কবরের চেয়ে যিন্দা বুযুর্গের ছোহবতে ফয়েয বেশি পাওয়া যায়

সংখ্যা: ০৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

চন্দ্র যখন কথা না বলা সত্ত্বেও পথ প্রদর্শনের কাজ করে, তখন যদি কথা বলত তবে আরও বেশী পথ প্রদর্শন করত। যেহেতু তখন নূরই নূর হত। মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি এই বয়েতটিতে আমাদেরকে এই শিক্ষা দিয়েছেন যে, কামিল বুযুর্গের কবর হতেও ফয়েয হাছিল করা যায়। যদি ফয়েয হাছিল করনেওয়ালা উপযুক্ত হয়। কিন্তু তবুও যিন্দা বুযুর্গের দ্বারা ফয়েয বেশি হয়। কেননা যিন্দা বুযুর্গ সব কথা খুলে বলে বুঝিয়ে দিতে পারেন। কাজেই ছহিবে নিছবত ব্যক্তি মুর্দা বুযুর্গের কবর হতে কিছু ফয়েয হাছিল করে তার নিছবতকে আরোও দৃঢ় এবং মজবুত করতে পারেন, কিন্তু তালীম তালকীনের ফয়েয যিন্দা বুযুর্গ ব্যতীত মুর্দা বুযুর্গের দ্বারা হতে পারে না। যদিবা কোথাও হয়, তবে তা বিরল। তাকে “আদতুল্লাহ” বলে অর্থাৎ সাধারণ নিয়মের বহির্ভুত। এই কথার দ্বারা এও বুঝে আসে যে, শায়েখ উনার মৌখিক কথার দ্বারা তার চিঠিপত্র অপেক্ষা বেশি ফায়দা হয়। কেননা, মৌখিক সব কথা বিস্তৃতভাবে বুঝিয়ে দেয়া যায়। কোন বিষয় বুঝে না আসিলে তা পুনরায় জিজ্ঞাসা করা যায়। চিঠি পত্রের মাধ্যমে তা পারা যায় না।

অতএব, দেখা গেল যে শায়েখ উনার ছোহবতে থেকে ফয়েয হাছিল করা চিঠিপত্র লেখা অপেক্ষা অধিক আফযল (উত্তম) (সংকলিত)

ইতিহাসে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের স্থান

জিওগ্রাফি অব বাংলাদেশ (Geography of Bangladesh)

ইস্তিঞ্জা যদি কমাতে চান বেশী করে জাম্বুরা খান

সত্য স্বপ্নে হযরত ইমাম হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আরোগ্য লাভ

বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রয়োজনীয়তা ও প্রসার