(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়েখ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত ‘কাদিয়ানী রদ’ কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত)। আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ পত্রিকায় ইতিপূর্বে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেছি। পাঠকদের অনুরোধে তা পুনরায় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে কাদিয়ানীসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুসারীদের ঈমান আক্বীদার হিফাযত হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন। আমীন!
যদিও তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।
মির্জা গোলাম প্রতিশ্রুত মাহদী
হতে পারে কিনা?
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
(২) মিশকাত, ৪৭৯/৪৮০ পৃষ্ঠা-
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللهِ لَيَنْزِلَنَّ ابْنُ مَرْيَمَ حَكَمًا عَادِلاً فَلَيَكْسِرَنَّ الصَّلِيبَ وَلَيَقْتُلَنَّ الْخِنْزِيرَ وَلَيَضَعَنَّ الْجِزْيَةَ وَلَتُتْرَكَنَّ الْقِلاَصُ فَلاَ يُسْعَى عَلَيْهَا وَلَتَذْهَبَنَّ الشَّحْنَاءُ وَالتَّبَاغُضُ وَالتَّحَاسُدُ وَلَيَدْعُوَنَّ إِلَى الْمَالِ فَلاَ يَقْبَلُهُ أَحَدٌ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম, সত্যিই হযরত ইবনে-মারইয়াম আলাইহিস সালাম তিনি ন্যায় বিচারক শাসনকর্তা রূপে আসমান থেকে নেমে আসবেন, তারপর নিশ্চয়ই তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকরগুলো হত্যা করবেন, ‘জিয্ইয়া’ কর উঠিয়ে দিবেন, লম্বা পা বিশিষ্ট জোয়ান উটগুলো পরিত্যাগ করা হবে, এমনকি তৎসমুদয়ের আরোহন করার এবং তৎ সমস্ত দ্বারা কোন কার্জ নির্বাহের চেষ্টা করা হবে না। নিশ্চয়ই পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ ও হিংসা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অবশ্য তিনি লোকদেরকে টাকা-পয়সা নিতে আহবান করবেন, কিন্তু কেউ তা গ্রহণ করবে না। মুসলিম শরীফে ইহা বর্ণিত আছে।
(৩) ছহিহ্ মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে-
عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَالَّذِى نَفْسِى بِيَدِهٖ لَيُهِلَّنَّ ابْنُ مَرْيَمَ بِفَجِّ الرَّوْحَاءِ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণিত আছে, যেই মহান আল্লাহ পাক উনার হাত মুবারকে আমার প্রাণ মুবারক রয়েছে উনার শপথ, হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম ‘ফজ্জে রওহা’ নামক স্থানে হজ্জ অথবা উমরা করার জন্য ইহরাম বাঁধবেন।”
ইমাম নাববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের মধ্যস্থলে একটি স্থানের নাম ‘ফজ্জে-রওহা’।