দেখি মুসলিমি আমিরীন,
আজও ইতিহাসের সৌর্যাকাশেই, চমকিছে বলসিন।
ওই ম্লেচ্ছ-যবন, ইহুদী-নাছারা তামাম মুশরিকীন,
তারা মুসলমানের জজবাহি জোশে বিব্রত সারাদিন।
আজ অসহায় হয়ে ইজরাইল কেন পাড়ি দেয় ভিন দেশে,
ওই বীর ইরানের মিসাইলাঘাতে ইহুদীরা রয় পিশে।
ওই তেল আবিবসহ পুরোটা রাজ্য ব্যাপী,
দেখি চুরমার শহর বাজার, একাকারে রয় ছাপি।
ফের কুখ্যাত ওই কেডি কুকুর আমেরিকা চিল্লায়,
ওই পরাজয়ের তিমির তুফানে মার খেয়ে দৌড়ায়।
নির্ভর্ীক হিজবুল্লাহ, হামাস, হুতিরাসহ ইরানের যোদ্ধারা,
আমেরিকা ঘাঁটি দিচ্ছে উড়ায়ে ঝাঞ্জা ড্রোনেই পুরা।
করে চুরমার অসংখ্য মিসাইলে, ইহুদীর বাড়ি ঘর,
লড়ে অপ্রতিরোদ্ধ মুজাহিদ সবে দূর্দমে বিস্তর।
বিশ্ব তাগুত রয় ভর্কায় মু’মিনী যুদ্ধ দেখে,
শক্তিশালী অস্ত্র নেড়েও মরতেছে লাখে লাখে।
ওই ওই বীর, হিম্মতে হাজির ইরানী মুসলমান,
দেখে ঝাকে ঝাক, অস্ত্রে অবাক, ইহুদী হয় বিরান।
সাগর ও পাহাড় তলদেশ থেকে ইরানীরা বের করে,
সজ্জিত মিসাইল তাজা তাজা বোমে কঠিন শক্তি জুড়ে।
করে ইহুদী নাছারা দেশে দেশে যেয়ে আর্তনাদের ধ্বণি,
হায়, বাঁচাও বাঁচাও চিৎকারে তারা, জানায়ে আকুতিখানি।
সেই আকুতি শুনেও শুনেনা বিতাড়িত শয়তান,
কেঁদে কেঁদে হায় মাথা আছড়ায় মুশরিকও হয়রান।
নাছারাসহ নাস্তিকি দেশ যত আছে পৃথিবীতে,
সবে মুসলমানের গর্জনে চুপ, বিবিধের অজুহাতে।
করবেনা কেউ ইহুদীদের আর বেহুদা সমর্থন,
ফের, স্বজাতি ওই আমেরিকাও করতেছে বিভাজন।
আজ, মুসলমানের তামাম দেশ গেঁথে আছে এক ডোরে,
লৌহ কঠিন ঐক্য কাতারে এক চুলও নাহি নড়ে।
ঐক্য তা’লীমে রয় মুসলিমে ইসলামী আঞ্জামে,
রয় মুসলমানের মুসলমানিত্ব শুরু হতে অনুপমে।
শুনুন যুগে যুগে জাগে মুসলিম মাঝে ইমামে জামিনদার,
উনার দোয়া ও ফায়িযে জিন্দাহ, মু’মিনে বারংবার।
পেতে খোদায়ী খাইর হাবীবী আবির তিনি দেন সন্ধান,
আল্লাহ পাক উনার খলীফা হয়েই দুনিয়াতে যাহিরান।
ওই তিনিই হলেন এই যামানার দশম খলীফা ইসলামী,
তিনি সুলত্বানুন নাছীর নন্দিত শির নিছবতে ইরহামী।
তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াত হয়েই যাহিরান পৃথিবীতে,
থেকোনা হয়রান ওরে ইনসান, এসো পাক খানকাতে।
নির্দেশ উনার শুনি বার বার হেয়ালি কেবল ছেড়ে,
বলি, মুসলিম বিশ্ব থাকিনা নিঃশ্ব নফসের হেসকারে।
তিনি দিচ্ছেন আঞ্জাম, ইমামে আওয়াম তামাম ধরণীময়,
হক্ব পথ আর হক্ব মত পেতে বলে দেন নিশ্চয়।
তিনি বদ দোয়া করতেই বলেন, মু’মিনী শত্রু তরে,
পাঁচ ওয়াক্ত নামায রাত্র দিবস প্রতিক্ষণ বেশি করে।
আয়, আল্লাহ পাক আপনি করুন ধ্বংস, তাগুতি অত্যাচার,
নাছারা নাস্তিক মুশরিকসহ ইহুদী হিং¯্রতার।
উনার মুবারক দোয়ায় দেখ হে পৃথিবীর ইনসান,
দাউ দাউ করে জ্বলতেছে ওই ইহুদী বাসস্থান।
আমেরিকাসহ তামাম তাগুতী, মাঠ ঘাট প্রান্তর,
ভূমিকম্প আর অগ্নি তুফানে ডুবতেছে বাড়ি-ঘর।
দশম খলীফা ইমামুল উমামী নছীহত সবে লয়ে,
লড়ে আজ বিশ্বের মুসলিম দেশ আলবত এক হয়ে।
দেখি দুরাবস্থায় চরম বিপাকের ভয়ানক গেড়াকলে,
আছে আটকায় ইহুদী সবায় অন্তিমী শর্ষে ফুলে।
তারা ড্রোন মিসাইলের কঠিন বারুদে ইরানের হাতে জব্দ,
তারা নির্বাক মু’মিনীন ধমকে নেই মুখে আর শব্দ।
তারা যুদ্ধ বন্ধে ও সমঝোতা লাগি পেঁৗছে পাকিস্তান,
মুসলমানের হাতে-পায়ে ধরে বারবার চায় সমাধান।
ওই দুশমনদের অস্ত্রসকল হচ্ছে বিকল বদ দোয়ায়,
স্থল আকাশ পানি পথসহ সকল তাগুতী সৃষ্টি গায়।
ইহাই ইমামী সেরা কারামত করি বিশ্বাস মুসলমান,
ইনশাআল্লাহ রবো কামিয়াব মোরা বেহিসাব দিপ্তীতে দায়িমান।
দ্বীন ইসলামী দশম খলীফা রাজারবাগ শরীফি বীর ইমাম,
দিচ্ছেন ডাক, খিলাফতি হাক, শুনি মুসলিমী কুল আওয়াম।
মোরা বিলকুল, শুনছি মু’মিন খিলাফত ধ্বনি কান খুলে,
খিলাফতহীন আসে না শান্তি আমরা সকলে বলি মূলে।
আর দেরি নয় আয়রে সবাই থাকতেই জীবনের হায়াত,
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষেই জিন ইনসানরে করি দাওয়াত।
পাক মুজাদ্দিদ, দশম খলীফা, উনার নূরানী ছোহবতে,
খোদায়ী খুশি রসূলী রহম মিলবে উনার নিছবতে।
বিশ্বকবি মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৮
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৭
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে