।

সত্যের তব খর তরবারে মিথ্যারে কর শেষ

আল্লাহ আপনি পরম বন্ধু বান্দা মাধুরী বেশ।

আপনাতে আসিল কুরআনের বাতি, জ্বলিল বিশ্ব মাঝ,

আপনাতে ভাগিল খবিছি গালিচা, শয়তান পাইল লাজ।

দুর্জয়বেগে বজের সম হযরত কহো আজ,

দুবঅর ধরণী দিলপর শুনি, শুদ্ধি করিব কাজ।

খর দুর্দিন, বড় দুর্যোগ, ত্রাসেতে করেছে ভর,

রওজার দ্বার খুলিয়া আবার, আস হে পয়গম্বর।

অধুনা যুগাতে জাগাতে আবার মুসলমানের মান,

বেঈমানী পাত হকের পরেতে তুমিই দীপ্ত প্রান।

-বিদ্রোহী কবি মুহম্মদ শেখ মুফাজ্জল হুসাইন

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৯০

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৮

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৭

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬

খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে