খুলি ও কংকাল রফতানীর নগরী কলিকাতা :
ভারতের বৃহত্তম নগরী কলিকাতা ঘিঞ্জি বস্তি নামেই অধিক পরিচিত যেখানে শত শত লোক রাস্তার ফুটপাতে রাত্রিযাপন করে। তবে, কলিকাতা আরেকটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্যেও চিহ্নিত হইয়াছে। ইহা বিশ্বে মানুষের খুলি এবং কংকালেরও বৃহত্তম রফতানীকারক নগরী।
১৯৮৫ সাল পর্যন্ত সরকার মেডিকেল কলে সমূহকে নরকংকাল রফতানির অনুমতি দেয়। ইহার বিক্রয় গোপন রহস্যে আচ্ছন্ন একটি বিষয়। শব শিকারীরা দাবীবিহীন লাশ সংগ্রহের জন্য কবর খনন অথবা মর্গের কর্মচারীদের উৎকোচ দেয়। স্থানীয় সর্বাধিক ১০ হাজার রূপীতে (৬৫০ ডলার) শব দেহের কংকাল বিক্রয় হইতে পারে। সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা কমলেশ রায় বলেন, অধিকাংশ মৃহদেহ গোরস্থানসমূহ এবং পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী বিহার রাজ্যের বিভিন্ন জেলা হইতে কলিকাতার রফতানীকারকদের নিকট পাচার হয়। ‘স্টেটম্যান’ পত্রিকায় বলা হয়, প্রতি বছর প্রধানত: দারিদ্র্য পীড়িত প্রতিবেশী রাজ্যগুলি হইতে কলিকাতায় ৭০ হাজারের মত কংকাল আনা হয়। খবরে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ১৯৮৭তে প্রায় ১৫ হাজার নরকংকাল ও খুলি বিদেশে পাচার করা হয় যাহার মূল্য আড়াই কোটি রূপী (সাড়ে ১৬ লক্ষ ডলার)। ভারতের অভ্যন্তরে এই ব্যবসায় ৪০ লক্ষ্য ডলার আয় হয়।
সাপের মাথা মানুষের মতো :
পাকিস্তানের বিখ্যাত সাপুড়ে মুহম্মদ আনোয়ার রঙ্গীলা একটি সাপ ধরিয়াছে যাহার মুখ মানুষের মতো। স্থানীয় দৈনিক ‘দি নেশন’-এ বলা হয়: সাপের মাথাটি দেখিতে মানুষের মুখেরমতো। ইহার মুখ দিয়া যে আওয়াজ বাহির হয় তাহার সঙ্গেও অন্য সাপের কোন মিল নাই। সাপুড়ে আনোয়ার ছয় মাস পূর্বে এই অদ্ভুত সাপটি সম্পর্কে স্থানীয় লোকের মুখে প্রথম জানতে পারেন। স্থানটি ইসলামাবাদ হইতে ৪ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।
রক্ত বৃষ্টি
রক্ত বৃষ্টি হওয়ার খবর যেই স্থানে পাওয়া গিয়াছে সেই স্থানটি ভারতের দক্ষিণাঞ্চালীয় তামিল নাডু রাজ্যের কন্যা কুমারী জেলার আলাগপুরম গ্রাম। উক্ত গ্রামে চারদিন পর্যন্ত রক্ত বৃষ্টি হইতে থাকে। তামিলনাডু রাজ্য সরকার এই রক্ত বৃষ্টিপাতের ঘটনাটি তদন্ত করিয়া দেখিতে থাকেন। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী পনমুদি মাদ্রাজ বিধান সভায় বলে, বৃষ্টিপাতের নমুনা সংগ্রহ করিয়া দেখা গিয়াছে যে, ইহাতে ‘মনুষ্য রক্তের উপাদান রহিয়াছে।
বিলের ইলিশ
বালিয়াকান্দি উপজেলার চট্টারবিল, মাসালিয়া বিল ও হরাই বিল থেকে এলাকার লোকজন ইলিশ ধরিয়াছেন। এর আগে এ সকল বিলে কখনো ইলিশ পাওয়া যায়নি।
বৃদ্ধের নতুন দাঁত
বেতালী উপজেলার বুড়া মজুমদার ইউনিয়নের কাজী মুহম্মদ আনসার উদ্দিনের ৬০ বছর বয়সে বতুন দাঁত গজিয়েছে। উক্ত আনসর উদ্দিনের উপরের পাটির কয়েকটি দাঁত পড়ে যাওয়ার পর পুনরায় নতুন দাঁত গজাতে শুরু করে। এ যাবত ২টি দাঁত পুরোপুরি গজিয়েছে। আরো নতুন দাঁত গজানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
কাঁচা মরিচ খেয়ে তিনি এখন সুস্থ:
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে শুধু দু’বেলা কাঁচা মরিচ খেয়ে বেঁচে আছেন হাফেজ মুহম্মদ মতি মোল্লা। বাবুগঞ্জ উপজেলার এ মতি মোল্লা বহুদিন যাবত গ্যাস্ট্রিক, বহুমুত্র ও বাত রোগে ভুগছিলেন। তারপর জনৈক কবিরাজের পরামর্শমতে আজ ১২ বছর হয় দু’বেলায় নিয়মিত ১ পোয়া কাঁচা মরিচ খেয়ে তিনি এখনো জীবিত আছেন। এবং অনেক আগেই তার রোগসমূহ সেরে গেছে।
অবিরাম পাউরুটি ভক্ষণ:
প্রতিদিন ৭৫টি পাউরুটি ভক্ষণকারী ইরানীয় এক জনক ও তাহার তিন পুত্রকে তাহাদের নিজ গৃহে একটি রুটি কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হইয়াছে। করিম খাইরী পাওর নামক তিন পুত্রের উক্ত জনক জানান, তাহার পুত্র কামাল (৪), সালমান (৬) ও ফারমান (৮) এর পাউরুটি ছাড়াও প্রতিদিন ১৩ পাউন্ড মাখ ও ৬০টি গোলআলূর প্রয়োজন পড়ে। ইরানের সর্বাধিক প্রচারিত সান্ধ্য দৈনিক ‘কাইহান’-এ পিতার উদ্ধৃতি দিয়া তাহারা সত্যিই অধিক মাত্রায় অবিরাম পাউরুটি ভক্ষণকরে শীর্ষক সংবচাদে বলা হয় যে, কামালের বর্তমান ওজন ৮৮ পাউন্ড, ফারমানের ১৩২ পাউন্ড এবং ৬ বছর বয়স্ক সালমানের ওজন ১৫২ পাউন্ড। সম্ভবত: ছয় বছর বয়সের কোন বালকের ক্ষেত্রে ওজনের দিক দিয়া সালমান বিশ্ব রের্কডধারী হইবে।
‘কাইহান’-এর উদ্ধৃতি দিয়া ইরানী বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, ডাক্তারদের মতে, জনাব করিমের পুত্র এয়ের স্বাস্থ্যগত দিক দিয়া কোন ত্রুটি দেখা যাইতেছে না।
তৃতীয় বিশ্বে বৃদ্ধদের সংখ্যা বাড়িতেছে:
যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান ব্যুরোর মতে, বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের ২২টি উন্নয়নশীল দেশে প্রৌঢ় ও প্রৌঢ়াদের সংখ্যা বাড়িতেছে। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে ৫৫ বছর বা ততোধিক বয়সের মহিলা ও পুরুষের অনুপাত ছিল জনসংখ্যার সাত সশমিক দুই ভাগ। আর ভারতে ছিল আট দশমিক ছয় ভাগ। আগামী ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে এ ধরণের পৌঢ় নরনারীর অনুপাত জনসংখ্যার ১১ দশমিক পাঁচ ও ভারতে চৌদ্দ দশমিক আট-এ গিয়া ঠেকিবে বলিয়া মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরোর ধারনা।
২৮ আঙুল ও ২৫ দাঁতের নবজাতক:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলঅর মটমুড়ার জেলহকের স্ত্রী চায়না বেগম একটি অস্বাভাবিক গঠনের সন্তান প্রসব করেছে। ভূমিষ্ঠ শিশুটির হাতে পায়ে ২৮টি পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির ন্যায় দাঁত ছিল। ভূমিষ্ঠের আধঘণ্টা পর সন্তানটি মারা যায়। এই অস্বাভাবিক গঠনের সন্তানটিকে দেখার জন্য বহু সংখ্যক দর্শক সমগম হয়েছিল বলে জানা গেছে।
হযরত রসুলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৈশিষ্ট্য/দু’একটি বিষয়ে আলোকপাত
মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিস সালাম উনার নির্যাতন ভোগ
যমযম কুপের ও ওযুর পানি দাঁড়িয়ে পান করা মোস্তাহাব অন্য কোন পানি বা খাদ্য দাঁড়িয়ে পান করা মাকরূহ