“ফজলুর জিহালতীর জবাব” সত্যিই রাজারবাগীদের নিকট ‘দ্বীনে রেযাখানী’ নিরাপদ নয় একেই বলে স্বঘোষিত মুহাক্কিক!

সংখ্যা: ১০৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

পাঠক! ফজলু নাকি তাহক্বীক না করে কোন কথা বলেনা ও লিখেনা। হ্যাঁ, তার একথা একেবারে মিথ্যা নয়। তবে তা সঠিক তাহক্বীক নয় ভুল তাহক্বীক। তাই তো সে তাহক্বীক করে লিখেছিলো, “ওমদার্তু রেয়ায়া” কিতাবের লিখক, ইমামুল হুদা আব্দুল হাই রহমতুল্লাহি আলাইহি। তার উক্ত তাহক্বীক যে ভুল ছিলো তা আল বাইয়্যিনাতে প্রমাণ করা হয়েছে যে ‘ওমদার্তু রেয়ায়া’ কিতাবের লিখক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হাই লাখনবী ছাহেব।  সে লিখেছিলো, “ছানী আযানের ক্ষেত্রে ইজমায়ে সুকূতী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; এবং ইজমায়ে সুকূতীর মনগড়া সংজ্ঞা দিয়েছে।” তার এ তাহক্বীকও যে ভুল তা আল বাইয়্যিনাতে প্রমাণ করা হয়েছে। সে বলেছে, “ফতহুল ক্বাদীরে” ছানী আযান মিম্বরের নিকট দিতে বলা হয়নি। ”        অথচ আল বাইয়্যিনাতে প্রমাণ করে দেয়া হয়েছে যে, তার উক্ত তাহক্বীক সম্পূর্ণ ভুল। অর্থাৎ ‘ফতহুল ক্বাদীরে’ ছানী আযান মিম্বরের নিকট দিতে বলা হয়েছে। এরূপভাবে তার বহু তাহক্বীকই আল বাইয়্যিনাতের পাতায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে। যার সবগুলো এখানে উল্লেখ করা সম্ভব হলো না। তবে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তা উল্লেখ করা হবে ইনশাআল্লাহ্।  এখন আমাদের জিজ্ঞাসা, ফযলু কোন ধরণের মুহাক্কিক? এত ফখর তার কি নিয়ে?  সে কি জানে না যে, এখনও সত্যিকারের মুহাক্কীক ও মুদাক্বীক রয়েছেন। কাজেই একটু ভেবে চিন্তে কথা বলা উচিত। কিন্তু চেষ্টা করলেও সে ভেবে-চিন্তে কথা বলতে পারবে না। কারণ সে জাহিল; আর কিতাবে রয়েছে,

الجاهل من لايعتبر.

অর্থাৎ- “জাহিল তো ঐ ব্যক্তিই যে শেষ পরিণাম ফল চিন্তা করে না।” আর তাই সে বলতে পেরেছে যে, ‘রাজারবাগীদের কাছে দ্বীন নিরাপদ নয়।’ সত্যিই রাজারবাগীদের কাছে ‘দ্বীনে রেযাখানী’ নিরাপদ নয়  পাঠক! ফজলু সত্যিই বলেছে, রাজারবাগীদের কাছে দ্বীন নিরাপদ নয়। তবে অবশ্যই তা ‘দ্বীন ইসলাম’ নয় বরং ‘দ্বীনে রেযাখানী।’   কারণ রেযাখানীরা বাদশাহ্ আকবরের পদলেহী উলামায়ে “ছূ” আবুল ফযল, ফৈজী, মুল্লা মুবারক নাগরীদের ন্যায় দ্বীন ইসলামকে বিকৃত করে যে নতুন দ্বীনের অর্থাৎ ‘দ্বীনে রেযাখানীর’ জন্ম দিচ্ছে তা রাজারবাগীদের নিকট নিরাপদ নয়।  যেমন, নিরাপদ ছিলনা দ্বীনে ইলাহী, কাইয়্যূমে আউয়াল, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর নিকট। তাই তো আবূল ফযল ও ফৈজী গং কোমর বেঁধে নেমেছিলো ‘মুজাদ্দিদুয্ যামানের’ অর্থাৎ মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর বিরুদ্ধে। তাদের প্রশ্ন, কেন তিনি তাদের উদ্ভাবিত কুফরী মতবাদ ‘দ্বীনে ইলাহীর’ বিরোধীতা করছেন? ঠিক তারই পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে পাই, বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ক্ষেত্রেও।     রেযাখানীরা দ্বীন ইসলাম বাদ দিয়ে যখন দ্বীনে রেযাখানী প্রচার করছে। (চলবে)

মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইছহাক, বাসাবো, ঢাকা।

মতামত বিভাগ

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে

মাহিউদ্দীনের দেয়া মদনপাল আর প্রিন্সিপালের উপমা কাফিরদেরই উপমার মত ওরা আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত নয়, আশরাফ আলী থানভীর উম্মত হতে চায়

এ বৎসরের শুরুতে ভারতের কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য চেয়ে ফর্ম বিলি পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ। ভারতে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ভারতে কাশ্মিরী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের খবর বিচ্ছিন্ন নয়। অব্যাহত এবং ভয়াবহ কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন