খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সংখ্যা: ২৯৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

(কাদিয়ানী রদ!)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়েখ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত ‘কাদিয়ানী রদ’ কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত)। আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ পত্রিকায় ইতিপূর্বে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেছি। পাঠকদের অনুরোধে তা পুনরায় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে কাদিয়ানীসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুসারীদের ঈমান আক্বীদার হিফাযত হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন। আমীন!

যদিও তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

মির্জা গোলাম প্রতিশ্রুত মাহদী হতে পারেন কিনা?

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

পাঠক, মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানি, সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বংশধর ছিল না, হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার নাম মুহম্মদ আলাইহিস সালাম ও উনার পিতার নাম মুবারক আবদুল্লাহ আলাইহিস সালাম হবেন, আর মির্জা কাদিয়ানী মোগল বংশধর ছিল, তার নাম গোলাম আহমদ এবং তার পিতার নাম গোলাম মোরতজা। হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম মদিনাবাসী হবেন, লোকেরা মক্কা শরীফে উনার নিকট বাইয়াত হবেন, উনার মাথার উপর একখন্ড মেঘ হতে একজন ফেরেশতা আলাইহিস সালাম ঘোষণা করে বলবেন যে, ইনি খোদা তায়ালা উনার খলীফা মাহদী আলাইহিস সালাম, উনার তাবেদারি করো। মির্জা কাদিয়ানী পবিত্র মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ গমন করেনি। সে মদিনাবাসী নয়। হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার জিউভা বা জিভ ভারি বা মোটা হবেন। কিন্তু

মির্জা কাদিয়ানীর জিউভা বা জিভ ভারি বা মোটা ছিলো না। উনার প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে তুরস্ক রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে, পবিত্র মদীনা শরীফ প্রায় আবাদহীন হয়ে যাবে, খয়বর অবধি মুসলমানদের অধিকারভুক্ত থাকবে, উনার খিলাফত বিঘোষিত হলে, শামদেশ হতে উনার বিরুদ্ধে দুইদল সৈন্য প্রেরিত হবে, একদল যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে যাবে, অন্যদল ‘বয়দা’ নামক স্থানে বিধ্বস্ত হয়ে যাবে। তিনি খৃষ্টানদের সাথে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ করে জয়ী হবেন, শাম ও কনষ্টান্টিনোপল অধিকার করবেন।

মির্জা কাদিয়ানীর সময় এই সমস্ত কিছুই সংঘটিত হয়নি, বরং সে জিহাদের ভয়ে আত্মহারা হয়ে কত কিছু মন্তব্য প্রকাশ করেছে। হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার সময়ে বহু পৌত্তলিক, ইহুদী ও খৃষ্টান মুসলমান হয়ে যাবে এমনকি যেন দুনিয়া দ্বীন ইসলামে পূর্ণ হয়ে যাবে। মির্জা কাদিয়ানীর সময়ে অধিকাংশ বিধর্মী মুসলমান হয়নি, বরং সে নিজের সামান্য সংখ্যক লোক ছাড়া প্রায় ৬০ কোটি মুসলমানের উপর কাফেরি ফতওয়া দিয়াছে। নাউযুবিল্লাহ! হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার সময়ে অর্থের এত আধিক্য হবে যে, লোকেরা তা বহন করে নিয়ে যেতে কষ্ট অনুভব করবে, পক্ষান্তরে মির্জা কাদিয়ানীর সময়ে অর্থের এত অভাব ছিল যে, সে অনবরত লোকের নিকট হতে চাঁদা সংগ্রহ করতো এমনকি অর্থশালী হয়েও যাকাতের টাকা গ্রহণ করতো।

উপরোক্ত কারণে বেশ বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম প্রকাশিত হওয়ার সময় এখনও উপস্থিত হয়নি। আর হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার একটি চিহ্নও মির্জা কাদিয়ানীর মধ্যে পাওয়া যায় না, কাজেই সে ইমাম মাহদী হতে পারে না। মির্জা কাদিয়ানী যখন দেখলো যে, হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার চিহ্নগুলি তার মধ্যে নেই, তখন সে নিরাশ হয়ে হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার সংক্রান্ত বর্ণিত হাদীছ শরীফগুলো জঈফ ও বাতিল বলে ফেললো।  নাউযুবিল্লাহ! (চলবে)

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র। খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সপ্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র- ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াাত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াাত অস্বীকারকারী স¤প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড