খাবার স্যালাইন কি জীবন বাঁচায়? ইসলামী রাজনীতিকরা কে কোথায়?

সংখ্যা: ১০৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

 বড় বড় অক্ষরে লিখা, ‘ওরস্যালাইন আমার শিশুর জীবন রক্ষা করেছে।’ শতকরা ৮৫ ভাগ মুসলমানের এই দেশে, এই রকম কুফরী বিজ্ঞাপন দেখে প্রতিনিয়ত ক্ষুব্ধ হয় দেশের সাধারণ মুসলমান। কিন্তু না, এদেশের ইসলামী রাজনীতিক দাবীদার শাইখুল হাদীস, মুফতী, মাওলানা, আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাস্সীরে কুরআন, সে দিকে তাদের কোন দৃষ্টি নেই। এরূপ কুফরী কথায় তাদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়না। হায়াত-মউতের মালিক যে আল্লাহ্ পাক, জীবন রক্ষার মালিক যে আল্লাহ্ পাক সে বিষয়ে তাদের মাঝে ঈমানী জজবা জেগে উঠেনা। অবশ্য ইতোমধ্যে ইসলামের নামে হারাম গণতন্ত্র করার প্রেক্ষিতে দিল মরে যাওয়া তার পেছনে কারণ বটে।    আর এ সুযোগটি লুফে নিচ্ছে ইহুদী-খৃীষ্টান গং তথা তাদের এজেন্টরা। তারা এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন সব শ্লোগান ছুড়ে দিচ্ছে যা আওড়ালে, বিশ্বাস করলে একজন মুসলমান সাথে সাথে ঈমান হারায়। ঢাকার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আই. সি. ডি. ডি. আর. বি আয়োজিত গত ১৮ই মে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লর্স পার্সন জানায় যে, তাদের আবিস্কৃত ওরাল রিহাইড্রেশন সলুশান বা খাবার স্যালাইন বিশ্বে এ যাবৎ ৪কোটি শিশুর জীবন রক্ষা করেছে। (নাউযুবিল্লাহ) যা পরদিন ১৯ মে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে পত্রস্থ হয়।

উল্লেখ্য খ্রীষ্টান পার্সনের জন্য একথা বিশ্বাস করাতে কোন আপত্তি না থাকতে পারে। কিন্তু মুসলমান হিসেবে থাকতে চাইলে যেমন আমরা একথা বিশ্বাস করতে পারিনা তেমনি শতকরা ৮৫ ভাগ মুসলমানের এই দেশে প্রচার করতেও দিতে পারিনা। সঙ্গত কারণেই আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং সরকারী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

-মুহম্মদ আব্দুর রউফ, ঢাকা।

মতামত বিভাগ

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে

মাহিউদ্দীনের দেয়া মদনপাল আর প্রিন্সিপালের উপমা কাফিরদেরই উপমার মত ওরা আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত নয়, আশরাফ আলী থানভীর উম্মত হতে চায়

এ বৎসরের শুরুতে ভারতের কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য চেয়ে ফর্ম বিলি পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ। ভারতে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ভারতে কাশ্মিরী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের খবর বিচ্ছিন্ন নয়। অব্যাহত এবং ভয়াবহ কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন