নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরানী হুলিয়া মুবারক

সংখ্যা: ৩০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-

لَوْلَاكَ لَـمَا خَلَقْتُ الْاَفْلَاكَ

অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে সৃষ্টি না করলে আসমান-যমীন কোন কিছুই সৃষ্টি করতাম না।” (আশ শিফা, রুহুল মাআনী, আল আসরারুল মারফু‘আহ)

পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

لَوْلَاكَ لَـمَا أَظْهَرْتُ الرُّبُـوْبِيَّةَ

অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে সৃষ্টি না করলে আমি মহান আল্লাহ পাক আমার নিজের সম্মানিত রুবুবিয়ত মুবারক প্রকাশ করতাম না।” (কানযুল উম্মাল)

যেই মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সৃষ্টি মুবারকের ব্যাপারে এত বড় মাহাত্ম, বেমেছাল সম্মান, অপরিসীম গৌরব, সেই হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রকৃত সম্মানিত সৌন্দর্য মুবারক, উনার সম্মানিত হুলিয়া মুবারক, উনার বেমেছাল জিসিম মুবারক বর্ণনা করা সৃষ্টিকুলের পক্ষে কশ্মিনকালেও সম্ভব নয়। এ বিষয় মুবারকগুলো শুধুমাত্র অনুভবনীয়।

সেজন্যই প্রত্যক্ষদর্শী ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যারা সাইয়্যিদুল মাখদুম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছেন উনারা বর্ণনা করেন যে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেয়ে সুদর্শন কাউকে উনারা পূর্বে এবং পরে কখনো দেখেননি।” (পবিত্র তিরমিযী শরীফ)

মূলত এটা একটি বাহ্যিক বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আসলে উনার সাথে কোন কিছুর মেছাল দেয়া কিংবা তুলনা করা কাট্টা কুফরী হবে। পরবর্তী উম্মত যাতে করে উনার মহাসম্মানিত জিসিম মুবারক উল্লেখ করে ফায়দা হাছিল করতে পারে, কামিয়াবী হাছিল করতে পারে সে জন্যই উনার মহাসম্মানিত হুলিয়া মুবারক উনার আলোচনা-

তবুও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, আকরামুল আওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ফখরুল আম্বিয়া, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সীরত মুবারক ও মহাসম্মানিত ছূরত মুবারক এবং সম্মানিত জিসিম মুবারক সম্মানিত আকৃতি মুবারক পরিস্ফুটনের লক্ষ্যে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কিছু কিছু বর্ণনা মুবারক করেছেন। যাতে করে পরবর্তী উম্মতগণ উনার মহাসম্মানিত হুলিয়া মুবারক উনার বর্ণনা মুবারক করে ফায়দা হাছিল করতে পারে।

আফদ্বালুন্ নাস বা’দাল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন-

كَانَ وَجْهُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم كَاَنَّهٗ دَارَةُ قَمَرٍ

অর্থ: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, ছাহিবে জা’মিউল আসমা ওয়াছ ছিফাত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহমাহ মুবারক (সম্মানিত চেহারা মুবারক) যেন দীপ্তমান চন্দ্র থেকেও লক্ষ কোটি গুণ অতি উজ্জল থেকে উজ্জলতম।” (আল ইনসানুল কামিল)

হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন,

عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْـرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ الشَّمْسُ تَجْرِىْ فِى وَجْهِهٖ

অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আত্-ত্বাহির, আত্-ত্বইয়িব, শাফিউল উম্মাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহমাহ মুবারক (সম্মানিত চেহারা মুবারক) সূর্যের থেকে লক্ষ-কোটি গুণ বেশী উদ্ভাসিত হতেন।” (পবিত্র তিরমিযী শরীফ)

আল্লামা হযরত ইমাম কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-

لَـمْ يَظْهَرْ لَنَا تَمَامُ حُسْنِ لِاَنَّهٗ لَوْ ظَهَرَ لَنَا تَمَامُ حُسْنٍ لَـمَا اَطَاقَتْ اَعْيُـنُـنَا رُوْيَـتَهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব রঊফুর রহীম, রহমতুল্লিল ‘আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ মহাসম্মানিত সৌন্দর্য মুবারক আমাদের নিকট তথা কায়িনাত মাঝে প্রকাশ করা হয়নি, যদি উনার পূর্ণ মহাসম্মানিত সৌন্দর্য মুবারক প্রকাশ করা হতো, তাহলে আমাদের চক্ষু সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, ছাহিবে লাসতু কা-আহাদিকুম, ছাহিবে মি‘রাজ শরীফ, ছাহিবে কুন ফাইয়াকুন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বাহ্যিকভাবে দেখার শক্তি রাখতো না।” (শামায়েলে তিরমিযী)

কুল-মাখলুক্বাত-উনার নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হায়াতুন নবী, ছাহিবে ইলমে গ্বইব, ছাহিবে মুত্তালা’ ‘আলাল গ্বইব, আল-হাদ্বির, আন্-নাযির, আকরামুল আওওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ফখরুল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা মাওলানা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আকার-আকৃতি মুবারক, মহাসম্মানিত সীরত মুবারক, মহাপবিত্র রহমতী ছূরত মুবারক এবং উনার মহাসম্মানিত জিসিম মুবারক উনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনার আলোকে তুলে ধরা হলো-

মহাসম্মানিত নূরুল কুদরত মুবারক

(অজুদ মুবারক):

সাইয়্যিদুর রসূল, ছাহিবে কাওছার, ছাহিবে মাক্বামে মাহমুদ, ছাহিবে লিওয়ায়িল হামদ্, ছাহিবে শাফা‘য়াতে কুবরা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল কুদরত মহাসম্মানিত অজুদ মুবারক গঠন সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَبْـعَةً، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ وَلَا بِالْقَصِيرِ، حَسَنَ الْجِسْمِ، وَكَانَ شَعْرُهُ لَيْسَ بِجَعْدٍ وَلَا سَبْطٍ أَسْمَرَ اللَّوْنِ، إِذَا مَشَى يَـتَكَفَّأُ

অর্থ: হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মধ্যম আকৃতির সম্মানিত অজুদ মুবারকের অধিকারী ছিলেন। খুব লম্বাও ছিলেন না আবার খাটোও ছিলেন না (বরং মানানসই মধ্যম ছিলেন), তিনি খুবই সুন্দর নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত জিসিম মুবারক) উনার অধিকারী ছিলেন। উনার নূরুল ফাতাহ মুবারক (মহাসম্মানিত চুল মুবারক) অধিক কোঁকড়ানোও ছিলেন না আবার একেবারে সোজাও ছিলেন না, (সামান্য কোঁকড়ানো ছিলো)। মহাসম্মানিত নূরুল মুজাসসাম ( মহাপবিত্র জিসিম মুবারক) উনার রং মুবারক ছিলেন গোধুলী অর্থাৎ গন্দম রং উনার ন্যায়। তিনি হাঁটার সময় সামনের দিকে একটু ঝুকে হাঁটতেন।” (শামায়েলে তিরমিযী)

মহাসম্মানিত নূরুল ফার্হাহ মুবারক

(চোখ মুবারক উনার মনি মুবারক):

সাইয়্যিদুল মাখদুম, ছাহিবে জা’মিউল আসমা ওয়াছ ছিফাত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক (বরকতময় চক্ষু মুবারক) ছিলেন বড়, আকর্ষণীয় নয়নাভিরাম। উনার নূরুল ফার্হাহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত চোখ মুবারক উনার মনি মুবারক) ছিলেন গাঢ় কালো এবং নূরুল ফার্হাহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত চোখ মুবারক উনার মনি মুবারক) উনার পার্শ্বস্থ সাদা অংশে হালকা লাল রেখা প্রতিভাত হতেন। তিনি অভূতপূর্ব সম্মানিত দৃষ্টি শক্তি মুবারকের অধিকারী ছিলেন।

আল ইনসানুল কামিল নামক কিতাবে বর্ণিত আছে-

اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَرٰى بِاللَّيْلِ فِى الظُّلْمَةِ كَمَا يَـرٰى بِالنَّـهَارِ فِى الضَّوْءِ- وَكَانَ يَرٰى مِنْ خَلْفٍ كَمَا يَـرٰى مِنْ أَمَامٍ

অর্থ: নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দিনের আলোতে যেরূপ দেখতেন, রাতের আঁধারেও তদ্রুপ দেখতেন এবং সামনে যেরূপ দেখতেন; পিছনেও অনুরূপ দেখতেন।

মহাসম্মানিত নূরুত তানউইর মুবারক

(মহাপবিত্র ভ্রম্ন মুবারক):

আল-হাদ্বির, আন্-নাযির, আকরামুল আওওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ফখরুল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তানউইর মুবারক (মহাসম্মানিত ভ্রম্ন মুবারক) ছিলেন পাতলা, ধনুকের ন্যায় সরু এবং অসংযুক্ত।

মহাসম্মানিত নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত মাথা মুবারক):

আত্-ত্বহির, আত্-ত্বইয়িব, শাফিউল উম্মাহ, খতীবুল আম্বিয়া ওয়াল উমাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত মাথা মুবারক) ছিলেন সাধারণের চেয়ে বড়। যা উনার মহাসম্মানিত নূরুল মুজাসসাম মুবারক তথা পবিত্র জিসম মুবারকের সাথে অত্যন্ত মানানসই নজরকাড়া সুদর্শন ছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুল মালাহাহ মুবারক

(কপাল মুবারক):

আকরামুল আওওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ফখরুল আম্বিয়া, বার্রাকুল জাবীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রশস্ত নূরুল মালাহাহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত কপাল মুবারক) উনার অধিকারী ছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুল আনওয়ার মুবারক

(মহাসম্মানিত গাল মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরুল আনওয়ার মুবারক (মহাসম্মানিত গাল মুবারকগুলো) ছিলেন অত্যন্ত মসৃণ এবং হালকা পুর গোশতযুক্ত। যা একেবারে তুলতুলে কিংবা ঢলঢলে ছিলেন না। মহাসম্মানিত মুখমন্ডল মুবারক মানানসই চওড়া ছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুত তাক্বরীর মুবারক

(মহাসম্মানিত মুচকি হাসি মুবারক):

হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-

مَا رَاَيْتُ شَيْـئًا اَحْسَنَ مِنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَاَنَّ الشَّمْسَ تَجْرِىْ فِىْ وَجْهِهٖ وَاِذَا ضَحِكَ يَـتَلَأْلَاُ فِى الْجُدُرِ

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেয়ে অধিক সুন্দর কাউকে আমি কখনো দেখিনি। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুর রহমত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) থেকে সূর্যের মতো অর্থাৎ সূর্য থেকেও অধিক নূর মুবারক বিচ্ছুরিত হতেন। তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শাহাদাত মুবারক (মহাসম্মানিত তাবাস্সুম মুবারক থেকে একটু বেশি হাসি মুবারক) দিতেন, তখন পাশ্ববর্তী দেয়ালসমূহ উনার হাসি মুবারকের আলোতে আলোকিত হয়ে যেতো।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, শারহুশ শিফা ইত্যাদি)

মহাসম্মানিত নূরুন ‘আলা নূর মুবারক

(মহাসম্মানিত নাক মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুন ‘আলা নূর মুবারক (মহাসম্মানিত নাসিকা মুবারক) মানানসই উঁচু ছিলেন এবং তা হতে সর্বদা মহাসম্মানিত নূর মুবারক প্রকাশ পেতেন। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত নূরুল বারাকাত মুবারক

(মহাসম্মানিত থুথু মুবারক):

কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

قَالَ حَضْرَتْ اَنَسٌ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ بَـزَقَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ بِئْرٍ بِدَارِنَا فَـلَمْ يَكُنْ بِالْمَدِيْـنَةِ بِئْـرٌ اَعْذَبَ مِنْـهَا

অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের বাড়ির পাশে একটি কূপ মুবারক-এ নূরুল বারাকাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র থুথু মুবারক) নিক্ষেপ করেন। যার কারণে মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে সেই কূপ মুবারক উনার পানি মুবারক সবচেয়ে অধিক সুপেয় ও সুমিষ্ট হয়ে যান।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ২/৩১)

মহাসম্মানিত নূরুল্লাহ মুবারক

(মহাসম্মানিত দন্ত মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল্লাহ মুবারক (মহাসম্মানিত দন্ত মুবারক) ছিলেন সরু, মনোরম, সুমসৃণ, উজ্জল ও চকচকে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনের নূরুল্লাহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত দন্ত মুবারকে) কিঞ্চিৎ পরিমাণ ফাঁক ছিলেন। তিনি নূরুত তাক্বরীর মুবারক (মহাসম্মানিত তাবাস্সুম মুবারক) থেকে একটু বেশি হাসি মুবারক যখন দিতেন, তখন তা মুক্তার মত চমকাতেন। তিনি যখনই কথা মুবারক বলতেন বা কিছু ইরশাদ মুবারক করতেন তখন তা থেকে নূর মুবারক বিচ্ছুরিত হতেন।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-

كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَفْـلَجَ الثَّنِيَّـتَـيْنِ اِذَا تَكَلَّمَ رُئِىَ كَالنُّـوْرِ يَخْرُجُ مِنْ بَۢيْنِ ثَـنَايَاهُ

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনের দুই মহাসম্মানিত নূরুল্লাহ মুবারক (মহাসম্মানিত দন্ত মুবারক) উনাদের মাঝে কিছুটা ফাঁকা ছিলেন। তিনি যখন মহাসম্মানিত কথা মুবারক বলতেন, তখন দেখা যেতো উনার দুই মহাসম্মানিত নূরুল্লাহ মুবারক উনাদের মাঝ দিয়ে নূর মুবারক বিচ্ছুরিত হচ্ছেন।” সুবহানাল্লাহ! (শিফা শরীফ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)

মহাসম্মানিত নূরুন নি‘য়ামাহ মুবারক

(মহাপবিত্র দাড়ি মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুন নি‘য়ামাহ মুবারক (মহাসম্মানিত দাড়ি মুবারক) ছিলেন অত্যন্ত ঘন কালো এবং খুবই মনোরম। উভয় মহাসম্মানিত চোয়াল মুবারক পরিপূর্ণ। যা উনার নূরুল ইল্ম মুবারক (মহাসম্মানিত বক্ষ মুবারক) উনার একাংশ সবর্দা আবৃত করে রাখতেন। যা খুবই সুন্দর নূরানীময় দেখাতেন।

মহাসম্মানিত নূরুল ফাতাহ মুবারক

(মহাসম্মানিত চুল মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল ফাতাহ মুবারক (মহাসম্মানিত চুল মুবারক) ছিলেন ঘন কালো সামান্য কোঁকড়ানো এবং বাবরী, যা নূরুত্ব ত্বহারাত মুবারক (মহাসম্মানিত কান মুবারক উনার লতি মুবারক) পর্যন্ত প্রলম্বিত ছিলেন। মহাসম্মানিত ৬৩ বছর হায়াত মুবারকে মোট ১৪-২৩টি নূরুল ফাতাহ মুবারক (মহাসম্মানিত চুল মুবারক) কালো হতে সাদা বর্ণ মুবারক ধারণ করেছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুন নুবুওওয়াহ মুবারক

(মহাসম্মানিত ঘাড় মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুন নুবুওওয়াহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত ঘাড় মুবারক) ছিলেন পুরু গোশতযুক্ত। উভয় সম্মানিত কাঁধ মুবারক উনার মধ্যবর্তী স্থান আকর্ষণীয় মানানসই চওড়া ছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুল ওয়ারা’ ও নূরুল ইল্ম মুবারক

 (মহাসম্মানিত পেট মুবারক ও মহাসম্মানিত বক্ষ মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল ওয়ারা’ মুবারক (মহাসম্মানিত পেট মুবারক) ও নূরুল ইল্ম মুবারক (মহাসম্মানিত বক্ষ মুবারক) সমতল ছিলেন। কিন্তু নূরুল ইল্ম মুবারক (মহাসম্মানিত বক্ষ মুবারক) সুপ্রশস্ত ছিলেন। উনার নূরুল ইল্ম মুবারক (মহাসম্মানিত বক্ষ মুবারক) হতে নূরুল আস্রার মুবারক মহাসম্মানিত নাভী মুবারক পর্যন্ত হালকা নূরুছ ছফা’ মুবারক (মহাসম্মানিত পশম মুবারক) বিদ্যমান ছিলেন।

মহাসম্মানিত নূরুল আবইয়াদ্ব মুবারক

(মহাসম্মানিত বগল মুবারক):

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

قَالَ حَضْرَتْ اَنَسٌ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ رَاَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـرْفَعُ يَدَيْهِ فِى الدُّعَاءِ حَتّٰى يُـرٰى بَـيَاضُ اِبْطَيْهِ

অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি দেখেছি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত দো‘আ মুবারক উনার মধ্যে উনার উভয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত হাত মুবারক) এমনভাবে উঠাতেন যে, উনার উভয় মহাসম্মানিত বগল মুবারক উনাদের শুভ্রতা মুবারক দেখা যেতেন।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ২/৭৫)

কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-

قَالَ رَجُلٌ مِّنْ بَۢنِىْ حُرَيْشٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ ضَمَّنِىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَالَ عَلَىَّ مِنْ عِرْقِ اِبْطَيْهِ مِثْلَ رِيْحِ الْمِسْكِ

অর্থ: “বনী হুরাইশ গোত্রের একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তখন উনার উভয় মহাসম্মানিত বগল মুবারক থেকে মেশকের ন্যায় (মেশকের চেয়েও অধিক) সুঘ্রাণময় মহাসম্মানিত নূরুত ত্বীব মুবারক (মহাসম্মানিত ঘাম মুবারক) আমার উপর ঝরে পড়লেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে বায্যার, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ২/৭৫)

হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-

قَالَ حَضْرَتْ اَلْمُحِبُّ الطَّبَرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِنْ خَصَائِصِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنَّ الْاِبْطَ مِنْ جَمِيْعِ النَّاسِ مُتَـغَيِّرُ اللَّوْنِ غَيْـرَهٗ وَذَكَرَ حَضْرَتْ اَلْقُرْطُبِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِثْلَ ذٰلِكَ وَزَادَ وَاَنَّهٗ لَا شَعْرٌ فِيْهِ

অর্থ: “ইমাম মুহিব্বে ত্ববারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, মহাসম্মানিত বগল মুবারক উনার শুভ্রতা ও উজ্জ্বলতা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য মুবারক। সাধারণ মানুষের বগলের রং ত্বক থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। হযরত ইমাম কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও অনুরূপ বর্ণনা করেন। তিনি আরো বর্ণনা করেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বগল মুবারক-এ কোনো মহাসম্মানিত নূরুছ ছফা মুবারক (মহাসম্মানিত পশম) মুবারক ছিলেন না।” সুবহানাল্লাহ! (খাছাইছুল কুবরা ১/১০৭)

মহাসম্মানিত নূরুল মাগফিরাহ মুবারক

(মহাসম্মানিত হাত মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উভয় নূরুল মাগফিরাহ্ (মহাসম্মানিত হাত মুবারক) মানানসই দীর্ঘ ছিলেন।

হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন যে, “আমি কখনও এমন কোন মখমল বা রেশমী বস্তু স্পর্শ করিনি যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উভয় তালু মুবারক অপেক্ষা অধিকতর নরম।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

মহাসম্মানিত নূরুদ দারাজাহ মুবারক

(মহাসম্মানিত কদম মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উভয় নূরুদ দারাজাহ (মহাসম্মানিত কদম মুবারক) উনাদের মধ্যে গোশত পরিপূর্ণ ছিলেন। নূরুদ দারাজাহ (মহাসম্মানিত কদম মুবারক) উনার তলদেশ বেশ গভীর ও মসৃণ ছিলেন। তিনি হাঁটার সময় সামনের দিকে একটু ঝুঁকে হাঁটতেন। মনে হতো, যেন তিনি কোন উচু স্থান থেকে নামছেন।

হযরত হিন্দ ইবনে আবি হালাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন যে, “ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মাটির উপর হালকাভাবে নূরুদ দারাজাহ মহাসম্মানিত কদম মুবারক ফেলতেন। কখনই ছোট ছোট পদক্ষেপে হাঁটতেন না।” (শামায়েলে তিরমিযী শরীফ)

মহাসম্মানিত নূরুন নুবুওওয়াহ মুবারক (মহরে নুবুওওয়াত মুবারক):

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুন নুবুওওয়াহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত ঘাড় মুবারক) উনার উপর কবুতরের ডিমের সমতুল্য এক খন্ড গোশত মুবারক ছিলেন, যার রং ছিলেন হালকা খয়েরী। আর উনার চার পাশে কালো তিলের মত দেখা যেতেন। আর উনাকে মহরে নুবুওওয়াত মুবারক বলা হয়।

পরিশিষ্ট: পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে, সৃষ্টির কারো পক্ষেই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব এবং উনার মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরানী হুলিয়া মুবারক অর্থাৎ উনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা মুবারক প্রকৃত মহাসম্মানিত সীরত-ছূরত মুবারক বর্ণনা করা সম্ভব নয়। তবুও যে সমস্ত বর্ণনাসমূহ আমাদের নিকট পৌঁছেছে সংক্ষিপ্ত আকারে তা বর্ণনা করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং উনার হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন সুলত্বানিন নাছীর সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উছীলায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হুলিয়া মুবারক হাক্বীক্বীভাবে দেখে উপলব্ধি করে অন্তরে যথাযথভাবে ধারণ করার এবং আমাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে উনাদের খাছ রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার তৌফিক মুবারক দান করেন। আমীন!

-মুহম্মদ হুসাইন নাফে’

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরানী হুলিয়া মুবারক

আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন খুলুকুন ‘আযীম উনার অধিকারী

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ জামিনদার

মহাসম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা  ৬,৬৬৬। আর এ মতটি বহুল প্রচলিত, মশহূর ও  গ্রহণযোগ্য

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছ ও তার খণ্ডনমূলক জবাবনূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট