আল বাইয়্যিনাত-এর শততম সংখ্যা প্রকাশের পর্যালোচনা আর বাইয়্যিনাত এমন এক পত্রিকা যা সমগ্র উম্মাহর জন্য বেমেছাল রহমত স্বরূপ

সংখ্যা: ১০০তম সংখ্যা | বিভাগ:

“যখন আসবে মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য ও বিজয়। এবং আপনি মানুষকে দলে দলে মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন।”

মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম রহমতে মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর ১০০তম সংখ্যা প্রকাশের প্রাক্কালে আজকের অনুভূতিটা যেন কুরআন শরীফ উনার উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনারই প্রকাশ পেয়েছে।

আজকে যদি আমরা পেছনে ফিরে তাকাই, চলে যাই মাসিক আল বাইয়্যিনাত প্রকাশের পূর্বকালে তাহলে এখনও আমাদের সামনে ভেসে উঠে সেই ঘোর অমাশিার তমসাবৃত চিত্র। যেটা অনেকটা যেন সেই আইয়ামে জাহিলীয়াতেরই প্রতিচ্ছবি।

যখন আলিম দাবীদারদের কোন জবাব দিহিতা ছিলনা, কোন স্বচ্ছতা ছিলনা, কোন দায়িত্ববোধ ছিলনা, ছিল স্বেচ্ছা চারিতা, মূর্খতা আর দায়িত্বহীনতা। ইসলামের নামধারী পত্রিকাগুলো যে যার ইচ্ছামত লিখতো যা কিছু ইচ্ছা রায় দিতো। কিন্তু এ সম্পর্কে কোন দলীল প্রমাণ বা জবাবহিদী করার প্রবৃত্তি তাদের মোটেই ছিলনা।

প্রকাশিত লিখার প্রেক্ষিতে যে মানুষ দলীল চেয়ে পাবে ও পেতে পারে এ ধরণের কোন জবাবদিহি বোধ তাদের ছিলনা। তারা যা কিছু লিখতো তা কোথা থেকে লিখতো, কোন কিতাব থেকে লিখতো তা উল্লেখ করার মত কোন স্বচ্ছতাও তাদের ছিলনা তদুপরি একটি ভুল মাসয়ালা লিখলে তার উপর আমল করলে সমূদয় গুণাহ যে তাদের উপর বর্তাবে সে ধরণের কোন দায়িত্ববোধও তাদের ছিলনা।

অর্থাৎ ছয়লাব ছিল উলামায়ে ‘সূ’দের এক প্রবল অরাজকতায়। কিন্তু আবু দাউদ শরীফ উনার হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে যা ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে একজন করে মুজাদ্দিদ পাঠাবেন।”

ঠিক যথাসময়ে গর্জে উঠল, বর্তমান শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলাদুর রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পৃষ্ঠপোষকতায় বর্তমান যামানার তাজদীদী মুখপত্র- ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত।’

মাত্র একশত সংখ্যার অবকাশে আল বাইয়্যিনাত যেন গোটা পৃথিবীকে পাল্টে দিয়েছে, বাতিলের মুখোশ উম্মোচন করে দিয়েছে, ইসলামী ইনকিলাব তৈরি করেছে। আল বাইয়্যিনাত-এর এই বেমেছাল ও বেপরওয়া ভূমিকা রীতিমত গবেষণার বিষয়। সংক্ষিপ্ত পরিসরে যা উল্লেখ করা হলো মূলতঃ আল বাইয়্যিনাত সম্পর্কে তা না বলারই নামান্তর। তবুও এ লিখা এ ধরণের একটি দুর্লভ প্রয়াস মাত্র।

আল বাইয়্যিনাত মুফতী মাওলানাদের জ্ঞানকে পূর্ণ ও সমৃদ্ধ করে দিচ্ছে

পাশাপাশি কথিত মুফতী মাওলানাদের জ্ঞানও একইভাবে অনেক বাড়ে। কারণ আল বাইয়্যিনাতে যে ব্যাপক দলীল দেয়া হয় তা সাধারণভাবে কোন ব্যক্তি তো নাই, এমনকি কোন মাদরাসা বা অপর কোন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের জন্যও সংগ্রহ করা সত্যিই দুস্কর। কারণ মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর এই দুর্লভ সংগ্রহশালা গড়ে উঠেছে এর প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক, ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলাদুর রসূল, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল প্রজ্ঞা, প্রচেষ্টা তথা উনার অব্যক্ত রূহানিয়তের সমৃদ্ধি বলে। যা আর কারো পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়।

আল বাইয়্যিনাত সাধারণ মানুষকে দলীল শব্দের সাথে সম্পৃক্ত করেছে, তাদের দলীল চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেছে

এতদিন ছিল যখন দলীল চাওয়া-পাওয়া এবং বর্ণনা করা যেন কেবল কথিত আলিম উলামাদের ব্যাপার ছিল; কিন্তু মাসিক আল বাইয়্যিনাত সে কায়েমী ধারণার ভিত্তিমূলে আঘাত হেনেছে। আর বাইয়্যিনাত-এর উছীলায় এখন তারা জেনেছে যে, মুসলমানদের অবস্থা দুটি। এক যদি তারা না জানে তবে জিজ্ঞেস করা তাদের ন্যায্য অধিকার। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তোমরা যারা জাননা, যারা জানেন তাদের কাছে জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।”

মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর সুওয়াল-জাওয়াব, ফতওয়া ইত্যাদি পড়ে সাধারণ মানুষ এখন “এত প্রশ্ন করতে হয়না, এত দলীল জিজ্ঞেস করতে হয়না।” উলামায়ে “সূ”দের দাবিয়ে রাখার এই ভয়-ভীতিকে উপেক্ষা করতে শিখেছে। তাদের বিশ্বাস জন্মেছে যে, জানতে চাওয়া তাদের ঈমানের অধিকার, আর সে অধিকার বলে শুধু জিজ্ঞাসা করাই নয় বরং জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে জবাবের দলীর জানতে চাওয়াও তাদের আরো ন্যায্য অধিকার। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক তবে দলীল সমূহ পেশ কর।”

প্রসঙ্গতঃ আরো উল্লেখ্য যে, মাসিক আল বাইয়্যিনাত পাঠ করে সাধারণ মানুষ এখন আর গৎবাধা একটি বা দুটি দলীল বা কিতাবের নাম শুনেই পরিতৃপ্ত হয় না। তারা আজ পেতে অভ্যস্ত হয়েছে মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মাধ্যমে ডজন ডজন তথা শত শত দলীল বা কিতাবের প্রমাণ।

তাই সাধারণ মানুষও আজ অবগত হয়েছে, হেদায়া, বেকায়া, নেহায়া, এনায়া, ফতহুল বারী, ফতহুল ক্বাদীর, দুররুল মুখতার, গায়াতুল আওতার, মারাকিউল ফালাহ, নুরুল ইজা, মালাবুদ্দা মিনহু, রুদ্দুল মোহতার, শামী, তিবী, তালীকুছ্ছুী, তারারখানিয়ায়া, খোলাছা, বাহরুর রায়েক ইত্যাদি শতশত প্রামাণ্য কিতাব সম্পর্কে।

আল বাইয়্যিনাত সাধারণ মানুষকে, উলামায়ে ‘সূ’দের চ্যালেঞ্জ করার হিম্মত গুয়িছেছে।

আল বাইয়্যিনাত সাধারণ মানুখকে, উলামায়ে ‘সূ’দের দাবিয়ে রাখার হুমকীতেও আর তারা থেকে থাকছেনা, তারা মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর তাছিরে আজ বুকটান তরে উলামায়ে “সূ”দের হারাম আমল সমূহের কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার এবং তদপ্রেক্ষিতে দলীল চাওয়ার হিম্মত পাচ্ছে। তাদের দেয়া মনগড়া, ভিত্তিহীন জবাবের পরিবর্তে মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর উছলীয় উলামায়ে “সূ”দের কৃত ছবি তোলা, লংমার্চ, হরতাল, ব্লাসফেমী, মেয়েলোকের নেতৃত্ব গ্রহণ, ইসলামের নামে নির্বাচন, গণতন্ত্র ইত্যাদি হারাম হওয়ার দলীল প্রমাণ জানছে এবং আল বাইয়্যিনাত-এর দলীল হাতে নিয়ে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতে উলামায়ে ‘সূ’দেরকে চ্যালেঞ্জ করার মত কুওত পাচ্ছে।

আল বাইয়্যিনাত এমন এক নিয়ামত, যা ফিৎনা তথা গৃহযুদ্ধ থেকে হিফাজতের কারণ

মহান আল্লাহ পাক তিনি, “তোমরা সকলে মহান আল্লাহ পাক উনার রজ্জুকে শক্তভাবে ধারণ কর এবং তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়ো না। আর তোমরা সে নিয়ামতের কথা স্মরণ কর যা মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের দিয়েছেন।”

বলাবাহুল্য, বর্তমান যামানায় দলীলবিহীন, মনগড়া ও ভ্রান্ত ফতওয়া জনিত কলহ-কোন্দল, যার পরিণতি একটা সম্ভব্য গৃহযুদ্ধ, তা থেকে নাযাত লাভ করে মহান আল্লাহ পাক উনার রজ্জুকে শক্তভাবে ধরার একমাত্র উছিলারূপে পেতে পারি। আল বাইয়্যিনাত উলামায়ে “সূ”দের কবল থেকে ঈমান হিফাযতের উছীলা

গভীর পরিতাপের বিষয় যে, মর্তমানে বাজারে এমন কিছু পুস্তক পত্রিকা, ওয়ায়েজ তথাকথিত আলিম বিদ্যমান যাদের কথা বিশ্বাস করলে ঈমান হারা হয়ে চির জাহান্নামী হতে হয়। যাদের প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, “আখিরী যামানায় এমন কিছু মিথ্যাবাদী দাজ্জালে-কাজ্জাব বের হবে যারা এমন সব কথা বলবে, যা তোমরা শোননি এমনকি তোমাদের বাপ-দাদারাও শোনেনি।”

মূলত, এই হাদীছ শরীফ উনার প্রতিফলন আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে লক্ষ্যনীয়। আজকে উলামায়ে ‘সূ’রা আবহমান কাল ধরে মুসলিম মূল্যবোধে যে সব কাজ হারাম ও খারাপ বলে মূল্যায়িত হয়ে আসছে সেগুলোকে তারা হালাল করছে। তারা হালাল করছে ছবি, মেয়েলোকের নের্তৃত্ব, বিজাতীয় বিধর্মীদের কর্মসূচী তথা লংমার্চ, হরতাল, মৌলবাদ, ব্লাসফেমী আইন, ইসলামের নামে নির্বাচন ইত্যাদি যাবতীয় হারাম কাজ। কিন্তু মাসিক আল বাইয়্যিনাতে এসব কাজ বিস্তারিত দলীল আদীল্লা সহকারে হারাম প্রমাণ করে দিয়েছে ফলে উলামায়ে ‘সূ’দের মনগড়া ব্যাখ্যা ও খোড়া যুক্তির অসারতা এবং কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ বুঝতে পেরে মানুষ ঐসব হারাম কাজকে হারাম মনে করতে পারছে। মূলত, তাদের ঈমান হিফাযত হচ্ছে।

মাসিক আল বাইয়্যিনাত অকাট্য তাজদীদী মুখপত্র

আরবীতে দুটো কথা আছে, “ইবনুল ওয়াক্ত” “আবুল ওয়াক্ত।” “সময়ের সন্তান” আর “সময়ের পিতা” সময়ের প্রবাহমান ¯্রােতে সিক্ত হয়ে যেখানে নামধারী নাকেছ আলিম তথা উলামায়ে ‘সূ’রা যুগের সাথে তাল মিয়ে হাজারো হারাম কাজে যুক্ত হয়ে সময়ের সন্তান রূপে গণ্য হচ্ছে সেখানে আল বাইয়্যিনাত সব প্রয়োজনীয় বিষয়ে তার অকাট্য তাজদীদী রায় প্রকাশ করে দিয়েছে। করেছে ছবি তোলা, লংমার্চ, হরতাল, মৌলবাদ, ব্লাসফেমী, ইসলামের নামে নির্বাচন ও গণতন্ত্র, রোযাবস্থায় ইনজেকশন ইত্যাদি অনেক অনেক বিষয় সম্পর্কে অকাট্য তাজদীদ।

আল বাইয়্যিনাত, তাৎক্ষনিকভাবে আন্তর্জাতিক মুসলিম বিরোধী চক্রান্ত সম্পর্কে জাতিকে অবহিত করেছে

আল বাইয়্যিনাত হুজুগে মাতালদের বিপরীতে উম্মাহকে সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছে। উপসাগরীয় যুদ্ধে নামধারী আলিমরা যখন সাদ্দাম হুজুগে মেতে ঝড় তুলেছিল তখন আল বাইয়্যিনাত দ্বীপ্ত পদক্ষেপে ছহীহ ভূমিকা পালন করেছিল। পাশাপাশি বর্তমানেও নামধারী আলিমরা যখন, ওসামা বিন লাদেন হুজুগে মত্ত তখন তাৎক্ষনিকভাবেই মাসিক আল বাইয়্যিনাত থেকে লাদেন ও তালেবান সম্পর্কে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছে। আর আজকের ঘটনাপ্রবাহের ব্যক্ত করা হয়েছে। আর আজকের ঘটনাপ্রবাহের সত্যতায় এটাই অবারো প্রতীয়মান হয় যে, মাসিক আল বাইয়্যিনাতই যামানার যে কোন বিষয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে দিতে পারে দূরদৃষ্টি ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন সঠিক সিদ্ধান্ত।

মাসিক আল বাইয়্যিনাত দলীল বর্ণনার ক্ষেত্রে যুগান্তরকারী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে

দলীলের সংখ্যার ক্ষেত্রে মাসিক আল বাইয়্যিনাত ইসলামী প্রকাশনার জগতে অকল্পনীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। আল বাইয়্যিনাত-এর শততম সংখ্যা প্রকাশে এ যাবত ফতওয়া দেয়া হয়েছে ২০টি কিন্তু তাতে দলীল উল্লেখ করা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার সাত শত, মোট সুওয়াল-জাওয়াব দেয়া হয়েছে, ১,৪৩৪টি, আর দলীল দেখা হয়েছে, ১২,৪৪০টি।

মাসিক আল বাইয়্যিনাত সবাইকে সুন্নত শিখিয়েছে

এতদিন যাবত যা হত আলিমরা বলতেন, রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক হুযূর পাক উনার সুন্নত পালন কর, সুন্নত পালন কর। কিন্তু সুন্নতের বর্ণনা যে কি তা তারা নিজেরাও জানতেননা। আর বলতেও পারতেননা। কিন্তু মাসিক আল বাইয়্যিনাত দলীল, প্রমাণ এমনকি ছবি দিয়েও এক্ষেত্রে বেমেছাল ভূমিকা পালন করেছে। এখন ইনশাআল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত কোন বিষয়ে কি সুন্নত, কেবল জিনিস সুন্নত জানতে ও পালন করতে মানষের আর কোন সমস্যা থাকবেনা। আর এ সব কিছুই হয়েছে মুহইস সুন্নাহ রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বদৌলতে।

আল বাইয়্যিনাত-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ

আল বাইয়্যিনাত-এর তুলনা আল বাইয়্যিনাত। দিগন্ত প্রসারী তাজদীদ, বেমেছাল ভূমিকার পেছনে কারণ একটাই- এটি, ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুহইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান আওলাদুর রসূল রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিলা আলাইহিস সালাম উনার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত। এটি তার তাজদীদী মুখপত্র। সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য এক অনবদ্য রহমত।

-মুহম্মদ নূরুর রহমান, রমনা, চিলমারী, কুড়িগ্রাম।

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

ইসলামী বিশ্বকোষের আলোকে বালাকোট যুদ্ধের ইতিহাস- (৪)

তিনি কি শের-ই-বাংলা, না শের-ই-মুনাফিক (২)