মুনাফিকী আর জিহালতির ধারাবাহিকতায় মাসিক মুহীনুল ইসলামের আরেক সংযোজন সেপ্টেম্বর/২০০১ ঈসায়ী সংখ্যার বাইয়্যিনাত বিষোদগারের জবাব (২)

সংখ্যা: ৯৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

হক্কানী-রব্বানী পীর ছাহেবের ক্ষেত্রে আটটি গুণের অধিকারী হওয়ার কথা ওরা উল্লেখ করেছে। প্রথমতঃ বলেছে, ইসলামী শরীয়তের পরিপূর্ণ অনুসারী হতে হবে। এ শর্তের প্রেক্ষিতে বলতে হয় যে, বহু পূর্ব হতেই রাজারবাগ শরীফ উনার পক্ষ থেকে মাসিক আল বাইয়্যিনাতে প্রকাশ্য বাহাসের চ্যালেঞ্জ দিয়ে নি¤েœাক্ত শিরোনামে বলা হচ্ছে,

“প্রকাশ্য বাহাসের চ্যালেঞ্জ”

রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইসলামের সকল বিষয়েই আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত তথা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস সম্মত আক্বীদা পোষণ করেন এবং প্রতি ক্ষেত্রেই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস তথা পরিপূর্ণ শরীয়তকে অনুসরণ করেন। যারা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায ও উনার আক্বীদা-আমল সম্পর্কে মিথ্যা বলে তাদের প্রতি রাজারবাগ শরীফ উনার তরফ থেকে শর্ত সাপেক্ষে প্রকাশ্য বাহাস ও চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করা হচ্ছে।”

বলাবাহুল্য মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল, যামানার মুজাদ্দিদ, ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুহইস সুন্নাহ, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পরিপূর্ণভাবে শরীয়তের পায়রবি করেন বলেই উনার বিরোধীতাকারীরা এ পর্যন্ত এ বাহাসের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে আদৌ সফল হয়নি। পক্ষান্তরে তার বিরোধীতাকারীদের অনেক অনেক বিদয়াত ও বেশরা কাজ পর্যায়ক্রমে মাসিক আল বাইয়্যিনাত এ তুলে ধরার পরও, তারা তা খ-াতে পারেনি। অর্থাৎ কিনা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় বিরোধী মহলেরই বেশরীয়তী কাজ জনসম্মুখে প্রকাশ পেয়েছে।

দ্বিতীয়তঃ শিরক-বিদয়াত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে। প্রসঙ্গতঃ হাদীছ শরীফ উনার আলোকে বলতে হয়, ক্বিয়ামতের ময়দানে ঐ ব্যক্তির সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে যে ছবি তোলে বা আঁকে। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়, ছবি তোলাতে প্রকারান্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শিরক করা হয়। কারণ বান্দাও প্রকারান্তরে ছবি তোলা প্রাণীর একটা সৃষ্টির দাবীদার হয়ে যায়। এজন্য আরো বলা হয়েছে যে, যারা প্রাণীর ছবি তুলেছে তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন সেগুলোতে প্রাণ দিতে। কিন্তু তারা তাতে অক্ষম হবে। তখন মহান আল্লাহ পাক নিজেই তাতে প্রাণ দিবেন। সেগুলো তখন জিন্দা হয়ে ছবি তুলনে ওয়ালাকে পাকড়াও করবে। অর্থাৎ কিনা শিরকের বিষয়টি এখানে বড় অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য।

প্রসঙ্গতঃ বলতে হয় যে, নামধারী আলিমরা যখন ছবি তোলার মত শিরকী কাজে পরিপূর্ণ নিমজ্জিত তখন মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত ও রহমত, মুজাদ্দিদে যামানা ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি শিরকী কাজ থেকে বেমেছালভাবে মুক্ত বরং এই শিরকী কাজ তথা ছবি তোলার বিরুদ্ধে খড়গ হস্ত। উনার মাসিকল আল বাইয়্যিনাত এ ৩৫৩টিরও বেশি দলীল-আদিল্লাহ দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে যে, ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা সবই শরীয়তের দৃষ্টিতে নাজায়েয ও হারাম।

পাশাপাশি শুধু ছবি তোলাই নয়, নামধারী কোন কোন আলিম ইসলামের নামে কারো কারো মূর্তি তৈরি করে সেটাকে আগুনেও পুড়িয়ে থাকে অর্থাৎ তারা মূর্তি পূজা তথা মহা শিরকী কাজই করে থাকে। বলাবাহুল্য, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালায় তারাই এ শিরকী কাজের সাথে জড়িত হয়েছে। পক্ষান্তরে রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মাঝে এধরণের কোন চিহ্ন তো দূরের কথা বরং তিনি বেমেছালভাবে এসব শিরকী কাজের প্রতিবাদে সোচ্চার। এ বিষয়ে তার তেজস্বী ওয়াজ, বটে। আর এ বিষয় গুলো এটাই প্রমাণ করে রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে অপবাদ রটনার জন্য ওরা যে আটটি মানদ- নির্ধারণ করেছে তার মূল্যায়ণেও ওরাই নাহক্ব প্রমাণিত হয়। আর ওদের একান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি শুধু হক্বই নন বরং বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ বলে সাব্যস্ত হন। (চলবে)

-মুহম্মদ আরিফুর রহমান, ঢাকা।

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

ইসলামী বিশ্বকোষের আলোকে বালাকোট যুদ্ধের ইতিহাস- (৪)

তিনি কি শের-ই-বাংলা, না শের-ই-মুনাফিক (২)

একই অঙ্গে বহুরূপে সজ্জিত, বিকৃত মস্তিস্ক সম্পন্ন স, আ, ত, ম আলাউদ্দীনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে