আউযুবিল্লাহর ব্যাখ্যা ও বিধান

সংখ্যা: ০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

-মুহম্মদ হাফিজুর রহমান

اعوذ بالله من الشيطان الرجيم

অর্থ : “আমি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অভিশপ্ত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”

তা-আওউজ : এ পবিত্র বাক্য তা-আওউজ বা আশ্রয় প্রার্থনা নামে অভিহিত। কারণ এ বাক্য দ্বারা মানব জাতির চির শত্রু অভিশপ্ত ইবলীস শয়তান হতে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন- “ক্ষমাশীলতা অবলম্বন কর, সৎ কার্যের নির্দেশ দাও এবং অজ্ঞদের পরিহার কর। এ ক্ষেত্রে যদি কখনও শয়তানের প্ররোচনা আসে তখন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে পানাহ চাও। নিশ্চয়ই তিনি সব বোঝেন। সবই জানেন।” অন্যত্র তিনি বলেন- “উত্তম ব্যবহার দ্বারা নিকৃষ্ট ব্যবহারকে প্রতিরোধ কর। তারা যা (মিথ্যা) আরোপ করে তা আমি ভালভাবেই জানি। তুমি বল, হে প্রভু, শয়তানের প্ররোচনা হতে আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাইতেছি। এবং হে পরোয়ারদিগার আমার নিকট তাদের উপস্থিতি হতে আমি তোমার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র বলেন- “উত্তম ব্যবহারের দ্বারা নিকৃষ্ট ব্যবহারের জবাব দাও। দেখবে তোমার চরম শত্রু পরম বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। উহা শুধু সহিষ্ণু ব্যক্তিরাই পারে এবং বিরাট সৌভাগ্যবান ব্যক্তিরা ছাড়া উহা কেহ পারেনা। তারপর যদি শয়তানের কুমন্ত্রনা আসে, তা হলে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে পানাহ চাও। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।” উক্ত আয়াতসমূহে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। শয়তান আমাদের চির শত্রু। সে সদা সর্বদা আমাদের অনিষ্ট সাধনে মগ্ন থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র বলেন- “হে আদম সন্তুান! শয়তান যেভাবে তোমাদের পিতা-মাতাকে জান্নাত হইতে বের করেছে, তদ্রুপ সে তোমাদেরকেও যেন বিপথগামী না করে।”   (অন্যত্র তিনি বলেন- “দোযখের বাসিন্দা হবার জন্য আহ্বান জানায়”) একদিন দুই ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে ঝগড়া করছিল। আমরা উনার খিদমতে উপবিষ্ট ছিলাম। তাদের একজন ক্রোধান্বিত হয়ে অন্যজনকে গালি দিচ্ছিল। তার মুখমন্ডল রক্তিম হয়ে উঠল। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন- আমি একটি বাক্য জানি। এ ব্যক্তি ওটা পাঠ করলে যা দ্বারা সে আক্রান্ত হয়েছে নিশ্চয়ই তা দূর হয়ে যাবে। আল্লামা ইবনে কাসীর লিখেছেন- অধিকাংশ ফকীহর মতে “আউজু” পাঠ করা ফরয বা অপরিহার্য নহে বরং ইহা মুস্তাহাব। ইমাম রাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- আতা ইবনে আবু রিবাহর মতে নামাজের ভিতরে ও বাহিরে কুরআন মজীদ তিলাওয়াতের পূর্বে আউজু ওয়াজিব। ইবনে সীরিন বলিয়াছেন- জীবনে একবার “আউজু” পাঠ করলেই ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। আতা ইবনে আবু রিবাহর পক্ষে ইমাম রাজী নিম্নোক্ত দলীল পেশ করেন-

فاذا قرات القران فاستعذ بالله من الشيطان الرجيم

উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠের সময় আউজু পাঠ করার জন্য আদেশ করছেন। আদিষ্ট কাজ স্পষ্টতই ওয়াজিব। ইহার সপক্ষে তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কার্যধারাও প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তিলাওয়াতের পূর্বে সর্বদা আউজু পড়তেন। অধিকন্তু উহা দ্বারা শয়তানের কুমন্ত্রনা ও প্ররোচনা প্রতিহত হয়। মূলতঃ যে কাজের সহায়তা ব্যতীত ওয়াজিব সম্পন্ন হতে পারে না তাও ওয়াজিব। সুতরাং আউজু পাঠ করা ওয়াজিব। উহা ওয়াজিব হবার আরও একটি কারণ এই যে, উহা শয়তানের প্ররোচনা হতে রক্ষা করে। কোন বিষয় ওয়াজিব হবার ইহাও একটি পূর্বশর্ত। কেহ কেহ বলেন ‘আউজু’ পাঠ শুধু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য ওয়াজিব ছিল। উনার উম্মতের উপর ওয়াজিব নহে। ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি ফরয নামাযে তা আউজ পড়তেন না। তিনি শুধু রমজানের প্রথম রজনীতে সুন্নত (তারাবী) নামাযে তা আউজ পড়তেন। ইমাম শাফেঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে লিখেছেন মুসল্লীরা সরবে তাআউজ পড়বে তবে নীরবে পড়লে ক্ষতি নেই। তিনি উনার কিতাবে বলেন, উহা উচ্চ কি অনুচ্চ যে কোন স্বরে পড়লেই চলবে কারণ হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি অনুচ্চ স্বরে ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উচ্চ স্বরে পড়তেন। ইমাম শাফেঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রথম রাকাআত ভিন্ন অন্যান্য রাকাআতে তাআউজ পাঠ করাকে মুস্তাহাব বলেন কিনা তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। একদলের মতে তিনি মুস্তাহাব বলেন। অন্যদলের মতে তিনি মুস্তাহাব বলেন না। শেষোক্ত মতই সবল। ইমাম শাফেঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি ও ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা তাআউজ পাঠে-

اعوذ بالله من الشيطان الرجيم

বললেই চলবে। ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নামাজে যে তাআউজ পড়ার বিধান রয়েছে, উহা পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে তিলাওয়াতের কারণে প্রদত্ত হয়েছে। পক্ষান্তরে ইমাম আবু ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- উক্ত বিধান নামাজের কারণে প্রদত্ত হয়েছে। তাই ইমাম আবু ইউসুফ তিনি বলেন, মোক্তাদী নামাজে কিরাআত পড়বেনা বটে, তাআউজ পড়বে। তেমনি ঈদের নামাজে তাকবীরে তাহরীমার পরও অতিরিক্ত তাকবীরের পূর্বে তাআউজ পড়বে। পক্ষান্তরে তাকবীরের পর তাআউজ পড়তে হবে। (তাফসীরে ইবনে কাসীর, ১ম খন্ড) পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠের প্রাক্কালে আ’উযুবিল্লাহ পাঠ করা ইজমায়ে উম্মত দ্বারা সুন্নত বলে স্বীকৃত হয়েছে। নামাজের বাইরে বা নামাজের ভেতরে উভয় ক্ষেত্রেই এ মাসআলা প্রযোজ্য। পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের পূর্বে আ’উযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ উভয়টিই পাঠ করা সুন্নত। এক সূরা শেষ করে অন্য সূরা তিলাওয়াতের পূর্বে বিসমিল্লাহ পাঠ করতে হয়, শুধুমাত্র সূরা তওবা এর ব্যতিক্রম। তিলাওয়াতকারে সূরা তওবা সামনে আসলে বিসমিল্লাহ পাঠ নিষেধ কিন্তু প্রথম তিলাওয়াতেই সূরা তওবা দ্বারা আরম্ভ হলে আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ উভয়টিই পাঠ করতে হবে। (ফতোয়ায়ে আলমগীরি) الشيطان শব্দের বিশ্লেষণ ঃ আদিষ্ট কাজ সর্বদা ওয়াজিব নহে, বরং ইহা বিভিন্ন কাজের গুরুত্বের উপর নির্ভর করে। অধিকাংশ ফকিহগণ এ মতই ব্যক্ত করেছেন। شيطان শব্দের ধাতু হচ্ছে ش-ط-ن- এর অর্থ বিদূরিত বস্তু বা ব্যক্তি। শয়তান স্বভাব প্রকৃতিতে সাধারণতঃ মানুষ হতে দূরে অবস্থান করে বিধায় তাকে শয়তান বলা হয়। তথাপি নিজের অবাধ্য কাজের দরুন সে যাবতীয় কল্যাণ হতে বঞ্ছিত, তাই তাকে শয়তান বলা হয়।  কেহ কেহ বলেন, الشيطان শব্দের ধাতু হলো ش-ا-ن অর্থ উত্তপ্ত বস্তু। আগুন হতে সৃষ্ট বলে শয়তানকে শয়তান বলা হয়। আবার একদল বলেন, উভয় অর্থেই শয়তানকে শয়তান বলা হয়। ধাতু ও নামকরণ সম্পর্কিত এর উভয় ব্যাখ্যাই সঠিক। খ্যাতনামা ব্যাকরণবিদ সিবওয়াই বলেন, আরবগণ বলে থাকেন شيطان فلان অর্থাৎ অমুক ব্যক্তির কাজ শয়তানের ন্যায় شيطن শব্দের ধাতু ش ا ن হলে উক্ত অর্থে তারা شيطن না বলে شيط বলতো। ইহা দ্বারা প্রমাণিত হয় شيطان শব্দটির অর্থ হচ্ছে বিদূরিত বস্তু বা ব্যক্তি এবং উহার ধাতু ش-ط-ن এ অর্থই সঠিক তাই দূরে অবস্থানকারী জ্বিন, ইনসান যা অন্য কোন প্রাণীকে شيطان নামে আখ্যায়িত করা হয়। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন- “অনন্তুর এরূপে আমি প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু সৃষ্টি করেছি। তারা সত্য হতে দূরে আসাতে সত্য হতে দূরে অবস্থানকারী জ্বিন ও ইনসান উভয়কেই شيطان বলা হয়েছে। অনুরূপভাবে হযরত আবুজর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এক হাদীছ শরীফ-এ বলা হয়েছে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন- “মানুষ শয়তানও জ্বীন শয়তান হতে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা কর।” আমি (আবু জর) আরয করলাম, মানুষের মধ্যেও কি শয়তান আছে? তিনি বললেন, হাঁ। الرحيم শব্দের বিশ্লেষণ ওযনে সৃষ্ট ও ওযনের অর্থবোধক। এ মতই কর্মকায্যের অর্থ প্রকাশ করে। সুতরাং উহার অর্থ বিদূরিত ও বিতাড়িত মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন- “নিশ্চয়ই আমি পৃথিবী সন্নিহিত আকাশকে আলোকমন্ডলী দ্বারা সুসজ্জিত করেছি এবং সেগুলোকে শয়তানের জন্য ক্ষেপনাস্ত্র বানিয়েছি।” তিনি আরও বলেন-“নিশ্চয়ই আমি পৃথিবী দৃষ্ট আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুসুজ্জত করেছি এবং উহাকে সকল অবাধ্য শয়তান হতে হিফাজতের ব্যবস্থা করেছি। উহারা সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল ফেরেস্তার সংলাপ শুনতে পারে না।” চতুর্দিক হতে তাদের উপর ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষিপ্ত হয়। অনন্তুর তাদের জন্য রয়েছে অনিবার্য আজাব। তথাপি কেউ যদি ছোঁ মেরে কোন কথা নিয়ে পালায়, তাহ’লে উজ্জল আলোকপিন্ড তার পশ্চাদধারন করে।”  তিনি অন্যত্র বলেন- “নিশ্চয়ই আমি আকাশ কক্ষপথ সৃষ্টি করেছি এবং উহাকে দর্শকদের জন্য সুসজ্জিত করেছি আর উহাকে সকল বিতাড়িত শয়তান হতে হিফাজতের ব্যবস্থা করেছি। তবে যদি কেহ আড়ি পাতে তবে তাকে উজ্জল নক্ষত্র ধাওয়া করে।”

শয়তান মানুষের চির শত্রু। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা না করলে আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে তা আউজ মানুষের জন্য অপরিহার্য। পূর্বেকার আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনাদের জীবনী লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাই উনারা শয়তানের ওয়াছওয়াছা থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। এ প্রসঙ্গে একটি ওকেয়া উল্লেখ করা হয়- হযরত হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পীর হযরত শাকীক বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, দুনিয়াবাসীর দিকে দৃষ্টিপাত করার পর আমি উপলব্ধি করলাম সকলেই পারস্পরিক শত্রুতায় নিমজ্জিত। সকলেই একে অপরের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ ব্যবহারে মগ্ন। পারস্পরিক স্বার্থের কারণে এ বিদ্বেষের জন্ম। কিন্তু আমি যখন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রতি দৃষ্টিপাত করলাম,

ان الشيطان لكم عدو فالخذوه عدو

“নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। অতএব তাকে শত্রুই বিবেচনা কর।” তখন আমার বোধদয় হলোঃ এখন হতে আমি সদাসর্বদা আমার সেই প্রধান শত্রুর প্রতি শত্রুতা পোষণ করতে লাগলাম সর্বশক্তি নিয়োগ করে। আমি সেই শত্রুকে জব্দ করতে সচেষ্ট হলাম মানুষের প্রতি আমি শত্রুতা পোষণ করা ত্যাগ করলাম। পদে পদে শয়তানকে জব্দ করে আমি আমার পরওয়ারদিগারের নৈকট্য হাসিল করার জন্যে কোশেশ করতে লাগলাম। যেমন কালামুল্লাহ শরীফে অন্যত্র আছে-

اللهم اعمد البكم يابنى ادم ان لاتعبد والشيطان انه لكم عدو مبين وان عبدونى هذا صراط المستقيم.

“হে আদম সন্তুানগণ! আমি কি তোমাদিগকে দৃঢ়ভাবে সাবধান করে দেই নাই যে, তোমরা শয়তানের আবাদ করিওনা। শয়তান তোমাদের নিশ্চিত শত্রু এবং একমাত্র আমারই ইবাদত কর। উহাই সরল সহজ পথ।”

শানে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

শানে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

তাফসীরুল কুরআন: বাহ্যিক ইবাদত কোন হক্কানী-রব্বানী, আল্লাহ্ ওয়ালা, পীর-দরবেশের সাথে ক্বালবী নিস্বত ক্বায়েম ব্যতীত মকবুল হওয়া সম্ভব নয়

তাফসীরুল কুরআন : বাহ্যিক ইবাদত কোন হক্কানী-রব্বানী, আল্লাহ্ ওয়ালা, পীর-দরবেশের সাথে ক্বালবী নিস্বত ক্বায়েম ব্যতীত মকবুল হওয়া সম্ভব নয়

তাফসীরুল কুরআন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনই সর্বশ্রেষ্ঠ আমল