একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স, আ, ত, ম  আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে

সংখ্যা: ১০৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

(ধারাবাহিক)

সম্মানিত পাঠক সমাজ! আবূ দাউদ শরীফের সেই পবিত্র হাদীস শরীফ খানা যাতে বর্ণিত হয়েছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে এমন একজন মুজাদ্দিদ আসবেন যিনি দ্বীনের সংস্কার করবেন।”  এই হাদীস শরীফের আলোকে বিজ্ঞ আলিমদের কর্তৃক প্রদত্ত মুজাদ্দিদের সংজ্ঞা হিসেবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, ভারতীয় উপমহাদেশে কয়েক জন মুজাদ্দিদের আগমন ঘটেছে, তাঁদের মধ্যে বিশেষ করে একাদ্বশ হিজরীতে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, দ্বাদশ হিজরীতে হযরত শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ্ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ত্রয়োদশ শতাব্দীতে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি, চতুর্দশ শতাব্দীতে হযরত আবু বকর ছিদ্দীক ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রধান। এই মহান মুজাদ্দিদগণ প্রত্যেকেই ছিলেন জাহিরী-বাতিনী পূর্ণ কামালতের অধিকারী। তাঁরা প্রত্যেকেই তাঁদের জামানায় কুরআন-সুন্নাহ্ বিরোধী তথা দ্বীন বিরোধী প্রকট ফিৎনা-ফাসাদ ও সমস্যার মোকাবিলা করেছেন এবং সেটাই ছিলো তাঁদের নিকট তাজদীদ বা দ্বীনের সংস্কার। কিন্তু পঞ্চদশ হিজরীর শুরু এবং বিংশ শতাব্দীর শেষ ও একবিংশ শতাব্দীর দোর গোঁড়ায় এসে আমরা পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ্ বিরোধী তথা যে সমস্ত সমস্যায় সকলকে জড়িত দেখতে পাচ্ছি তা হচ্ছে দ্বীন বিরোধী গণতন্ত্র বা ডেমোক্রেসি সমস্যা। অর্থাৎ এই ইলেকট্রনিক অত্যাধুনিক কম্পিউটার যুগে বিশ্বের সকল মুসলিম, অমুসলিমসহ সকলকেই এ গণতন্ত্রের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে আর এর পাশাপাশি আরো কতগুলো ঈমান বিধ্বংসী সমস্যা যা মাকড়সার জালের মত বিধর্মীদের সাথে সাথে আমাদের মুসলিম বিশ্ব সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র আজ চরম অধঃপতন, অবমাননা, হাহাকার, ব্যর্থতা, নৈরাশ্য বিরাজ করছে। এই সমস্ত বিজাতীয় সমস্যাগুলোর মধ্যে মুসলমানদের খ্রীষ্টানদের অনুকরণে মৌলবাদ দাবীকরা, মুশরিকদের অনুসরণে কুশপুত্তলিকাদাহ্ বা মূর্তি পোড়ানো, ব্লাসফেমী আইন তলব করা, হরতাল, লংমার্চে আলিম সমাজ একত্রিত হওয়া, কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফের একাধিক আয়াত শরীফ ও হাদীস শরীফ দ্বারা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ প্রমাণ হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন, ব্যলেট সিষ্টেমের মাধ্যমে ভোট দান প্রথাকে ঈমানী দায়িত্ব বা আমানত ভাবা সর্বোপরি ইসলামের নাম দিয়ে গণতন্ত্র করা বা ইসলাম শব্দটিকে গণতন্ত্রের সাথে এক করে ফেলার ষড়যন্ত্র বা পায়তারা চলছে।

আমরা যদি একটু চিন্তা-ফিকির বা অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে গবেষণা করি বা বই-পুস্তক ঘাটাঘাটি করি তাহলে দেখতে পাবো, এই সমস্ত বেদ্বীনি যা বিজাতীয় প্রবর্তিত প্রথার অধিকাংশ বা সকলগুলোই মুসলিম বিশ্বের কোথাও কোন কালেও এর অস্তিত্ব ছিলনা। অর্থাৎ ইসলাম ও ঈমান হরণকারী অসমর্থিত এই বিজাতীয় প্রথাগুলোর আদিবাস বা প্রসূতিগৃহ হচ্ছে পাশ্চাত্যের অজ্ঞ, অসভ্য, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ইহুদী-খ্রীষ্টান দেশসমূহ। যেমন, গণতন্ত্রের মাতৃক্রোড় হচ্ছে প্রাচীন গ্রীস। যদিও পরবর্তীতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন এর সংস্কার করেছেন। গণতন্ত্রের মূলনীতি হচ্ছে, “জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস।” Election বা নির্বাচন শব্দটিও গ্রীক শব্দ Eloge শব্দ থেকে এসেছে। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পর থেকে এর সঠিক ব্যবহার কার্যকর হয়। অনুরূপ ভাবে বর্তমান কালের মুসলমানদের ব্যালট পদ্ধতি এর মাধ্যমে ভোটদান পদ্ধতিটিরও অভিভাবক হচ্ছে গ্রীস ও ইটালী। হরতালের প্রবর্তক হচ্ছে, এককালে ভারতের বিতর্কিত মুশরিক, হিন্দু কংগ্রেস নেতা গান্ধী।

আজকের যে সমস্ত নামধারী  আলিম সমাজ স্বতস্ফুর্ত লংমার্চ করছে তার প্রথম বীজ বপনকারী হচ্ছে চরম ও কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী কমিউনিষ্ট নেতা মাওসেতুং। আর যে সমস্ত গদ্দিনশীন জাহিল মূর্খ পীররা নিজেদের Fandamentalist বা মৌলবাদী বলে অহংকার প্রকাশ করে, তাদের জানা উচিৎ এই মৌলবাদীর প্রসূতিগৃহ হচ্ছে আমেরিকার চরমপন্থী খ্রীষ্টান প্রোটেষ্ট্যান্ট সম্প্রদায়। এবং যে সমস্ত দুনিয়াদার আলিম সমাজ ইসলামকে হিফাযতের জন্য ব্লাসফেমী আইন তলব করে এটি জারী বা চালু করতে চায় তারা জেনে রাখুক, এটিও একটি ইহুদী-খ্রীষ্টান  প্রবর্তিত আইন বা প্রথা। রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে এটি সর্বপ্রথম রোমে স্বীকৃতি লাভ করে। ঐতিহাসিকদের বর্ণনানুযায়ী সর্বপ্রথম এই আইনের প্রচলন ইহুদীদের মাঝে দেখা যায়। কাজেই দেখা যাচ্ছে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফের বিপরীতে বিধর্মী বিজাতীয়দের যে সমস্ত প্রথা আমাদের বিশেষ করে মুসলিম সমাজ তথা মুসলমানদের মাঝে ঢুকে পড়েছে তা কখনোই ইসলাম সমর্থিত ও গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এগুলোর আবির্ভাব হয়েছে পবিত্র ইসলাম ও মুসলমানদের ধ্বংস করার নীল নকশা হিসেবে। আসমানী লা’নত ও গযবপ্রাপ্ত মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের এটি একটি সূক্ষ্ম ও পূর্ব পরিকল্পিত কূটকৌশল। তারা দুনিয়ার বুক থেকে ইসলামকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। অত্যন্ত অনুতাপ ও দুঃখের বিষয় আমাদের আলিম সমাজের ভূমিকার নাজুকতা দেখে। আজকের সরকারী বেতনভোগী দুনিয়াদার ও উলামায়ে “ছূ” যারা দাবী করে বণী ইস্রারাঈলের নবীদের সমতুল্য তাদের মর্যাদা আর এই পার্থিব পূজারী উলামায়ে “ছূ”গণ কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফকে অবমাননা ও বিকৃত করে কাফির-মুশরিক, ইহুদী-খ্রীষ্টানদের সাথে একাকার হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ তাদের আমল-আখলাক, চাল-চলন, রীতি-নীতির কারণে ইসলাম আমাদের থেকে বহু দূরে চলে গেছে।  আমরা আশ্চর্যান্বিত হচ্ছি, এই ফিরক্বাবন্দী ও জাহিল শ্রেণীর আলিমদের কান্ড কারখানা দেখে। তারা আল্লাহ্ পাক-এর পছন্দনীয় ও মনোনীত দ্বীন ইসলামকে তরক্ব করে অন্য ধর্মের জাতি-গোষ্ঠীর সাথে তাশাব্বুহ্ রাখছে। অথচ মহান আল্লাহ্ পাক পবিত্র কুরআন পাকে একাধিকবার গুরুত্ব ও জোর দিয়ে বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিনদের ছেড়ে ইহুদী-খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করনা।” আল্লাহ্ পাক আরো বলেছেন, “তিনি আমাদের দ্বীন বা ইসলাম ধর্মকে পরিপূর্ণতা দান করেছেন।” অনত্রে বর্ণিত হয়েছে, “সমস্ত কিছুই তিনি কিতাবে (পবিত্র কুরআন শরীফে) বর্ণনা করেছেন। কোন কিছু বাদ দেননি।” তিনি সুস্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ইসলাম ব্যতীত অন্য ধর্মের অনুসরণ করলে সেটা গ্রহণ করা হবেনা।” হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, “যে যে জাতি বা সম্প্রদায়ের সাথে তাশাব্বুহ্ বা মিল রাখবে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।”  কিন্তু শত আফছুছ! পার্থিব বস্তুর অন্বেষণকারী, দ্বীন বিকৃত উলামায়ে “ছূ”দের জন্য। তারা কি পবিত্র কালাম পাকে বর্ণিত আদ, সামুদ, মাদইয়ান, কারীয়া, আসহাবুল উখদুদ কওমে লুত ও বণী ইস্রাঈলীদের অধঃপতন ও ধ্বংসের ইতিহাস ভুলতে বসেছে? আমাদের সমাজে নকল, ছদ্মবেশী, স্বার্থান্বেষী নামধারী আলিমদের আসমানী শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ পবিত্র কালামুল্লাহ্ শরীফের প্রথম সূরা “সূরা আল ফাতিহার” অর্থ, শানে নুযূল, এর মমার্থ, গুরুত্ব, রহস্য, হাক্বীক্বত উপলব্ধি করা উচিত।        কেননা, এই একটি ছোট সূরার মধ্যেই সমগ্র কুরআন শরীফের সারবস্তু বলে দেয়া হয়েছে। আর এ সূরাটি সকল নামাযে, সকল রাকায়াতে তিলাওয়াত করা হয়। এই সূরার মধ্যে আল্লাহ্ রব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে তাঁর নিকট দোয়া ও সীরাতে মুস্তাকিম বা সহজ-সরল পথ তলব করার তালিম দিয়েছেন। এই সূরায় তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, সীরাতে মুস্তাকিমের পথই হচ্ছে সঠিক, সহজ, সরল ও নাযাতের পথ এবং এ পথেই অসংখ্য নিয়ামত, উচ্চ মাকাম হাছিল হওয়া, রহমত প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।              অন্যত্র তিনি বলেন, “নবী আলাইহিমুস্ সালামগণ ছিদ্দীক, ছলেহীন এবং শুহাদাগণই হচ্ছেন তার মনোনীত বান্দা ও প্রকৃত বন্ধু।”    কাজেই আমরা যাতে এই সৌভাগ্যশালী নিয়ামত প্রাপ্তদের পথ অনুসরণ করে তাঁর নৈকট্য লাভের কোশেশ করি এটাই তাঁর নির্দেশ। তিনি চান আমরা যাতে আজেজী ইনকিসারী সাথে তাঁর নিকট সব সময় এই দোয়া করি, “আয় আল্লাহ্ পাক! আপনি আমাদের তাদের পথ দিবেন না, যারা গযবপ্রাপ্ত, গোমরাহ্ ও পথভ্রষ্ট।”    অতএব, সূরা ফাতিহার বর্ণনানুযায়ী দেখা যাচ্ছে, গযবপ্রাপ্ত, গোমরাহ্ ও পথভ্রষ্ট হচ্ছে, ইহুদী-নাছারা, হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিক সম্প্রদায়।   কাজেই এই কঠিন সংকটময় জামানায় যিনি মুজাদ্দিদ হবেন তাঁর কাজই হবে সর্বাগ্রে ইসলামের মান-মর্যাদা সমুন্নত রেখে খোদায়ী লা’নত ও গযবপ্রাপ্ত সমস্ত বাতিল, বিজাতীয়, বদ্ দ্বীন, বদ প্রথাসমূহের মূলে কুঠারাঘাত হানা এবং দ্বীন ইসলাম থেকে এর শিকড় উপড়ে ফেলে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা।     ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, মুজাদ্দিদুয্ যামান রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হচ্ছেন হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মূল মুজাদ্দিদ। তাঁর জামানায় সবচাইতে অধিক যে জুলমাত, প্রতিবন্ধকতা, অজ্ঞতা ও সমস্যা তা হচ্ছে গণতান্ত্রিক সমস্যা।    উল্লেখ্য, সমগ্র বিশ্বে তিনি একমাত্র ব্যক্তিত্ব  যিনি সর্বপ্রথম গণতন্ত্রের সাথে যোগসূত্র ভোটপ্রথা, নির্বাচন, ব্যালট, টি.ভি, ভি.সি.আর দেখা, মৌলবাদ, ব্লাসফেমী আইন তলব করা, কুশপুত্তলিকা দাহ্ করা, হরতাল, লংমার্চ, ছবি তোলা, বিধর্মী কাফির-মুশরিকদের প্রবর্তিত প্রথাসমূহ যা আমাদের ইসলাম ধর্মে প্রবেশ করেছে সেগুলোকে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের আলোকে স্বতন্ত্রভাবে হারাম ও নাজায়িয প্রমাণ করে মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশ করেছেন। আর এটাই হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বে তাঁর তাজদীদের বিশেষ বিশেষ দিক।

(অসমাপ্ত) -মুহম্মদ শফিকুল আলম,  মতিঝিল, ঢাকা।

ইল্মে আক্বলিয়ার দৈন্য এবং বেলায়েতের অনুপস্থিতির  কারণে প্রকৃত আলিমে দ্বীন তৈরী হচ্ছে না

ভারতে মুসলমানদের উপর হিন্দুদের বর্বরতা ও পৈশাচিক আক্রমণ ॥ প্রাচীন কাল হতেই হিন্দুদের এই নির্মম প্রবণতা॥  ঐতিহাসিক দলীল সম্বলিত একটি অনুসন্ধানী রচনা

খাবার স্যালাইন কি জীবন বাঁচায়? ইসলামী রাজনীতিকরা কে কোথায়?

ইমামুল আছর, আমিরুল কুলূব, কামরুস্ সূফীয়া, আমিরুশ্ শরীয়ত ওয়াত্ তরীক্বত, গাউসে সাকালাইন, ইমামে রব্বানী, আশিকুল্লাহ্, মুর্শিদে বরহক, ফক্বীহুল উম্মাত, শাইখুশ্ শুয়ূখ, আফযালুল আউলিয়া, নক্শায়ে নবী (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), জামিউল মা’কুলাত ওয়াল মানকুলাত, উস্তাজুল উলামা, সিরাজুম্ সালিকীন, মা’দানে কারামত, মাসদারে কামালত, দাফিউল কুফ্র ওয়াদ্ দ্বলালাত,  ছহিবে উস্ওয়াতুন্ হাসানা, ছহিবে জামাল ওয়াল কামাল, মুহাক্কিকে যামান, ফখরুল মুহাদ্দিসীন, রঈসুল মুতাকাল্লিমীন, মুবাহিসে আ’যম, হাদীয়ে মিল্লাত, ইমামদ্ দুনিয়া ফী ইলমিল ফিক্বহে ওয়াত্ তাছাউফ, ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ্, সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর  নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ 

“ফযলুর জিহালতীর জবাব” সত্যিই রাজারবাগীদের নিকট ‘দ্বীনে রেযাখানী’ নিরাপদ নয়