আশ্চর্য হলেও সত্য

সংখ্যা: ৪র্থ সংখ্যা | বিভাগ:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

সংকলনে- মুহম্মদ ইসমাইল হুসাইন।

সাধারণ রক্ত পরীক্ষায় আগাম ক্যান্সার নির্ণয় সম্ভব:

          সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নানান ধরনের ক্যান্সারের পূর্ব হুঁশিয়ারী সংকেত পাওয়া যেতে পারে। ব্রিটিশ চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেট পত্রিকায় মার্কিন গবেষকরা সম্প্রতি একথা বলেন। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা: স্যাময়েল বোগোস ও তার সহকর্মীরা বলেন, রক্তে ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রোটিনের প্রতি রক্ষিকা বা এন্ডিবডির সংখ্যা নির্ণয় করে তারা ১৮টি কেন্দ্রে রোগীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। তারা বলেন, এই ৫৯ জনের মধ্যে পরবর্তীকালে ৫২ জনের দেহে ম্যালিগনেন্ট টিউমার ধরা পড়ে।

          প্লাটিনামের বিকল্প আবিস্কার :

          লন্ডন, টোকিও ও জুরিখের বাজারে প্লাটিনামের নাম দ্রুত কমে গেছে। জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারী নিশান ঘোষণা করেছে যে, তারা প্লাটিনামের একটি বিকল্প আবিস্কার করেছে। গাড়ি নির্মাণে এই ধাতু প্রয়োজন হবে। এই ঘোষণার পর প্লাটিনামের দাম কমে যায়। গাড়ির ভিতরে একটি প্রধান যন্ত্রের অংশের নাম প্লাটিনাম। ঐ প্রধান যন্ত্রের সাহায্যে গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়াকে বিষাক্ত গ্যাস মুক্ত করা হয়।

          কানের লতিতে ভাঁজ পড়লে হৃদরোগ হতে পারে:

কানের লতিতে ভাঁজ পড়া থেকে হৃদরোগের পূর্বাভাস পাওয়া যেতে পারে। ১৯৫০ সাল থেকেই কয়েকজন গবেষক বলে আসছেন, লতিতে তীর্যকভাবে ভাঁজ পড়লে বুঝতে হবে, লোকটির হৃদরোগ হতে পারে। তবে এই সিদ্ধান্তে অনেক চিকিৎসক আবার ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন। শিকাগো ইউনিভার্সিটির উইলিয়াম এলিয়েট বলেছে, গত আট বছরে ১০৮ জনের উপর নিরীক্ষা চালিয়ে সে দেখতে পেয়েছে, হ্যাঁ, লতিতে ভাঁজ পড়ার সাথে হৃদরোগের সম্পর্ক রয়েছে। কানের লতির শিরায় রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপি-েও রক্ত চলাচলে অসুবিধা হতে পারে। এলাসটিন হ্রাস পাওয়ার দরুন এটা হয়ে থাকে। চীনের আকুপাংচার পদ্ধতির প্রাচীন চিকিৎসকেরাও জানতেন, কানের লতির সাথে হৃদপি-ের ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে।

        গাছের ডাল ধরে ঝুলে থাকে শ্লথ :

          দক্ষিণ আমেরিকার আমাজান নদীর উপত্যকায় ক্রান্তীয় বর্ষণবনের জলবায়ু সব সময়েই উষ্ণ ও আর্দ্র। এই অঞ্চলেরই প্রাণী হলে শ্লথ। এদের নামের সঙ্গে বাংলা শব্দের অর্থেরও খুব মিল আছে। এরা সহজে নড়তে চড়তে পারে না।

          এরা সাধারণত পিঁপড়ে, পাতা ও কোন কোন ফল খেয়েই বেঁচে থাকে। এদের প্রায় সবকিছুই সাধারণ প্রাণীর বিপরীত। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সাধারণত পায়ে হাঁটে; এরা পায়ে না হেঁটে চার পায়ে গাছের ডাল ধরে ঝুলে থাকে। শ্লথের পায়ের বাঁকানো নখ খুব শক্তিশালী। এইভাবেই চার পায়ে ডাল ধরে গাছে ঝুলে ঝুলে এরা ঘন বনের মধ্যে যাতায়াত করে। শ্লথ এমনভাবে গাছে ঝুলে থাকে যে, অনেক সময় বুঝে উঠা মুশকিল কোনটা এদের সামনের দিক কোনটাই বা পিছন দিক। দিনের বেলা এরা কোনও কারণে উত্যক্ত না হলে, মোটেও নড়াচড়া করে না। রাত্রে গাছে উঁচু ডাল ধরে ঝুলে ঝুলে ৪৮ দিনে চার মাইল পর্যন্ত চলতে পারে। উঁচু গাছের ডালের উপরই শ্লথের বসবাস। এরা এতই অনড় যে, বর্ষকালে এদের গায়ের মোটা লোমের উপর ছোট ছোট গাছপালা জন্মায়। এই গাছ থেকে শেঁয়ো পোকারা আহার সংগ্রহ করে এবং শুঁয়ো পোকা থেকে মথ জন্ম নেয়। শ্লথ এত অনড় বলেই এদের শত্রুর সংখ্যা খুবই কম। গাছের উঁচু ডালে এরা স্থির হয়ে থাকে। তাই আক্রমনকারী জন্তুরা ওদের মরা গাছের পাতা, ঘুন পোকার বাসা বা ছত্রাকের দলা বলে ভুল করে। যখন শ্লথকে ক্ষুধার্থ কোনও জন্তু আক্রমণ করে তখন অমসৃন লোম, শক্ত চামড়া আর তেইশ জোড়া পাঁজরের হাড় থাকার জন্য এদের সহজে মেরে ফেলা যায় না। এদের মেরে ফেললেও এরা বাঁকানো নখ দিয়ে গাছের ডাল ধরে ঝুলতেই থাকে। সেইজন্য বোঝা যায় না শ্লথ বেঁচে আছে না মরে গেছে।

হযরত রসুলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৈশিষ্ট্য/দু’একটি বিষয়ে আলোকপাত

মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিস সালাম উনার নির্যাতন ভোগ

যমযম কুপের ও ওযুর পানি দাঁড়িয়ে পান করা মোস্তাহাব অন্য কোন পানি বা খাদ্য দাঁড়িয়ে পান করা মাকরূহ

ইলমে তাসাউফ

সর্ব প্রথম সৃষ্টি নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম