মানুষের কণ্ঠ চেপে ধরলে যেমন তার আসল ভাষা বেরিয়ে আসে তেমনি গত ২১শে সেপ্টেম্বর ০৮ পত্রিকায় হিযবুত তাহরীরের আসল রূপ বেরিয়ে আসছে।
ঐ দিন ‘দৈনিক জনতা’ পত্রিকায় প্রধান লিড করা হয়:
“সরকারের প্রতি হিযবুত তাহরীরের আল্টিমেটাম ॥ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মুক্তি না দিলে পুতুল সরকারকে উৎখাত করা হবে।”
খবরে বলা হয়: ঢাকা ও দু’টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকসহ হিযবুত তাহরীরে আটক এগারো সদস্যকে মুক্তির দাবিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে হিযবুত তাহরীর। অন্যথায় দেশের রাজপথ কাঁপিয়ে দেয়া হবে। কাউকে শান্তিতে ঘুমাতে দেয়া হবে না। দেশে যে পুতুল ও দালাল সরকার আছে তাদের উৎখাত করা হবে। গতকাল শুক্রবার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনকালে দলের প্রধান সমন্বয়ক মহিউদ্দিন আহমেদ এ হুঙ্কার ছাড়েন। এছাড়াও দলের প্রধান সরকার উৎখাতের কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।
রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা ও জঙ্গিবাদী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে রাজশাহী পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি সাউথ-ইস্ট ও নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকসহ হিযবুত তাহরীর-এর ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। যার প্রতিবাদে পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ঢাকায় একটি সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে বক্তারা বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, যদি আমাদের নেতাকর্মীদের রাজশাহী থেকে মুক্তি না দেয়া হয় তাহলে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের রাজপথ কাঁপিয়ে দেবে। এই বাংলার মাটিতে তাদের শান্তিতে ঘুমাতে দেয়া হবে না। তিনি আটকদের মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেন।
উল্লেখ্য, হিযবুত তাহরীরের উপরোক্ত বক্তব্য দ্বারা এখন দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট প্রমাণ হয়ে গেল যে, আসলে ভিতরে ভিতরে হিযবুত তাহরীর কত শক্তিশালী ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠন। তবে তারা জামাতীদেরই জাত ভাই। এ কারণে কোনো জামাতী মুখপত্র তাদের বিরুদ্ধে খবর হাইলাইট করেনি। অর্থাৎ চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। কাজেই এই মাসতুতো জঙ্গিদের নির্মূলে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অবিলম্বে তাদের নিষেধ করতে হবে।
– মুহম্মদ মাহবুবুর রহমান
“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?